চাঁদপুর । শুক্রবার ২০ জুলাই ২০১৮ । ৫ শ্রাবণ ১৪২৫ । ৬ জিলকদ ১৪৩৯
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার

৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫৮। অথবা আযাব প্রত্যক্ষ করার সময় না বলে, যদি কোনরূপে একবার ফিরে যেতে পারি, তবে আমি সৎকর্মপরায়ণ হয়ে যাব।

৫৯। হ্যাঁ, তোমার কাছে আমার নির্দেশ এসেছিল; অতঃপর তুমি তাকে মিথ্যা বলেছিলে, অহংকার করেছিলে এবং কাফেরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছিলে।

৬০। যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করে, কেয়ামতের দিন আপনি তাদের মুখ কাল দেখবেন। অহংকারীদের আবাসস্থল জাহান্নামে নয় কি?

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন





 


প্রত্যেক মানুষেরই কিছু না কিছু মূল্য আছে।

-ডাব্লিউ এস গিলবার্ট।

                         


কবর এবং গোসলখানা ব্যতীত সমগ্র দুনিয়াই নামাজের স্থান।

 


ফটো গ্যালারি
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ চাঁদপুর-এর ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন
পাসের হার ৯৫.১২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন
২০ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ চাঁদপুর এইচএসসি পরীক্ষা ২০১৮-এ প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। কলেজটির পাসের হার ৯৫.১২ শতাংশ। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এবারই প্রথমবারের মতো এইচএসসি পরীক্ষায় কলেজটির ৮২জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৭৮জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। যার মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২জন।



ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করে অধ্যক্ষ মোঃ জামশেদুর রহমান বলেন, এ প্রশংসনীয় সাফল্যের মূলে রয়েছে কলেজের অভিজ্ঞ ও সুযোগ্য নেতৃত্বের সঠিক দিক-নির্দেশনা। তিনি আরো বলেন, সমপ্রতি গৃহীত বিশেষ একাডেমিক কার্যক্রম, কলেজের শিক্ষা ও সহশিক্ষা ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন সাধন, ছাত্রদের পাঠোন্নতির নিয়মিত মনিটরিং এবং মাসিক পরীক্ষা এ বছরের প্রশংসনীয় ফলাফল অর্জনে সহায়ক হয়েছে।



তিনি আরো বলেন, শিক্ষকম-লীর আন্তরিক প্রচেষ্টা ও উন্নত পাঠদান, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ, অভিভাবকদের সচেতনতা ও তত্ত্বাবধান এবং সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের একনিষ্ঠ অধ্যয়নও ভালো ফলাফল অর্জনের নেপথ্যে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।



গতকাল ১৯ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজের ফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আনন্দ উল্লাসের মধ্য দিয়ে এইচএসসির ফলাফল উদ্যাপন ও তাদের উচ্ছ্বাস বাঁধভাঙা জোয়ারে রূপ নেয়। সন্তানেরা ভালো ফল করায় অভিভাবক এবং শিক্ষকরাও শরিক হন সেই আনন্দে।



তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের ছোঁয়া লাগায় ভিড় ঠেলে নোটিস বোর্ডে ফল দেখার চিরচেনা সেই চিত্র প্রায় বিলুপ্তির পথে। ইন্টারনেটে আগেই ফল জানলেও আনন্দ ভাগাভাগি করতে শিক্ষার্থীরা ছুটে আসে প্রিয় কলেজ ক্যাম্পাসে। প্রত্যাশিত ফলাফলে অনেকের চোখে ছিল আনন্দাশ্রু। বাঁধভাঙা আনন্দের মাঝে কিঞ্চিৎ বেদনার চিত্রও লক্ষ্য করা গেছে কারও কারও মাঝে। প্রত্যাশিত ফল করতে না পারায় অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়ে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৫২৩৩০
পুরোন সংখ্যা