চাঁদপুর। বুধবার ১৬ মে ২০১৮। ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫। ২৯ শাবান ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • হাজীগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭-সূরা সাফ্ফাত

১৮২ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৫৬। নাকি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট কোন দলিল রয়েছে?

১৫৭। তোমরা সত্যবাদী হলে তোমাদের কিতাব আন।

১৫৮। তারা আল্লাহ ও জ্বিনদের মধ্যে সম্পর্ক সাব্যস্ত করেছে, অথচ জ্বিনেরা জানে যে, তারা গ্রেফতার হয়ে আসবে।

১৫৯। তারা যা বলে তা থেকে আল্লাহ পবিত্র।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


যারা যুক্তি মানে না, তারা বর্বর।

-জর্জ বার্নাড শ’।


দেশের শাসনভার আল্লাহতায়ালার নিকট হতে আমানত।


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি ইকবাল পাটোয়ারীসহ দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা সমন জারি
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১৬ মে, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লক্ষ্মণ চন্দ্র সূত্রধরের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দিয়েছেন একই প্রতিষ্ঠানের প্রচার সম্পাদক এএইচএম আহসান উল্লাহ। বিজ্ঞ চাঁদপুর সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে গতকাল মঙ্গলবার তিনি এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- দেওয়ানী ১৪৮/২০১৮ খ্রিঃ। বিবাদী দু'জন কর্তৃক আহসান উল্লাহকে প্রেরিত অবৈধ কারণ দর্শানোর নোটিস প্রত্যাহারের জন্যে প্রথমে চিঠি এবং পরে লিগ্যাল নোটিস দেয়ার পরও প্রত্যাহার না করায় তিনি প্রতিকার চেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। আদালত বিবাদী দুজনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।



মামলার বিবরণে জানা যায়, প্রেসক্লাব সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লক্ষ্মণ চন্দ্র সূত্রধর গত ২২ এপ্রিল প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক এএইচএম আহসান উল্লাহকে কারণ দর্শানোর নোটিস প্রদান করেন। নোটিসটি ছিলো সম্পূর্ণ প্রতিহিংসা, আক্রোশ ও উদ্দেশ্যমূলক। কুচক্রী মহলের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে অবৈধ পন্থায় তারা আহসান উল্লাহকে শোকজ করেন। শোকজের ভাষাগুলোও ছিলো খুবই মানহানিকর ও অমর্যাদাকর। এ শোকজ প্রাপ্তির পর আহসান উল্লাহ সেটির যাচাই-বাছাই করে দেখলেন, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রের কয়েকটি ধারা ও উপধারার সুস্পষ্ট লংঘন করে এ শোকজ করা হয়েছে। তিনি গঠনতন্ত্রের কোন্ কোন্ ধারা লংঘন করে তাকে শোকজ করা হয়েছে সেসব কিছু উল্লেখ করে গঠনতন্ত্র পরিপন্থী ওই অবৈধ শোকজ প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়ে সভাপতি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বরাবরে চিঠি দেন। কিন্তু শোকজ প্রত্যাহার না করায় তিনি পরবর্তীতে লিগ্যাল নোটিস দেন। এই লিগ্যাল নোটিসের জবাবও তিনি দেননি। এরই মধ্যে জবাবের সময়সীমা পার হয়ে সাতদিন অতিবাহিত হয়ে গেছে। পরে তিনি প্রতিকার চেয়ে গতকাল আদালতে মামলা দায়ের করেন।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৩৬০৬২
পুরোন সংখ্যা