চাঁদপুর। বুধবার ২১ মার্চ ২০১৮। ৭ চৈত্র ১৪২৪। ২ রজব ১৪৩৯
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৬-সূরা ইয়াসিন

৮৩ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪৯। তারা কেবল একটা ভয়াবহ শব্দের অপেক্ষা করছে, যা তাদেরকে আঘাত করবে তাদের পারস্পরিক বাক্বিতন্ডাকালে।

৫০। তখন তারা ওছিয়ত করতেও সক্ষম হবে না এবং তাদের পরিবার-পরিজনের কাছেও ফিরে যেতে পারবে না।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


মাত্রাধিক নম্রতার অর্থই হলো কর্কশতা।     

 -জাপানি প্রবাদ।


ধর্মার্থে প্রাণ উৎসর্গকারী শহীদের রক্ত অপেক্ষা বিদ্বান ব্যক্তির কলমের কালি অধিক পবিত্র।


ফটো গ্যালারি
মৃত্যুর ১শ' ৫৫ দিন পর কবর থেকে যুবকের লাশ উত্তোলন
প্রবীর চক্রবর্তী
২১ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ফরিদগঞ্জে রুবেল হোসেন (১৮) নামে এক যুবক বিদ্যুতের অবৈধ সাইড লাইনে জড়িয়ে মৃত্যুর ১শ' ৫৫ দিন পর আদালতের নির্দেশে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ১৬নং রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহেবগঞ্জ গ্রামের খলিফা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইমরান হোসেন, পুলিশের এসআই নাজমুল হুসেন উপস্থিত ছিলেন।



বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর দক্ষিণ সাহেবগঞ্জ গ্রামের বাবুল খলিফার ছেলে রুবেল হোসেন (১৮) এলাকার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ (সাইড লাইন)-এর তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায় এবং তাকে বাঁচাতে গিয়ে একই পরিবারের আরো ৩ জন আহত হন। পরে লাশের ময়না তদন্ত ছাড়াই কবর দেয়া হয়। এ ঘটনায় তখন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে সালিসে ১ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয় বিদ্যুতের নতুন সঞ্চালন লাইনের জনৈক ঠিকাদার। কিন্তু নিহতের পিতা বাবুল খলিফা তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি এলাকার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণকারী ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মোঃ মিলন হোসেনকে প্রধান আসামী করেন ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ৪৪/১৮)। দায়েরকৃত মামলার প্রেক্ষিতে আদালত ২৬ ফেব্রুয়ারি কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্ত করার নির্দেশ দেন। সে প্রেক্ষিতে গতকাল ২০ মার্চ মঙ্গলবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইমরান হোসেনের উপস্থিতিতে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্যে লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়।



নিহত রুবেলের পিতা মামলার বাদী বাবুল খলিফা জানান, অপরিকল্পিত অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের তারে জড়িয়ে আমার ছেলের মৃত্যু হয়েছে এবং তাকে বাঁচাতে গিয়ে আমার পরিবারের আরো ৩ জন সদস্য মারাত্মক আহত হয়েছে। স্থানীয় সালিসে আমাকে ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার সিন্ধান্ত হয়। কিন্তু আমি তখন ক্ষতিপূরণ (চিকিৎসা) বাবদ ১ লাখ টাকা পাই। কিন্তু যাদের অবৈধ কাজের জন্যে আমার ছেলের মৃত্যু হয়েছে তাদের সঠিক বিচার হওয়ার জন্যে আমি আদালতে মামলা দায়ের করেছি। আশা করি আদালতের মাধ্যমেই আমার ছেলের হত্যার ন্যায় বিচার পাবো।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৩৬৮৭৬
পুরোন সংখ্যা