চাঁদপুর। বুধবার ১৬ মে ২০১৮। ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫। ২৯ শাবান ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • হাজীগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭-সূরা সাফ্ফাত

১৮২ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৫৬। নাকি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট কোন দলিল রয়েছে?

১৫৭। তোমরা সত্যবাদী হলে তোমাদের কিতাব আন।

১৫৮। তারা আল্লাহ ও জ্বিনদের মধ্যে সম্পর্ক সাব্যস্ত করেছে, অথচ জ্বিনেরা জানে যে, তারা গ্রেফতার হয়ে আসবে।

১৫৯। তারা যা বলে তা থেকে আল্লাহ পবিত্র।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


যারা যুক্তি মানে না, তারা বর্বর।

-জর্জ বার্নাড শ’।


দেশের শাসনভার আল্লাহতায়ালার নিকট হতে আমানত।


ফটো গ্যালারি
হাইমচরে দু দফা বাস্তুচ্যুত হয়ে ভিক্ষুক হয়েছেন চরভৈরবীর শাহজাহান মিয়া
হাইমচর প্রতিনিধি
১৬ মে, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

হাইমচর উপজেলার ৬নং চরভৈরবী ইউনিয়নের পাড়াবগুলা গ্রামের মোঃ শাহজাহান মিয়া রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষা করার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। পিতাকে হারানোর সাথে সাথে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করে দেন ভূমিদস্যু আবদুল আলী বেপারী গং ও আবুল কাশেম গং। তারপর আশ্রয় নেন মায়ের পৈত্রিক ওয়ারিশে পাওয়া সম্পত্তিতে। কিন্তু এখান থেকেও উচ্ছেদের পর রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষা করা শাহজাহান মিয়ার পেশায় রূপ নেয়। অসহায় ভিক্ষুক শাহজাহান মিয়ার দুঃখ ও কষ্ট দেখে স্থানীয় আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী আখন তার দেখাশোনায় ভার নিয়েছেন।

জানা গেছে, হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী ইউনিয়নে মৃত রজব আলী বেপারীর একমাত্র কন্যা ভিক্ষুক শাহজাহান মিয়ার মাতা সখিনা বেগম। সখিনা বেগমের পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তার পৈত্রিক সম্পত্তি সখিনা বেগমের নামে বিএস-আরএস খতিয়ানভুক্ত হয়। জমির ৪৮৮৪ খতিয়ানে .১১০ শতাংশ যার দাগ নং ১০৮৩০ ও ১০৮৪৩ এবং ২৩৪৭ খতিয়ানে .৩৩৩ শতাংশ রেকর্ড হয়। সখিনা বেগমের কোনো ভাই-বোন না থাকায় তার পিতার ৫৩ শতাংশ ভূমির মালিক হন তিনি। সখিনা বেগম তার সংসার নিয়ে কিছু দিন ওই সম্পত্তিতে বসতঘর তুলে থেকেছেন। সখিনা বেগমের মৃত্যুর পর তার একমাত্র ছেলে শাহজাহান ওই সম্পত্তির দখলে আসলে সখিনা বেগমের দুঃসম্পর্কের ফুফাতো ভাই তাদেরকে বসতভিটা থেকে তুলে দেন। ভিক্ষুক শাহজাহান মিয়া তার মায়ের পৈত্রিক সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার জন্যে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী ইউনিয়ন পরিষদে একটি মামলা করেও ভূমি খেকোদের সাথে পেরে উঠতে পারছেন না। দিশা না পেয়ে শাহজাহান জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নিকট তার জমি ফিরে পাওয়ার জন্যে আরজি দায়ের করেন। বর্তমানে এ বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে শাহাজাহান জানান, আমার নানার ওয়ারিশের জমি আমার মা পাবে। কিন্তু ওরা আমাকে বাড়ির থেকে উঠিয়ে দিয়েছে। আমি তার বিচার চাই।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ দেলোয়ার মিয়া জানান, দখলকারীরা সামাজিকতার বাইরে থেকে অসহায় মানুষের জমি দখল করে রয়েছে। স্থানীয়ভাবে বসেও সমাধান করতে চেয়েছি, পারিনি। এ বিয়য়ে শাহজাহান ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করেছে।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হারুনুর রশিদ জানান, লোকটি গরিব ও অসহায়। প্রকৃতপক্ষে ওই সম্পত্তির মালিক শাহজাহান। আমার আমলে এ বিষয়ে বহুবার বসার চেষ্টা করেছি। জানা মতে, শাহজাহান ইউনিয়ন পরিষদে একটি মামলা করেছেন। শাহজাহান মিয়া তার জমি ফিরে পাওয়ার জন্যে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৪০০২৭
পুরোন সংখ্যা