চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৪ জুন ২০১৮। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫। ২৮ রমজান ১৪৩৯
ckdf
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • হাজীগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর ও হাজীগঞ্জের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম ভূট্টোকে ১শ পিস ইয়াবাসহ শুক্রবার আটক করেছে রামগঞ্জ থানা পুলিশ।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৮-সূরা ছোয়াদ

৮৮ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৭০। যখন আপনার পালনকর্তা ফেরেশতাগণকে বললেন, আমি মাটির মানুষ সৃষ্টি করব।

৭২। যখন আমি তাকে সুষম করব এবং তাতে আমার রূহ ফুঁকে দেব, তখন তোমরা তার সম্মুখে সেজদায় নত হয়ে যেয়ো।

৭৩। অতঃপর সমস্ত ফেরেশতাই একযোগে সেজদায় নত হল,

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

 


একজন কবির ঐশ্বর্য হচ্ছে তাঁর কবিতা সম্ভার।

 -এডমন্ড স্পেনসার।


নম্রতায় মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় আর কড়া মেজাজ হলো আয়াসের বস্তু অর্থাৎ বড় দূষণীয়।


ফটো গ্যালারি
দীর্ঘদিন পর দেলোয়ার মিয়াজী ও মোস্তফা কামাল এক মঞ্চে
শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে নতুন হাওয়া
মোঃ মঈনুল ইসলাম কাজল
১৪ জুন, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


তাঁরা দু'জন শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপির কর্ণধার। নেতা-কর্মীদের মাঝে তাদের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বি। রাজনীতির শুরুতে হাতে হাত ধরে শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপিকে এগিয়ে নিয়েছেন অনেক দূর। এঁরা হচ্ছেন শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী এবং শাহরাস্তি পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তফা কামাল।



দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী শাহরাস্তি উপজেলার বিএনপির রাজনীতিতে অতি পরিচিত নাম। উপজেলা বিএনপির সভাপতি হওয়ার পর তাঁর সাথে এক হয়ে কাজ করেন মোস্তফা কামাল। মোস্তফা কামাল এক সময় উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীদের মতে সে সময়ের ছাত্রদল ছিলো সবচেয়ে শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল। মোস্তফা কামালের সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তৎকালীন এমপি এমএ মতিন দেলোয়ার হোসেন মিয়াজীর সাথে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে মোস্তফা কামালকে দায়িত্ব দেন। দলের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তাঁরা জনগণের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। তারই উপহার স্বরূপ দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী দু'বার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মোস্তফা কামাল পৌর মেয়র নির্বাচিত হন। কিন্ত রাজনীতির খেলায় তাদের হিসেব হয়ে ওঠে অন্য ধারায়। বিএনপি ক্ষমতা হারানোর পরপরই তাঁরা দু'জন দু'মেরুতে চলতে শুরু করেন। সে থেকেই মূলত শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপির রাজনীতি দু'ভাগে বিভক্ত। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর এ ধারা চলে আসছে। মাঝে মাঝে এ দু'নেতা এক হলেও তার সফলতা দীর্ঘদিন টিকে থাকে না কোনো এক অদৃশ্য কারণে। ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাদের এক হতে দেখা গেছে। নির্বাচনের পর আবার ফাটল ধরে সম্পর্কে। এরপর ২০১৬ সালের পৌরসভা নির্বাচনে আবারো এই দু'নেতাকে এক হতে দেখা গেলেও নির্বাচন শেষ হতে না হতেই আবার দু'মেরুতে অবস্থান তাদের। এখন আবার দীর্ঘ দু'বছর পর তাদের এক মঞ্চে দেখা গেলো। এরই মাঝে ঘটে গেলো নানা ঘটনা। এবার এ দু'নেতাকে এক মঞ্চে দেখলো চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।



গত ১১ জুন চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যেগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তারা। অনুষ্ঠানে উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ সাহেদুল হক মজুমদার সোহেল শ্লোগান দেন 'দেলোয়ার-মোস্তফা ভাই ভাই রাজপথ ছাড়ি নাই', তখন উপস্থিত সকল নেতা-কর্মী করতালির মাধ্যমে স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী বলেন, কোনো নেতার দিকে তাকিয়ে লাভ নেই, দেশনেত্রীকে আমরাই মুক্ত করবো। প্রত্যেকটি নেতা-কর্মী বিএনপিকে এগিয়ে নিবে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো। আপনারা দোয়া করবেন আল্লাহ যেনো আমাদের এ জালিম সরকারের হাত থেকে মুক্তি দেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মোস্তফা কামাল বলেন, সকল আন্দোলন-সংগ্রামে আমাদের এক হয়ে কাজ করতে হবে, দলের সকল কর্মসূচি পালন করতে হবে। আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকবেন যাতে বেগম জিয়াকে মুক্ত করে আমরা ফিরিয়ে আনতে পারি।



উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন শিপনের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যন হাসিনা আক্তার, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক শেখ বেলায়েত হোসেন সেলিম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পাটওয়ারী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি সাইফুল করিম মিনার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ সাহেদুল হক মজুমদার সোহেল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাদৎ হোসেন মাস্টার, আব্দুর রহিম মাস্টার, চিতোষী পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান জোবায়েদ কবির বাহাদুর, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি শাহজাহান মজুমদার সাজু, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আল নাহিয়ান রাজু প্রমুখ।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৩৫১২৪
পুরোন সংখ্যা