চাঁদপুর। সোমবার ২৩ এপ্রিল ২০১৮। ১০ বৈশাখ ১৪২৫। ৬ শাবান ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরের সুধীজন ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে নবাগত পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম বলেন, যে কোনো মূল্যে চাঁদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা হবে। এছাড়া তিনি সড়কে ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখার সবপ্রকার চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭- সূরা সাফ্ফাত

১৮২ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫৬। সে বলবে, আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিলে।

৫৭। আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ না হলে আমিও যে গ্রেফতারকৃতদের সাথেই উপস্থিত হতাম।

৫৮। এখন আমাদের আর মৃত্যু হবে না।

৫৯। আমাদের প্রথম মৃত্যু ছাড়া এবং আমরা শাস্তি প্রাপ্তও হব না।

৬০। নিশ্চয় এ-ই মহা সাফল্য।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


কোনো পুরুষের সহায়তা ছাড়া কোনো নারী বিপথে যায় না।          


-আব্রাহাম লিঙ্কন


নীরবতাই শ্রেষ্ঠতম এবাদত।


ফটো গ্যালারি
মুক্তিযুদ্ধে কালাম চিশতীর ব্যাপক অবদান ছিলো
মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বীর প্রতীক
২৩ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মুন্সিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রফিকুল ইসলাম বীর প্রতীক বলেছেন, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় চাঁদপুরের কৃতী সন্তান, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আবুল কালাম চিশতী আমার নেতৃত্বে দৃঢ়তার সাথে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। কালাম চিশতীর মতো সাহসী মুক্তিযোদ্ধার কারণেই আমি বীর প্রতীক খেতাব পেয়েছি। গত শনিবার সকালে চাঁদপুরে তিনি সফরে আসলে স্থানীয় কিছু সাংবাদিকের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।



তিনি বলেন, কালাম যেভাবে স্বাধীনতার সময় যুদ্ধ করেছে, তা শুধু তখন যারা আমার সাথে মুক্তি সংগ্রামে ছিল, তারাই বলতে পারবে। এখন অনেকেই কালামের সম্পর্কে বিভিন্ন মন্তব্য করছে, তারা শুধু বিভিন্ন সুবিধা হাতিয়ে নিতে না পারার কারণে এসব মন্তব্য করছে। মুক্তিযুদ্ধে কালামের সক্রিয় অংশগ্রহণের ব্যাপারে কোনো দ্বিধা নেই।



তিনি বলেন, চাঁদপুরের আরেক কৃতী সন্তান, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক সচিব মমিনউল্লাহ পাটওয়ারী বীর প্রতীকের সাথে আমি একাধিকবার যুদ্ধকালীন সময় কালামের সাহসিকতার কথা বলেছি। কালাম যুদ্ধের সময় কয়েকবার জীবনের মায়া ত্যাগ করে পাকবাহিনীদের আস্তানায় হামলা করেছে। একবার তার মাথার হেলমেটে গুলি লেগেছে। আমরা তখন তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা করে সারিয়ে তুলি। সে দিনের স্মৃতি আজও মনে পড়ে। কালাম যে একজন সঠিক মুক্তিযোদ্ধা তা অস্বীকার করার কোনো প্রকার সুযোগ নেই।



তিনি বলেন, একবার যুদ্ধে কালামের এসএলআর-এর ম্যাগজিনের মধ্যে পাঞ্জাবীদের গুলি লাগে, ম্যাগজিনের ১৮টি গুলি বাস্ট হয়ে ম্যাগজিন ফেটে যায়। তখন সে সামান্য আহত হয়। অল্পের জন্য সে প্রাণে বেঁচে যায়। আমার নেতৃত্বে কালাম মেঘনা ব্রিজ থেকে দাউদকান্দি এলাকা পর্যন্ত ব্রীজ ও কালভার্ট ধ্বংসে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। মেঘনা ব্রিজের নিচে একটি দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট গান বোট ও ২টি ফেরি উড়িয়ে দেয়ার সময় অংশগ্রহণ করে। এ রকম বহু যুদ্ধে কালাম দৃঢ়তার সাথে অংশ নেয়।



তিনি আরো বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও ২২ থেকে ২৮শে ডিসেম্বর পর্যন্ত সর্বশেষ আমার নেতৃত্বে কালামসহ আমরা বেশ কয়েকজন (৮০/৮৫ জন) হোমনা গিয়ে ৬শ' পাঞ্জাবীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে তাদেরকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করি। কালাম আমার সাথে কিশোরগঞ্জের মেজর হায়দারের ফুফাতো ভাই বকুলের নেতৃত্বে ৭/৮ জন মেলাঘর ট্রেনিংয়ে যোগদান করে। কালাম আমার সাথে ঢাকায় চলে আসে। বাকিরা কিশোরগঞ্জে চলে যায়। তখন হাজীগঞ্জের তারাপল্লা এলাকার আরেকজন দুঃসাহসী মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল ইসলাম ইঞ্জিনিয়ারও যুদ্ধ করে।



আলাপকালে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওবায়দুল্ল্যাহ মেম্বার, আনছার আলী, চাঁদপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক জেলা কমান্ডার সাবু পাটওয়ারী, ডেপুটি কমান্ডার সিরাজ বরকন্দাজ, সাবেক থানা কমান্ডার মান্নান মিয়া, হাজীগঞ্জ উপজেলা থানা কমান্ডার আবু তাহের, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহকারী কমান্ডার মৃণাল সাহা, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামাদ খান, সদর থানা সহকারী কমান্ডার রওশন আলী বেপারী, আঃ মান্নান মিজি, জাকির সর্দার, আবুল কালাম তপাদার প্রমুখ।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৪২০৫৭
পুরোন সংখ্যা