চাঁদপুর। বুধবার ১৪ মার্চ ২০১৮। ৩০ ফাল্গুন ১৪২৪। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরের সুধীজন ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে নবাগত পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম বলেন, যে কোনো মূল্যে চাঁদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা হবে। এছাড়া তিনি সড়কে ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখার সবপ্রকার চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৬-সূরা ইয়াসিন


৮৩ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩৫। যাতে তারা তার ফল খায়। তাদের হাত একে সৃষ্টি করে না। অতঃপর তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না কেন?


৩৬। পবিত্র তিনি যিনি জমিন থেকে উৎপন্ন উদ্ভিদকে, তাদেরই মানুষকে এবং যা তারা জানে না, তার প্রত্যেককে জোড়া জোড়া করে সৃষ্টি করেছেন।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


 


সর্বদা তাই কর যা করতে তুমি ভয় পাও।


-ইমারসন।


 


 


মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।


 


 


ফটো গ্যালারি
বিপরীত পাশ ভরাট : দর্জিঘাট এলাকায় ডাকাতিয়ার ভাঙ্গন
এএইচএম আহসান উল্লাহ
১৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর শহরের দর্জিঘাট এলাকায় ডাকাতিয়া নদীর ভাঙ্গনে উত্তর গুণরাজদী এলাকার মানুষেরা আতঙ্কে রয়েছে। আর এ ভাঙ্গন মানবসৃষ্ট। অর্থাৎ নদীর স্বাভাবিক গতিধারাকে বাধাগ্রস্ত করায় এখন নদীর স্রোত পাড়ে গিয়ে আছড়ে পড়ছে। ফলে বস্নক দিয়ে বাঁধ দেয়া নদীর পাড় ভাঙছে। আস্তে আস্তে করে বস্নক দেবে যাচ্ছে। এ ভাঙ্গন এলাকা গত রোববার পরিদর্শন করেছেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ দীপু মনি ও জেলা প্রশাসক মোঃ মাজেদুর রহমান খান। উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান। এছাড়া স্থানীয় পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর (১২নং ওয়ার্ড) হাবিবুর রহমান দর্জিসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় এলাকার নারী-পুরুষ সম্মিলিতভাবে এমপির কাছে তাদের কষ্ট ও ক্ষোভের কথা জানান।



এলাকাবাসী জানায়, দর্জিঘাট বরাবর নদীর ওপাড়ে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে, এর জন্যে নদীর অনেক অংশ ভরাট করে ফেলা হয়েছে। আর ড্রেজার দিয়ে ভরাট করায় সে বালু গিয়ে নদীতে পড়ায় নদীতে চর পড়ে গেছে। এভাবে নদীর স্বাভাবিক গতিধারাকে বাধাগ্রস্ত করায় পুরো পানির ধাক্কাটা এসে দর্জিঘাট এলাকায় বাঁধের উপর গিয়ে পড়ছে। ফলে বস্নকগুলো আস্তে আস্তে দেবে যাচ্ছে আর পাড়ের নিচের দিকে মাটি সরে যাচ্ছে। বেশ কিছুদিন যাবৎ এ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। আসছে বর্ষায় ভাঙ্গন আরো তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।



এদিকে এ ভাঙ্গনের খবর শুনে ডাঃ দীপু মনি ও জেলা প্রশাসক মোঃ মাজেদুর রহমান খান ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বচক্ষে ভাঙ্গন পরিস্থিতি দেখেন। দীপু মনি এ সময় বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এ কেমন কথা? কোন্ বিবেকে এ কাজটি করা হলো? উন্নয়ন হবে ভালো কথা, কিন্তু একটি জনপদের ক্ষতি করে উন্নয়ন করতে হবে? বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবশ্যই প্রয়োজনীয় একটি উন্নয়ন প্রকল্প। মানুষের প্রয়োজনেই এটি করা হচ্ছে। সেজন্যে নদী ভরাট করে করতে হবে? এখন যে বাঁধ দেবে গিয়ে নদীর পাড় ভাঙছে এর ক্ষতিপূরণ দিবে কে? এ এলাকার মানুষগুলো যে ভাঙ্গনের মুখে পড়ে গেলো এর দায় এখন কে নিবে? এভাবেই বিস্ময় প্রকাশ করে ডাঃ দীপু মনি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কর্তৃপক্ষের এমন কর্মকা-ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সাথে সাথে জেলা প্রশাসক ও চাঁদপুর পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হানকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।



এ ব্যাপারে গতকাল কথা হয় পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হানের সাথে। তিনিও ভাঙ্গনের কারণ হিসেবে বললেন, নদীর পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করে দেয়ায় এ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সামনে বর্ষায় ভাঙ্গন আরো বেড়ে যাবে। এটি খুবই দুঃখজনক। এখন এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক উদ্যোগ নিতে পারেন। কারণ, নদীর মালিক হচ্ছেন জেলা প্রশাসক। এমপি মহোদয়ের পরামর্শক্রমে আমি আজকালের মধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে ভাঙ্গন ঘটনার উল্লেখসহ রিপোর্ট দিয়ে দেবো। এরপর জেলা প্রশাসক মহোদয় সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে বিষয়টি আনবেন। ভাঙ্গন রোধে করণীয় বিষয়ে তিনি বলেন, এর উপর একটি প্রকল্প তৈরি করে উপরে পাঠানো হবে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।



এ ব্যাপারে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান দর্জি বলেন, শহরের এতো কাছাকাছি জায়গায় নদীটি ভরাট করে ফেললো, অথচ কেউই কিছুই বললো না, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমি আমাদের এমপি মহোদয় ও জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অনুরোধ করেছি।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৪২৩৭২
পুরোন সংখ্যা