চাঁদপুর। সোমবার ২৩ এপ্রিল ২০১৮। ১০ বৈশাখ ১৪২৫। ৬ শাবান ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরের সুধীজন ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে নবাগত পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম বলেন, যে কোনো মূল্যে চাঁদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা হবে। এছাড়া তিনি সড়কে ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখার সবপ্রকার চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭- সূরা সাফ্ফাত

১৮২ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫৬। সে বলবে, আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিলে।

৫৭। আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ না হলে আমিও যে গ্রেফতারকৃতদের সাথেই উপস্থিত হতাম।

৫৮। এখন আমাদের আর মৃত্যু হবে না।

৫৯। আমাদের প্রথম মৃত্যু ছাড়া এবং আমরা শাস্তি প্রাপ্তও হব না।

৬০। নিশ্চয় এ-ই মহা সাফল্য।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


কোনো পুরুষের সহায়তা ছাড়া কোনো নারী বিপথে যায় না।          


-আব্রাহাম লিঙ্কন


নীরবতাই শ্রেষ্ঠতম এবাদত।


ফটো গ্যালারি
সরকারি নিষেধজ্ঞা মানছে না মতলবের জেলেরা, মাছের আড়তগুলো রমরমা
মাহবুব আলম লাভলু
২৩ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল হতে লক্ষ্মীপুরের চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত ১শ' কিলোমিটার মেঘনা নদী এলাকায় ও সংযুক্ত পদ্মা নদীতে দু'মাস সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দেশের ইলিশ সম্পদ রক্ষায় জাটকা নিধন প্রতিরোধ কর্মসূচির আওতায় ২০০৬ সাল থেকে চাঁদপুরের মেঘনাসহ দেশের ৪টি অঞ্চলে মার্চ-এপ্রিল দু'মাস ইলিশের অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে। মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত ৬০ কিলোমিটার ও লক্ষ্মীপুর জেলার চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার মেঘনা নদী অভয়াশ্রমের অন্তর্ভুক্ত। এ সময় ইলিশসহ সবধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। জেলেরা কোনো প্রকার জাল নিয়ে নদীতে নামতে পারবে না। কিন্তু সরকারি নিষেধজ্ঞা মানছে না জেলেরা। মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও নৌকা নিয়ে জেলেরা মাছ শিকার করতে দেখা যাচ্ছে। মতলবের মেঘনায় মৎস্য শিকার চলছেই এবং উপজেলার মৎস্য আড়তগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ে চলছে রমরমা ভাব। সকল প্রকার মাছ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে এখানকার আড়তগুলো থেকে পিকআপে করে মাছ যাচ্ছে রাজধানী ঢাকায়।



দিনের আলোয় নদীতে মাছ ধরার দৃশ্য তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেলেও রাতের অাঁধারে সরকার ঘোষিত অভয়াশ্রমের মেঘনা থাকছে মৎস্য শিকারী জেলেদের দখলে। ভোরের আলোয় মেঘনা নদীর তীরে সারি সারি নৌকায় ভর্তি ভেজা জাল লক্ষ্য করা যায়। তবে এর মধ্যে উপজেলার জহিরাবাদ অঞ্চল, এখলাছপুর লঞ্চঘাট থেকে কিছুটা দক্ষিণ দিকে, মোহনপুর নৌ-পলিশ ফাঁড়ির কয়েকশ' গজ উত্তরে, দশানী, ছটাকী ও ষাটনল অঞ্চলে এমন নৌকা বেশি লক্ষ্য করা গেছে। কোথাও কোথাও আবার জেলে নৌকাকে মাছ ধরতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে দেখা গেছে।



সরেজমিনে উপজেলার সর্ববৃহৎ মাছের আড়ত ষাটনলের বাবু বাজারে গিয়ে দেখা যায়, আড়তে অসংখ্য পাইকারী ক্রেতা-বিক্রেতার কোলাহল। মাছ বেচা-কেনার দাম-দরের কাজে ব্যস্ত সবাই। খানিকটা দূরে অপেক্ষমান কয়েকটি পিকআপ ভ্যান মাছ নিয়ে রাজধানী ঢাকা যাবার অপেক্ষায়।



সরকার মতলব উত্তর উপজেলার জেলেদেরকে মার্চ-এপ্রিল দু'মাস সকল প্রকার মাছ ধরা নিষেধ এবং নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি ও মে-জুন পর্যন্ত নদীতে ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেন্টিমিটারের ছোট ইলিশ পোনা জাটকা ধরার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যে কারণে সরকার এ উপজেলার ৮ হাজার ৮৮৯ জেলে পরিবারকে ৪০ কেজি হারে চাল দিচ্ছেন। তবে ডিমওয়ালা ইলিশ মৌসুম, জাটকা ইলিশ মৌসুম ও অভয়াশ্রম মৌসুম সব মিলিয়ে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে সরকার কেবলমাত্র মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ৪ মাসের জন্য জনপ্রতি ৪০কেজি হারে জেলে পরিবারকে চাল দিয়ে থাকে। আর মৎস্য শিকার থেকে বিরত রাখতে ৮ হাজার ৮৮৯ জেলের মধ্যে কিছু জেলে পরিবারকে বিকল্প কর্মসংস্থানের উপকরণ হিসেবে সেলাই মেশিন, ছাগল, সুতার জাল দেবার কথা রয়েছে।



উপজেলার একজন জেলে নেতা ওমর আলী প্রধান বলেন, জাটকা অঞ্চলের জেলেদেরকে পর্যাপ্ত সুবিধা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের উপকরণ সময়মতো দিতে পারলে সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন সহজ হতো।



মতলব উত্তর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।



মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার বলেন, সরকার ঘোষিত অভয়াশ্রম অঞ্চলে মৎস্য শিকার, বিক্রি, পরিবহন ও গুদামজাতকরণ সবই নিষিদ্ধ। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আমরা বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিচ্ছি।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৪১৪৮৫
পুরোন সংখ্যা