চাঁদপুর। মঙ্গলবার ১৭ এপ্রিল ২০১৮। ৪ বৈশাখ ১৪২৫। ২৯ রজব ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • হাজীগঞ্জে আটককৃত বিএনপি'র ১৭ নেতাকর্মীকে জেলহাজতে প্রেরন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭- সূরা আস-সাফফাত


১৮২ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩২। আমরা তোমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিলাম। কারণ আমরা নিজেরাই পথভ্রষ্ট ছিলাম।


৩৩। তারা সবাই সেদিন শান্তিতে শরীক হবে।


৩৪। অপরাধীদের সাথে আমি এমনি ব্যবহার করে থাকি।


৩৫। তাদের যখন বলা হত, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই, তখন তারা ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করত।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


উৎকৃষ্ট বীজ থেকেই উত্তম বৃক্ষ জন্ম নেয়।


-জনগে।


 


 


 


 


পিতার আনন্দে খোদার আনন্দ এবং পিতার অসন্তুষ্টিতে খোদার অসন্তুষ্টি


 


 


ফটো গ্যালারি
কচুয়ায় ইরি-বোরো ধানের ক্ষেত নেক বস্নাস্ট রোগে আক্রান্ত কৃষকরা দিশেহারা
মোহাম্মদ মহিউদ্দিন
১৭ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ইরি-বোরো ধানের জমি নেক বস্নাস্ট রোগে আক্রান্ত হওয়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষ করা হয়। বিগত বছরের চেয়ে এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে বলে কৃষকরা অভিমত প্রকাশ করেছেন। কিন্তু সকল মাঠের ইরি ফসলই কম-বেশি নেক বস্নাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এখন প্রতিদিনই বৃষ্টিসহ ঝড়-তুফান হচ্ছে। এতে এ রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। গত বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে (অতি বৃষ্টির কারণে) বোরো আমন ফসল ঘরে তুলতে পারেনি এ উপজেলার কৃষকরা। ফলে কৃষকদের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়। চলতি বোরো মৌসুমেই পূর্বের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে আগেভাগেই কোমর বেঁধে নামে কৃষকরা। কিন্তু বিধিবাম! চলতি মৌসুমেও কাঙ্ক্ষিত ফসল হারাতে বসছে কৃষকরা।



অনেক কৃষকই চাষাবাদে বিনিয়োগ করা মূলধনের অর্ধেক অর্থের ফসল ঘরে তুলতে পারবেন কিনা সন্দেহ পোষণ করছে। ধান গাছের শীষ বের হওয়ার অংশে প্রথমত কালো দাগ সৃষ্টি হয়। এ দাগ সৃষ্টির অল্প কয়েকদিনের মধ্যে ধানের ছড়া দ্রুত শুকিয়ে সাদা বর্ণ (চিটা) হয়ে যায়।



কৃষিবিদদের মতে, রাতে ঠা-া, ভোরে ঘন কুয়াশা এবং দিনে গরমের কারণে এ নেক বস্নাস্ট রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। এ রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার প্রধান কারণ হচ্ছে, ঝড় ও বৃষ্টি। ঝড়ে নেক বস্নাস্ট রোগের ছত্রাক এক মাঠ থেকে আরেক মাঠে এবং বৃষ্টিজনিত কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে প্রবাহিত পানি দ্বারা এক জমি থেকে আরেক জমিতে ছড়িয়ে পড়ে।



কচুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবিব নেক বস্নাস্ট রোগে ইরি-বোরো ধান আক্রান্ত হওয়ার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ রোগ প্রতিরোধে টুপার, নিটাভো ও ফিলিয়া নামক কীটনাশক ঔষধ পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। প্রথমবার স্প্রে করার ৮-৯ দিন পর দ্বিতীয় বার স্প্রে করতে হবে। নিয়মিত যাতে কৃষকরা ওই কীটনাশক ব্যবহার করে সেজন্যে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে সহকারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা কাজ করছেন।



এদিকে এ ভয়াবহ নেক বস্নাস্ট রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেতে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদেরকে ঠিকমতো মাঠে ময়দানে পাওয়া যাচ্ছে না বলে কৃষকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে।



 



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬০৭৭৫৯
পুরোন সংখ্যা