চাঁদপুর। মঙ্গলবার ২০ মার্চ ২০১৮। ৬ চৈত্র ১৪২৪। ১ রজব ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • হাজীগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৬-সূরা ইয়াসিন

৮৩ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪৭। যখন তাদেরকে বলা হয়, আল্লাহ তোমাদেরকে যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় কর। তখন কাফেররা মুমিনগণকে বলে, ইচ্ছা করলেই আল্লাহ যাকে খাওয়াতে পারতেন, আমরা তাকে কেন খাওয়াব? তোমরা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে পতিত রয়েছ।

৪৮। তারা বলে, তোমরা সত্যবাদী হলে বল এই ওয়াদা কবে পূর্ণ হবে?

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


একজন শিক্ষিত লোক নিঃসন্দেহে সম্পদশালী লোক।              


-লা ফন্টেইন।


হে স্ত্রীলোকগণ! তোমাদের জন্যে কি রূপার গহনা নাই? তোমাদের মধ্যে যে স্ত্রী লোক সোনার গহনা পরিয়া প্রকাশিত করে, তাহাকে উহার দ্বারাই শাস্তি প্রদান করা হইবে।


ফটো গ্যালারি
বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতায় সারাদেশে প্রথম চাঁদপুরের ফাতেমাতুজ জোহরা
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
২০ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


এবার সারাদেশে প্রথম হয়ে নিজের এবং চাঁদপুরের গৌরব, সুনাম ও খ্যাতিকে আরো উড্ডীন করলেন এক সময়ের তুখোড় বিতার্কিক চাঁদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ফাতেমাতুজ জোহরা। সকল প্রতিবন্ধকতা ও প্রতিকূল পরিস্থিতিকে পদদলিত করে ফাতেমার পথচলা এগিয়ে চলছে। শিক্ষাজীবনসহ এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ সহপাঠ্যক্রমিক নানা ক্ষেত্র তথা রচনা, হাম্দ-নাত, ক্রীড়া, নৃত্য ইত্যাদি বিষয়ে সে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলছে। জেলা, বিভাগীয় এবং জাতীয় পর্যায়ে অনেক সাফল্যজনক পুরস্কার তার ভাগ্যে জুটেছে। তার এই এগিয়ে চলা আরো অনেক দূর হোক-এটাই তার ইচ্ছা।



চাঁদপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান (রোল নং ৫০১১) বিভাগের এমএসসির ছাত্রী ফাতেমাতুজ জোহরা। বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত রচনা প্রতিযোগিতায় ফাতেমা অংশগ্রহণ করে সারাদেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে। অংশগ্রহণকারী ৪ হাজার ৭শ' জন প্রতিযোগীর মধ্যে ফাতেমা প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করলো। তাও ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও রাজশাহী কলেজের মতো দেশের সেরা বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীদের পেছনে ফেলে ফাতেমার এই কৃতিত্ব অর্জন। দ্বিতীয় হয়েছে রাজশাহী কলেজের অর্থনীতি বিভাগের অনার্স ২য় বর্সের ছাত্রী সঞ্চিতা ম-ল মনিষা এবং তৃতীয় হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী সাবরিনা মনসুর। ফাতেমা দেশের নামীদামী বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীদের টপকে দেশসেরা হয়ে তার প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে।



গত ১৭ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তনে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে ফাতেমাসহ অন্য বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফাতেমাসহ অন্য বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার হিসেবে নগদ অর্থ, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান পিপিএম (বার) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির।



ফাতেমা এর আগে ২০১৬ সালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় সারাদেশের মধ্যে চতুর্থ হন। তখন ফাতেমা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। এছাড়া সে চাঁদপুর জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী রচনা প্রতিযোগিতায় জেলায় প্রথম হয়ে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার পায়। সে জেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী হিসেবেও পুরস্কৃত হয়। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে সদর ও জেলায় প্রথম হওয়াসহ জাতীয় পর্যায়ে আরো নানা সাফল্যের পুরস্কার ছিনিয়ে আনে ফাতেমাতুজ জোহরা। একসময় তার এসব শ্রেষ্ঠত্বের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে কিছু নিন্দুক শ্রেণীর লোক তাকে নিয়ে নানা কটুক্তি ও মিথ্যা অপবাদ দিয়েছিলো। কিন্তু জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার ব্রতে নামা এই প্রতিভাবান শিক্ষার্থীর এগিয়ে চলা বন্ধ হয়নি। তিনি আরো দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছেন। ওইসব অপবাদ ও প্রতিবন্ধকতাকে পদদলিত করে একের পর এক তার শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার ছিনিয়ে আনা নিন্দুকদের জন্যে চপেটাঘাত বলে মনে করেন তার সতীর্থ ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। ফাতেমার আরো বহুদূর এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন। এজন্যে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬৬০৫৯
পুরোন সংখ্যা