চাঁদপুর। বুধবার ১৪ মার্চ ২০১৮। ৩০ ফাল্গুন ১৪২৪। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরের সুধীজন ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে নবাগত পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম বলেন, যে কোনো মূল্যে চাঁদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা হবে। এছাড়া তিনি সড়কে ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখার সবপ্রকার চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৬-সূরা ইয়াসিন


৮৩ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩৫। যাতে তারা তার ফল খায়। তাদের হাত একে সৃষ্টি করে না। অতঃপর তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না কেন?


৩৬। পবিত্র তিনি যিনি জমিন থেকে উৎপন্ন উদ্ভিদকে, তাদেরই মানুষকে এবং যা তারা জানে না, তার প্রত্যেককে জোড়া জোড়া করে সৃষ্টি করেছেন।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


 


সর্বদা তাই কর যা করতে তুমি ভয় পাও।


-ইমারসন।


 


 


মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।


 


 


ফটো গ্যালারি
২নং বালক সপ্রাবির বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা
শেখ হাসিনা এ দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছেন : মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ
দক্ষ জাতি গঠনে মায়েদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি : জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার খোরশেদ আলম
মিজানুর রহমান
১৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজারস্থ ২নং বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ এবং মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা-২০১৮ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ১৩ মার্চ মঙ্গলবার আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যালয়ের এ অনুষ্ঠান দুই পর্বে সম্পন্ন হয়। সকাল ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন এবং বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ। বিকেল ৪টায় পুরস্কার বিতরণ ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং পুরস্কার বিতরণ করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ খোরশেদ আলম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাজমা বেগম ও পুরাণবাজার মধুসূদন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গনেশ চন্দ্র দাস। দু'পর্বের এ অনুষ্ঠানে সভাপ্রধানের বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অ্যাডঃ জামিল হায়দার বুলবুল।



প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ বলেন, খেলাধুলা করলে শিশুদের শরীর-মন সুস্থ থাকে, তারা লেখাপড়ায় ভালো করে। খেলাধুলা এবং লেখাপড়া একে অপরের সহায়ক। এজন্য এটি শুধুমাত্র একটি দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রত্যেকদিন ছেলেমেয়েদের কিছু না কিছু খেলাধুলা থাকতে হবে। তাই প্রত্যেক শিশুকে লেখাপড়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে খেলাধুলার সুযোগ করে দিতে হবে। তাহলেই প্রকৃত অর্থে তারা নিজেদের মেধা বিকাশের সুযোগ পাবে।



তিনি আরো বলেন, বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠানের জন্যে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবক এবং এলাকাবাসী সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে থাকে কবে আসবে সে দিনটি। এখন প্রতিটি স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া বেশ উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে হয়ে থাকে। এতে ছেলেমেয়েরা ক্রীড়া ও সংস্কৃতি চর্চায় উৎসাহিত হয়। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করতে হলে জাতিকে শতভাগ শিক্ষিত করে তোলা হচ্ছে প্রথম শর্ত। আর এ লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রতি বছর ১ জানুয়ারি বই উৎসব পালন করা হয়। এ বছরও ৩ কোটি ৪২ লক্ষ ৯০ হাজার বই ছেলেমেয়ের হাতে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। ছেলেমেয়েরা নতুন বই পেয়ে মহা আনন্দিত। দেশে এখন শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ বিরাজমান। স্কুলে যায় না এমন ছেলে-মেয়ে এখন খুঁজে পাওয়া যাবে না।



শিক্ষকদের তিনি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ছোট্ট এই সোনামনিরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, তারা এই দেশের নেতৃত্ব দেবে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এই দেশ কীভাবে স্বাধীন হলো তাদেরকে সত্য ইতিহাস জানাতে হবে। আজকে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার দিকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আজকে খাদ্যের নিরাপত্তা হয়েছে। দেশে এখন আর কোনো লোক না খেয়ে থাকে না। প্রত্যেক ছেলে-মেয়ে স্কুলে যায়। মানুষ চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে। কেউ বস্ত্রহীন এবং আশ্রয়বিহীন কোনো মানুষ নেই। জননেত্রী শেখ হাসিনা এ দেশকে অনেক এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আরো এগিয়ে নেয়ার জন্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে আমাদের ছেলে-মেয়েদের শতভাগ শিক্ষিত হতে হবে এবং দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হতে হবে



পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ খোরশেদ আলম তাঁর বক্তব্যে বলেন, শিশুদের শরীর-স্বাস্থ্য ও মেধা বিকাশের ক্ষেত্রে মায়েদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। একটি দক্ষ জাতি গঠনেও ভূমিকা মায়েদের বেশি। তাই আগামী প্রজন্মের কথা চিন্তা করেই মায়েদের আরো বেশি সচেতন হতে হবে। মায়েরা সচেতন হলেই তার সন্তানরা লেখাপড়ায় মনোযোগী হবে। যে পরিবারের মা সচেতন না, ওই পরিবারের বাচ্চাদের লেখাপড়া ভালো হয় না।



পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র রেদওয়ানের কোরআন তেলাওয়াত ও পূজা দের গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের অভিনন্দন জানিয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল বাতেন মিয়াজী। বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ধ্রুবরাজ বণিকের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক কামাল আহমেদ, আমন্ত্রিত অতিথি ২নং বালিকা (সিহল) সপ্রাবির প্রধান শিক্ষক রাশেদা নাসরীন, আখন বাড়ি সপ্রাবির প্রধান শিক্ষক ক্ষমা বণিক, লক্ষ্মীপুর ঘারুয়া সপ্রাবির প্রধান শিক্ষক নুরুন নাহার মুনমুন, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও সাবেক কাউন্সিলর আসলাম গাজী, সাবেক কাউন্সিলর মাহফুজ বেপারী, স্কুলের শিক্ষক-অভিভাবক কমিটির সভাপতি বিএম ওমর ফারুক, সহ-সভাপতি শিপন খান, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য তাছির বেপারী, আলহাজ্ব মোঃ ঊষা শেখ, অভিভাবক সলেমান ঢালীসহ অভিভাবকবৃন্দ। পরিচালনায় ছিলেন সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ মাকসুদুল মাওলা। আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারী শিক্ষক সুব্রত রায়, আবু নাসের পারভেজ, হামিদা আক্তার, পুতুল রাণী দেবী, তাছলিমা নাজনীন, মোহছেনা আক্তার, নাছিমা আক্তার, প্রিয়াংকা সরকার, ফারজানা আক্তার ও নিপা মারওয়া।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৬৩৮৫৩
পুরোন সংখ্যা