চাঁদপুর। মঙ্গলবার ২৩ অক্টোবর ২০১৮। ৮ কার্তিক ১৪২৫। ১২ সফর ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪২-সূরা যূখরুফ

৮৯ আয়াত, ৭ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১০। যিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে করেছেন শয্যা এবং ওতে করেছেন তোমাদের চলার পথ যাতে তোমরা সঠিক পথ পেতে পার;

১১। এবং যিনি আকাশ হতে পানি বর্ষণ করেন পরিমিতভাবে এবং আমি তার দ্বারা জীবিত করি নির্জীব ভূ-খ-কে। এভাবেই তোমাদেরকে পুনরুত্থিত করা হবে।

১২। এবং যিনি জোড়াসমূহের প্রত্যেককে সৃষ্টি করেন এবং যিনি তোমাদের জন্যে সৃষ্টি করেন এমন নৌযান ও চতুষ্পদ জন্তু যাতে তোমরা আরহণ কর।   

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন



 


কোনো কিছু যদি পবিত্ররূপে সৃষ্টি হয়ে থাকে তবে তা মানবদেহ।     


-ওয়াল্ট হুইটম্যান।


যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের উপর ঈমান রাখে তার ভালো ও পরিচ্ছন্ন কথা বলা উচিত অথবা নীরব থাকা বাঞ্ছনীয়। পরিচ্ছন্ন কথা হচ্ছে দান কাজের সমতুল্য।

 


ফটো গ্যালারি
ইজতেমার নামে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ ও নিন্দা
২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


গত বেশ কিছু দিন ধরে দাওয়াত ও তাবলীগ-এর মেহনত থেকে বিচ্ছিন্ন 'এতায়াত' নামের একদল চাঁদপুর জেলায় ইজতেমা করার নামে বিভিন্ন পত্রিকায় একাধিক বার ইজতেমা কমিটির তালিকা প্রকাশ করে। যে কমিটির উপদেষ্টা করা হয় মাননীয় মেয়র নাছির উদ্দিন সাহেবকে। যা সম্পর্কে মেয়র সাহেব নিজেই জানেন না। গত ২১/১০/২০১৮ খ্রিঃ তারিখে চাঁদপুর কণ্ঠের মাধ্যমে এতায়াত জামাতের জিম্মাদার 'সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি'-এর মাধ্যমে অবহিত করেন যে, যেসব কমিটি ইজতেমার নামে কমিটি ঘোষণা করেছে 'সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি'-এর মাধ্যমে অবহিত করেন যে, যেসব কমিটি ইজতেমার নামে কমিটি ঘোষণা করেছে তা উনাদের জ্ঞাতব্য নয় এবং উনাদের জিম্মাদারগণ এ সম্পর্কে জানেনই না।



গত ২১/১০/২০১৮ তারিখে জেলা প্রশাসকের কক্ষে দু'পক্ষের যে আলোচনা হয় (এতায়াতকারীরা) পত্রিকাতেও এ সম্পর্কে মিথ্যাচার করেন যে, মাননীয় মেয়র নাছির উদ্দিন সাহেব সভাতে মতামত পোষণ করেন, কিন্তু উনি সহ আরো কয়েকজন সভাতে উপস্থিত ছিলেনই না। উনারাই উপস্থিত ছিলেন যাদের ব্যাপারে 'এতায়াতের' জিম্মাদার সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। উক্ত সভায় দু'পক্ষের আলোচনা সাপেক্ষে মাননীয় জেলা প্রশাসক উদাহরণ দিয়ে চাঁদপুরে ল্যাংটার মেলা, অন্যান্য মেলা, বিভিন্ন ধর্মের নাম একত্র হওয়া এবং দেশের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মেহনতকে সভাতে ফুটিয়ে তুলেন এবং বলেন, উনারা (এতায়াত) যে ইজতেমা করতে চায় আপনারা কেন নিষেধ করেন। অন্যদের মতো উনারাও (এতায়াত) ইজতেমা করুক। আপনারা কাকরাইলের পরামর্শ অনুযায়ী টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমাতে শরীক হন। এ ব্যাপারে উনারা (এতায়াত ) তো বাধা দিচ্ছে না। পরিপেক্ষিতে উলামাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, এমনটাই যদি হয় তাহলে তাবলীগের নামে কোনো ইজতেমার এলান না করেন এবং এটাকে যেন দাওয়াত ও তাবলীগের ইজতেমা বলে প্রচার না করা হয়। প্রশাসক 'এতায়াতের' পক্ষকে এই শর্তে অনুমতি দেন যে, নির্বাচন কমিশন বা সরকারের পক্ষ থেকে নিষেধ আসলে ঐ সময় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তা মানার জন্য সহযোগিতা করবেন এবং উলামা পক্ষকে বলা হয় যে, সরকার ও কাকরাইলের সাথে আলোচনা করে ৬৪টি জেলার ইজতেমা জেলাতে না হওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত নামা আমাদেরকে অবহিত করলে আমরাও সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থাগ্রহণ করব।



দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনতকে জনসাধারণর সম্মুখে অপদস্থ, মিথ্যাচার ও হেয়প্রতিপন্ন করায় আমরা এর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই এবং সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, চাঁদপুর জেলা তথা বাংলাদেশের কোনো জেলাতে দাওয়াত ও তাবলীগের (কাকরাইলের) সিদ্ধান্তে কোনো ইজতেমা নেই।



ইনশাআল্লাহ, আগামী ১৮, ১৯, ২০ এবং ২৫,২৬,২৭ জানুয়ারি ২০১৯ খ্রিঃ দুই ধাপে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ইজতেমা টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।



দাওয়াত ও তাবলীগ ওলামার পক্ষে



চাঁদপুর জেলা মার্কাজের ইমাম



মাওলানা এমদাদুল্লাহ্



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৩৫৩৬০
পুরোন সংখ্যা