চাঁদপুর। সোমবার ১৬ এপ্রিল ২০১৮। ৩ বৈশাখ ১৪২৫। ২৮ রজব ১৪৩৯

বিজ্ঞাপন দিন

jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭- সূরা আস-সাফফাত

১৮২ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২৯। তারা বলবে, বরং তোমরা তো বিশ^াসীই ছিলে না।

৩০। এবং তোমাদের উপর আমাদের কোনো কর্তৃত্ব ছিল না, বরং তোমরাই ছিলে সীমা লংঘনকারী সম্প্রদায়।

৩১। আমাদের বিপক্ষে আমাদের পালনকর্তার উক্তিই সত্য হয়েছে। আমাদেরকে অবশ্যই স্বাদ আস্বাদন করতে হবে।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


দারিদ্র্যকে যে মাথা পেতে গ্রহণ করে, সে ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ।         


-লংফেলো।




মানুষ মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত হবার জন্যে এটাই যথেষ্ট যে, সে যা শোনে (যাচাই না করে) তা-ই বলে বেড়ায়।  

 


ফটো গ্যালারি
সকদীতে সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলায় মা ও শিশু আহত নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট
স্টাফ রির্পোটার
১৬ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর সদর উপজেলার পশ্চিম সকদী গ্রামে সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলায় হাবিবা আক্তার (২৪) ও তার ৩ বছর বয়সী শিশুপুত্র রক্তাক্ত জখম হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ১২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় ওই গ্রামের আব্দুল খান বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত হাবিবা বেগম ওই বাড়ির মাওলানা শহিদ উল্লাহ খানের মেয়ে। এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে হামলাকারীদের বিরুদ্ধ চাঁদপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।



আহত হাবিবা ও তার পরিবারের লোকজন জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে হাবিবা আক্তার তার শিশুপুত্র শেখ সাইফকে নিয়ে সকদী গ্রামের ওয়াপদা রাস্তায় ঘুরতে বের হন। তিনি রাস্তার পাশ দিয়ে হাঁটার সময় হঠাৎ অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে একটি সিএনজি স্কুটার তার শিশুপুত্রকে আঘাত করে। এতে শিশুটি মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। হাবিবা আক্তার ছেলের এমন পরিস্থিতি দেখে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে শিশুপুত্রকে কোলে নিয়ে দৌড়ে বাড়িতে চলে যান। দুর্ঘটনার পর সিএনজি স্কুটারটিকে থামিয়ে রাখা হলেও হাবিবা আক্তার বাড়িতে যাওয়ার ফাঁকে ওই এলাকার শহীদ খানের ছেলে ইয়াসিন খান ওই স্কুটারচালককে চলে যেতে সহযোগিতা করে।



এদিকে ছেলের রক্তমাখা শরীর দেখে সাইফের পিতা শাহাদাত হোসেন সোহাগ স্কুটার চালককে জিজ্ঞাসা করার জন্যে রাস্তায় গিয়ে দেখেন, স্কুটারটি চলে যেতে ইয়াসিন সহযোগিতা করেছে। স্কুটার চালককে না পেয়ে শাহাদাত হোসেন আইনী ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলে সেখান থেকে চলে যান।



তারই সূত্র ধরে ইয়াসিন খান, তার ভাই রাবি্ব খান ও নেয়ামত উল্লাহ মিজির ছেলে সিয়াম হোসেন সাদ্দামসহ বেশ ক'জন মিলে রড, জিআই পাইপ ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের অভিযোগ, এ সময় হামলাকারীরা তাদের ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং নগদ এক লাখ ২৬ হাজার টাকা ও প্রায় ৩/৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়।



এছাড়াও এক প্রাইভেট মাস্টারের মোটরসাইকেল ভাংচুর করে। এ সময় হামলাকারীরা রড ও জিআই পাইপ দিয়ে হাবিবা আক্তার ও তার স্বামী শাহাদাত হোসেন সোহাগকে আঘাত করে গুরুতর আহত করেন। পরে স্বজনরা তাদেরকে উদ্ধার করে রাতেই চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করায়।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৩৮৫৯১
পুরোন সংখ্যা