চাঁদপুর । শুক্রবার ২০ জুলাই ২০১৮ । ৫ শ্রাবণ ১৪২৫ । ৬ জিলকদ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার

৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫৮। অথবা আযাব প্রত্যক্ষ করার সময় না বলে, যদি কোনরূপে একবার ফিরে যেতে পারি, তবে আমি সৎকর্মপরায়ণ হয়ে যাব।

৫৯। হ্যাঁ, তোমার কাছে আমার নির্দেশ এসেছিল; অতঃপর তুমি তাকে মিথ্যা বলেছিলে, অহংকার করেছিলে এবং কাফেরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছিলে।

৬০। যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করে, কেয়ামতের দিন আপনি তাদের মুখ কাল দেখবেন। অহংকারীদের আবাসস্থল জাহান্নামে নয় কি?

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন





 


প্রত্যেক মানুষেরই কিছু না কিছু মূল্য আছে।

-ডাব্লিউ এস গিলবার্ট।

                         


কবর এবং গোসলখানা ব্যতীত সমগ্র দুনিয়াই নামাজের স্থান।

 


ফটো গ্যালারি
আবারও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজ
আমরা এখন শতভাগ পাসের লক্ষ্যে কাজ করে যাবো : অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
২০ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


একটি সময় ছিলো যখন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল ছিল ঈর্ষণীয়। ফল প্রকাশিত হলে সবার চোখ থাকতো এ কলেজটির দিকে। প্রতিবছরই চাঁদপুরবাসীর আশার প্রতীক এ কলেজটি ফলাফলে তার পুরানো ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিলো। কলেজের বিগত দিনের ফলাফল এ কথাটিই জানান দেয়। কিন্তু বিগত কয়েক বছর কলেজটির উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে পুরানো ঐতিহ্য যেন হারিয়ে ফেলেছিলো। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে এ বছর পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজ তার পুরানো ঐতিহ্য ফিরে পেতে সক্ষম হয়েছে। গতকাল প্রকাশ হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, এ কলেজ থেকে ৫শ' ৩৪ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩শ' ৭৬ জন। পাসের হার ৭১ ভাগ। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৬৯ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৫২ জন, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ২শ' ১৮ জন পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১শ' ৭৬ জন । মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা অন্য দুটি বিভাগের তুলনায় ভালো ফল অর্জন করেছে। এ বিভাগ থেকে ২শ' ৪৭ জন পরীক্ষা দিয়ে ১৪৮ জন পাস করেছে। পাশাপাশি জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ শিক্ষার্থী।



ফল প্রকাশিত হওয়ার পর কথা হয় কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদারের সাথে। তিনি বলেন, মাঝখানে কলেজটি তার গৌরব হারিয়ে ফেলেছিলো। আমরা শিক্ষক, পরিচালনা পর্ষদ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে কলেজের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সম্মিলিতভাবে কাজ করেছি। আমাদের দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে চেষ্টা চালিয়েছি। যার ফলে আমাদের এ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল। এর জন্যে আমি কলেজের শিক্ষকম-লী এবং কলেজ পরিচালনা পরিষদের সদস্যদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।



 



তিনি বলেন, আমাদের এবারের ফলাফল সন্তোষজনক। তবে আমাদেরকে আরো ভালো ফলাফল অর্জন করতে হবে। আমরা যদি শহরের অন্য কলেজের মতো মানের শিক্ষার্থী পাই তবে শতভাগ পাস নিশ্চিত করা দুরূহ কোনো বিষয় নয়। আমরা এখন শতভাগ পাসের লক্ষ্যে কাজ করে যাবো। এ সময় তিনি বলেন, আমরা পাসের হারে বিশ্বাসী নই। আমরা গুণগত শিক্ষায় বিশ্বাসী। আমরা কলেজটিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ দিতে চাই, যাতে করে ছাত্র-ছাত্রীরা মেধা ও মননে বিকশিত হতে পারে। আমি মনে করি, জিপিএ-৫ মানেই সবকিছু নয়। মানবিকতা সম্পন্ন একটি তরুণ প্রজন্ম গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা কলেজের শিক্ষকম-লী সে লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করে চলেছি। তিনি এ সময় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীকে অভিবাদন জানান ও তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৪৯৭০৬
পুরোন সংখ্যা