চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৮ অক্টোবর ২০১৮। ৩ কার্তিক ১৪২৫। ৭ সফর ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪২-সূরা শূরা

৫৪ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫০। অথবা তাদেরকে দান করেন পুত্র ও কন্যা উভয়ই এবং যাকে ইচ্ছা তাকে করে দেন বন্ধ্যা, তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

৫১। মানুষের জন্য অসম্ভব যে, আল্লাহ তার সাথে কথা বলবেন ওহীর মাধ্যম ছাড়া, অথবা পর্দার অন্তরাল ব্যতিরেকে অথবা এমন দূত প্রেরণ ছাড়া, যে দূত তাঁর অনুমতিক্রমে তিনি যা চান তা ব্যক্ত করে, তিনি সমুন্নত, প্রজ্ঞাবান।

৫২। আর এভাবেই আমি তোমার প্রতি ওহী করেছি রূহ (কুরআন) আমার নির্দেশে; তুমি তো জানতে না কিতাব কি ও ঈমান কি পক্ষান্তরে আমি একে করেছি আলো যা দ্বারা আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা পথ-নির্দেশ করি; তুমি অবশ্যই প্রদর্শন কর সরল পথ-

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


প্রতিভাবানদের আবিষ্কৃত জিনিস কখনো মৃল্যহীন হয় না।                           


-কুপ।


যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ^াস করে (অর্থাৎ মুসলমান বলে দাবি করে) সে ব্যক্তি যেন তার প্রতিবেশীর কোন প্রকার অনিষ্ট না করে।



 


ফটো গ্যালারি
মেঘনার চরাঞ্চলে নিয়মিত বসছে মা ইলিশের হাট
মতলব উত্তর ব্যুরো
১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিম পাড়ে বসছে ইলিশের হাট। চরউমেদ ও বোরচরে রাতে জমজমাট ইলিশের হাট বসলেও দিনের বেলাও হাট বসতে দেখা যাচ্ছে। প্রশাসন মা ইলিশকে রক্ষার জন্যে মেঘনা নদীসহ পূর্ব অঞ্চলে অভিযান চালালেও পশ্চিম অঞ্চল থাকে এ অভিযানের বাইরে। তাই জেলেরা নির্দ্বিধায় মা ইলিশ ধরছে এবং তা বিক্রি করছে কম দামে।



উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিম পাড়ে চরউমেদের নদীর পাড়ে ৪টি এবং চরকাশিমে ৫টি মাছের আড়ত রয়েছে। এখানে ইলিশ বেচাকেনা হচ্ছে উৎসবমুখর পরিবেশে। উপজেলার মূল ভূখন্ডের মেঘনা নদীর পাড়ের স্থায়ী মৎস্য আড়ৎগুলো বন্ধ থাকলেও লঞ্চঘাটগুলোর সংলগ্ন অঞ্চল, মেঘনার পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ের গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্থানে বিক্রি হচ্ছে এই মা ইলিশ। এছাড়া বাড়ি বাড়ি গিয়েও মা ইলিশ ফেরি করে বিক্রি তো হচ্ছেই।



দিনের বেলাতে মেঘনা নদীর পূর্ব অঞ্চলের জেলেদের মাঝে পুলিশি আতঙ্ক থাকলেও সন্ধ্যার পর পুলিশি আতঙ্ক কেটে যায়। তবে মেঘনা নদীর পশ্চিমাংশের নদীতে পুলিশি অভিযান না থাকায় জেলেদের কোনো রকমের ভয় কাজ করে না। সেখানে মা ইলিশ রক্ষাকারী মতলব উত্তর উপজেলার টাস্কফোর্স তেমন একটা যায় না বললেই চলে। ফলে মেঘনায় জেলেরা নির্দ্বিধায় প্রজননের জন্যে আসা মা ইলিশগুলো ধরছে। আর এর নেপথ্যে কাজ করছে স্থানীয় কিছু অর্থলোভী প্রভাবশালী লোক। যাদের সাহস যোগানোর কারণেই জেলেদের বড় একটি অংশ এ কাজে উৎসাহ পাচ্ছে। সন্ধ্যার পর মেঘনা নদীর পশ্চিম পাড়ে মা ইলিশ শিকার ও বিক্রির উৎসবমুখর দৃশ্য দেখলে যে কারোর মনেই উপজেলা টাস্কফোর্সের রহস্যজনক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।



উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাখাওয়াত হোসেন বলেন, উপজেলার ষাটনল থেকে আমিরাবাদ পর্যন্ত এতো বিশাল অঞ্চলে ২২ দিন দেখাশোনার জন্যে সরকারি বরাদ্দ খুবই কম। অঞ্চল ও কাজের তুলনায় যা খুবই সামান্য। তারপরেও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে স্পীডবোট হলে অভিযান পরিচালনা করা সহজ হতো, ট্রলার দিয়ে নদীতে কাজ করা অনেক কঠিন। কেননা, জেলেদের ট্রলারের অনেক গতি। আগে কোস্টগার্ড থাকলেও আমার উপজেলায় এবার কোস্টগার্ডের কোনো ক্যাম্প নেই।



উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর থেকে আগামী ২৮ অক্টোবর মেঘনা ও পদ্মাসহ বিভিন্ন নদীতে ২২ দিন ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৩৬৪৯৯
পুরোন সংখ্যা