চাঁদপুর। শুক্রবার ১০ আগস্ট ২০১৮। ২৬ শ্রাবণ ১৪২৫। ২৭ জিলকদ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪০-সূরা আল মু’মিন

৮৫ আয়াত, ৯ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩৪। ইতিপূর্বে তোমাদের কাছে ইউসুফ সুস্পষ্ট প্রমাণাদিসহ আগমন করেছিলো, অতঃপর তোমরা তার আনীত বিষয়ে সন্দেহই পোষণ করতে। অবশেষে যখন সে মারা গেলো, তখন তোমরা বলতে শুরু করলে, আল্লাহ ইউসুফের পরে আর কাউকে রসূলরূপে পাঠাবেন না। এমনিভাবে আল্লাহ সীমালঙ্গনকারী, সংশয়ী ব্যক্তিকে পথভ্রষ্ট করেন।

৩৫। যারা নিজেদের কাছে আগত কোনো দলিল ছাড়াই আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের একজন আল্লাহ ও মুমিনদের কাছে খুবই অসন্তোষজনক। এমনিভাবে আল্লাহ প্রত্যেক অহঙ্কারী-স্বৈরাচারী ব্যক্তির অন্তরে মোহর এঁটে দেন।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


উপন্যাস মানুষকে জীবন সম্পর্কে সচেতন করে তোলে।

 -রবার্ট হেনরিক।


কাউকে অভিশাপ দেওয়া সত্যপরায়ণ ব্যক্তির উচিত নয়।



 


চাঁদপুরে তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ আহত ১০
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১০ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর শহরের ঘোড়ামারা আশ্রয়ন প্রকল্পের কাছে অবস্থিত তাবলীগ জামাতের মারকাজে জামাতের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে একজন ভর্তি হয়েছেন।



তাবলীগ জামাত বর্তমানে বাংলাদেশে দুই গ্রুপে বিভক্ত। এক গ্রুপ ভারতের দিল্লীর মাওলানা সাদের অনুসারী আর অপর গ্রুপ ঢাকার কাকরাইল মসজিদের মাওঃ জোবায়ের অনুসারী।



হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাবলীগ জামাতের সদস্য চাঁদপুর শহরের বিষ্ণুদী মাদ্রাসা রোডের মোঃ তাওহিদুর রহমান বাবু জানান, চাঁদপুরের মারকাজ কাকরাইলের নির্দেশ মতো পরিচালিত হচ্ছে না এবং এখানে কোনো আমল হয় না। আমরা আজ (গতকাল) বিকেলে উজানীর পীর সাহেব মাহবুবে এলাহী হুজুরসহ সেই মারকাজে যাই। কিন্তু আগে থেকে সেখানে মোতায়েন করে রাখা লাঠিয়াল বাহিনীর বাধার কারণে উজানীর পীর সাহেব মারকাজের অফিসে ঢুকতে পারেননি। তখন পীর সাহেবের ভক্তরা খুব উত্তেজিত হয়ে যায়। এ সময় মারকাজের ভেতরে বয়ান করছিলেন বাসস্ট্যান্ড মাদ্রাসার মাওঃ আব্দুর রশিদ। তখন আমি এগিয়ে গিয়ে রশিদ সাহেবকে কানেকানে বলি, হুজুর আপনি বয়ান বন্ধ করে উজানীর পীর সাহেবকে সুযোগ করে দিলে পরিস্থিতি শান্ত হবে। কিন্তু তিনি আমার কথা শুনেন নি। পরে পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে হয়। খবর পেয়ে মাগরিবের নামাজের পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জসহ ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তখন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত মারকাজের সকল কার্যক্রম (নামাজ ব্যতীত) বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এরপর উজানীর পীরসহ ৭০ ভাগ মানুষ মারকাজ থেকে চলে আসেন। আমি মারকাজের ভেতর বসা ছিলাম। তখন মাওঃ আব্দুর রশিদ ও মাওঃ আরিফুল্লাহর নেতৃত্বে আমার উপর হামলা করা হয় এবং রশিদ সাহেব নিজে আমাকে আঘাত করেন। আমার সাথে আমাদের সাথী ভাই আরো ১০জন আহত হন।



এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রস্ততি চলছে বলে আহত বাবু জানান।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮০৮৮৬
পুরোন সংখ্যা