চাঁদপুর। শুক্রবার ১৯ অক্টোবর ২০১৮। ৪ কার্তিক ১৪২৫। ৮ সফর ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪২-সূরা শূরা

৫৪ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫৩। ঐ আল্লাহর পথ, যাঁর আধিপত্বে রয়েছে আকাশম-লী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে। সাবধান! সকল বিষয় আল্লাহরই দিকে প্রত্যাবর্তন করে।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন



 


প্রচারণায় যে বিশ্বাসী নয় নিঃসন্দেহে সে কাজে বিশ্বাসী ।                      -পিথাগোর।


মায়ের পদতলে সন্তানদের বেহেশত।

 


ফটো গ্যালারি
বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে আজ ৫ দিনব্যাপী দুর্গোৎসব
বিমল চৌধুরী
১৯ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

অসুর বিনাশিনী, শান্তি প্রদায়িনী দশ হস্ত ধারিণী দেবী দুর্গার চরণে গতকাল মহানবমী দিনেও ভক্তবৃন্দ পরম শ্রদ্ধার সাথে মনের মাধুরী মিশিয়ে অঞ্জলি প্রদান করেন। কামনা করেন সংসারের সুখ ও শান্তি। তবে মহাষ্টমীর সকালে পূজা মন্ডপে যেরূপ ভিড় পরিলক্ষিত হয়েছিল গতকাল ১৮ অক্টোবর সকালে পূজা মন্ডপে তেমন ভিড় দেখা যায় নি। তবে সন্ধ্যায় থেকেই প্রতিমা দর্শনে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভীড় পরিলক্ষিত হয়।

আজ দশমী বিহিত পূজা শেষে পুতঃপবিত্র মন্ত্র পাঠের মধ্যে দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন প্রক্রিয়া শেষ হবে। পরে বিকেল ৫টা হতে সন্ধ্যা ৮টার মধ্যে চাঁদপুর শহরের মুখার্জীঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের সময় নির্ধারিত হওয়ার কথা থাকলেও হয়তো বিসর্জন দিতে গিয়ে রাতও হতে পারে।

এই মহাআনন্দ উৎসবে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তবৃন্দ ব্যতীত ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষজনও পূজা দেখতে যান। তারাও পূজারীদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা আর উৎসাহে হিন্দু সম্প্রদায়ের এ উৎসব সার্বজনীন উৎসবে রূপ নেয়। গতকালও শহরের পূজামন্ডপগুলোতে রাত পর্যন্ত দর্শনার্থীরা প্রতিমা দর্শনের জন্যে মন্ডপে মন্ডপে ভিড় জমান। এ বছর প্রতিটি পূজামন্ডপই ছিলো দেখার মতো। তবে শহরের পূজামন্ডপগুলো ছিলো অধিক সজ্জায় সুসজ্জিত। শোভিত হয়েছে সুউচ্চ তোরণ, প্যান্ডেল আর লাল-নীল রঙিন বাতি। তবে দূর থেকে পূজামন্ডপের সুউচ্চ মাইকের আওয়াজ শোনা না গেলেও হাতে গোণা দু-একটি পূজামন্ডপের ভেতরে ইকোসাউন্ড সিস্টেমের বিকট আওয়াজে হৃদরোগ সম্পন্ন অনেক দর্শনার্থীই প্রতিমা দর্শনের আগ্রহ হারিয়ে পেলেন। সুউচ্চ আওয়াজ সম্পন্ন ইকোসাউন্ড সিস্টেমের আওয়াজের তালে তালে উঠতি বয়সের যুবকদের অঙ্গ ভঙ্গিই দর্শনার্থীদের দর্শন কার্যক্রমের স্থান দখল করে নেয়ায় অনেক দর্শনার্থী দূরে দাঁড়িয়ে মাতৃদেবীকে প্রণাম করেন। অবশ্য এ ব্যাপরে মুখ খুলে কেউ কিছু বলার ইচ্ছাও পোষণ করেননি।

চাঁদপুর সদর উপজেলায় এ বছর ২৯টি মন্ডপে পূজা অুনষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে চাঁদপুর পৌর এলাকায় রয়েছে ২৫টি। ৪/৫টি প্রতিমা ব্যতীত সবকটি প্রতিমাই বিসর্জন দেয়া হবে পূজারীদের সুবিধামত স্থানে। তবে চাঁদপুর শহরের কালী বাড়ি পূজামন্ডপ, শ্রী শ্রী গোপাল জিউর আখড়া, সন্তোষীমাতা পূজা মন্ডপ, মহাবীর রাধাকৃষ্ণ মন্দির পূজামন্ডপ, ঘোষ পাড়া পূজামন্ডপ, পালপাড়া পূজামন্ডপ, মিনার্ভা পূজামন্ডপের প্রতিমা বিসর্জন প্রক্রিয়া শহরের প্রাণকেন্দ্র মেথা রোডস্থ মুখার্জী ঘাটলায় সম্পন্ন হবে। সন্ধ্যা ৫টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে এ বিসর্জন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্যে প্রশাসন থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।

পুরাণবাজারের হরিসভা মন্দির কমপ্লেঙ্ েপ্রতিমা বিসর্জন দেয়া হবে না। তাদের প্রতিমা মন্দিরেই শোভিত হবে এবং এ স্থানেই নিত্যসেবা পূজা হবে। পরবর্তী বছর দুর্গা পূজার সময় এ মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হবে। এমনিভাবে শহরের কুন্ডের বাড়ি ও মজুমদার বাড়ির পূজামন্ডপের প্রতিমা ও মন্দিরে শোভিত হবে পরবর্তী বছরের অপেক্ষায়।

এছাড়া মৈশাল বাড়ি পূজামন্ডপ, দাসপাড়া পূজামন্ডপ, বারোয়ারী পূজামন্ডপ, নিতাইগঞ্জ সার্বজনীন পূজামন্ডপ, পানের গোলা পূজা মন্ডপ ও রনজিত দাসের বাড়ি পূজামন্ডপের প্রতিমা তাদের পার্শ্বস্থ নদীতে বিসর্জন দেয়া হবে। পুরাণবাজার হরিজন কলোনীর প্রতিমা বিসর্জনের পূর্বে বিকেল বেলায়ই হরিসভা মন্দির কমপ্লেঙ্ েনিয়ে আসা হতে পারে। পরে পার্শ্বস্থ মেঘনা নদীতে তা বিসর্জন দেয়া হবে। পৌর পরিষদের পক্ষ থেকে বিসর্জন স্থলের স্থানে আলোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা বিধানে প্রশাসনের রয়েছে সকল ব্যবস্থা।

শান্তিপূর্ণভাবে বিসর্জন পর্ব সম্পন্ন করার জন্যে জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় ও সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ পূজারীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৮৬৫৮৮
পুরোন সংখ্যা