চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ২৯ ভাদ্র ১৪২৫। ২ মহররম ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪১-সূরা হা-মীম আস্সাজদাহ,

৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২৩। তোমাদের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের এই ধারণাই তোমাদের ধ্বংস এনেছে। ফলে তোমরা হয়েছো ক্ষতিগ্রস্ত।

২৪। এখন তারা ধৈর্যধারণ করলেও জাহান্নামই হবে তাদের আবাস এবং তারা অনুগ্রহ চাইলেও তারা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হবে না।

২৫। আমি তাদের জন্যে নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম সহচর যারা তাদের সম্মুখ ও পশ্চাতে যা আছে তা তাদের দৃষ্টিতে শোভন করে দেখিয়েছিল এবং তাদের ব্যাপারেও তাদের পূর্ববর্তী জি¦ন ও মানবদের ন্যায় শাস্তির কথা বাস্তব হয়েছে। তারা তো ছিল ক্ষতিগ্রস্ত।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন



 


সব সমস্যার প্রতিকার হচ্ছে ধৈর্য ও চেষ্টা।

-প্লুটাস।


ন্যায়পরায়ণ বিজ্ঞ নরপতি আল্লাহ’র শ্রেষ্ঠ দান এবং অসৎ মূর্খ নরপতি তার নিকৃষ্ট দান।



 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুর মাছঘাটে ইলিশও বেশি দামও বেশি
মিজানুর রহমান
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


এখন ইলিশের ভরপুর মওসুম। তা সত্ত্বেও চাঁদপুরের নদ-নদীতে ইলিশের আকাল চলছে। লোকাল মাছ কম, সাগরে আহরিত মাছে ঠাঁসা চাঁদপুর মাছঘাট। গত ক'দিন হাজার হাজার মণ ইলিশ বিক্রির জন্যে বিভিন্ন আড়তে আসছে_এমন কথাই জানালেন ঘাটের মৎস্য ব্যবসায়ীরা।



সরজমিনে পর্যবেক্ষণে জানা যায়, মাছের সাইজ বুঝে এবং নামার ও লোকাল, তাজা না বরফের এ হিসেবে মাছের দাম কম-বেশি উঠা নামা করছে। ঘাটে মাছের দাম কম হবে এ আশায় অনেকে মাছ কিনতে এসে দাম শুনে হতাশ হচ্ছে। এখনও মিডিয়াম আকারের ইলিশের কেজি ৭/৮শ' টাকা। শুধুমাত্র ৩/৪শ' গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি সাড়ে ৩শ' থেকে সাড়ে ৪শ' টাকা। এক/দেড় কেজি সাইজের ইলিশের কেজি ১২শ' থেকে ১৫শ' টাকা।



সার্বিক অবস্থা দেখে বোঝা গেলো, ইলিশের আমদানিও বেশি, দামও বেশি। ছোট রব চোকদারের আড়তের কাছে মাছ বিক্রেতা খন্দকার মুকবুল হোসেন বলেন, ভর সিজন হওয়া সত্ত্বেও ইলিশের দাম তুলনামূলক কমে নাই।



১১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার চাঁদপুর ঘাটে প্রচুর ইলিশ দেখা যায়। হাজী আঃ মালেক খন্দকার, মিজানুর রহমান কালু ভূঁইয়া, শবেবরাত হাজী, ইকবাল বেপারী, কুদ্দুছ খাঁ ও উত্তম দের আড়তে হাতিয়া ও দৌলত খাঁ এলাকার প্রচুর ইলিশ ক্রয়-বিক্রয় হয়েছে। নান্টু, কাদির, দেলু খাঁ, আনোয়ার গাজী, খালেক, ছানা, বাবুল হাজী, মালেক খন্দকারসহ আরো অনেক চালানি সেই মাছ আড়ত থেকে কিনে প্যাক করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে দিচ্ছে।



দৌলত খাঁর মাছের বেপারী মোঃ ইউসুফ ও হাতিয়ার মফিজ মাঝি জানান, ১৩/১৪ মণ মাছ খন্দকারের আড়তে দিয়েছেন এবং ১৯ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, এসব ইলিশ সাগরের। ভোলার নদীতে মাছ নাই।



ভরপুর ইলিশ আমদানিতে কেন মাছের দাম কমছে না, এমন প্রশ্নের জবাবে চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী শবেবরাত সরকার জানান, গত সোমবার চাঁদপুর ঘাটে এক/দেড় হাজার মণ ইলিশ ক্রয়-বিক্রয় হয়েছে। মাছের দামও কমেছে। মঙ্গলবার ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা মণ দরে অর্থাৎ ৪শ' সোয়া ৪শ' টাকা কেজিতে ইলিশ বিক্রি হয়েছে। আগের চেয়ে ইলিশের দাম কমেছে।



সমিতির পরিচালক খালেক বেপারী জানান, লোকাল নদীর মাছ না পাওয়ায় চাঁদপুর ঘাট গোয়ালন্দ হয়ে গেছে। এখানের সব মাছ সাগরের। অভিযানের আগে সাগরের কিছু মাছ চাঁদপুর আসছে। আমরা ব্যবসায়ীরা সুবিধায় নেই।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮১৮৬৬৮
পুরোন সংখ্যা