চাঁদপুা। শনিবার ১০ নভেম্বর ২০১৮। ২৬ কার্তিক ১৪২৫। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৩-সূরা যুখ্রুফ


৮৯ আয়াত, ৭ রুকু,' মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৭৩। সেথায় তোমাদের জন্যে রহিয়াছে প্রচুর ফলমূল, তাহা হইতে তোমরা আহার করিবে।


৭৪। নিশ্চয় অপরাধীরা জাহান্নামের শাস্তিতে থাকিবে স্থায়ীভাবে;


৭৫। উহাদের শাস্তি লাঘব করা হইবে না এবং উহারা উহাতে হতাশ হইয়া পড়িবে।


 


 


assets/data_files/web

বীরত্বের নির্যাস হলো আত্মবিশ্বাস। -ইমারসন।


 


 


বিদ্যা শিক্ষার্থীগণ বেহেশতের ফেরেশতাগণ কৃর্তক অভিনন্দিত হবেন।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
চলতি অর্থ বছরে ৩৫০ কোটি টাকার কাজ চলমান
পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে এলজিইডি চাঁদপুরের এক দশকের অর্জন বিগত কয়েক দশকের কাছাকাছি
সেলিম রেজা
১০ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে বিগত ১ দশকে যে উন্নয়ন করেছে তা' বিগত কয়েক দশকের কাছাকাছি।



এলজিইডি চাঁদপুর সরকারের ভিশন বাস্তবায়নে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন করার ফলে জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে। এলজিইডির মাধ্যমে রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট, উপজেলা পরিষদ কমপ্লেঙ্ নির্মাণ, প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ, বাঁধ নির্মাণ, খাল খনন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেঙ্, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা নিবাসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ কাজ চলেছে।



যেখানে গ্রামে বসবাসকারী সাধারণ লোকজন কাঁচা রাস্তা দিয়ে অনেক কষ্ট করে একস্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াত করতো, বর্তমানে এমন কোনো এলাকা নেই যেখানে পাকা সংযোগ সড়ক তৈরি হয়নি। এতে দ্রুত ও কম সময়ের ব্যবধানে একস্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত এবং কম খরচে কৃষি পণ্য পরিবহন করছে গ্রামীণ লোকজন। নতুন নতুন রাস্তা পাকা হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গড়ে উঠছে এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে।



২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এলজিইডি চাঁদপুর জেলায় ৩৮৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, ১টি প্রাইমারী ট্রেনিং ইন্সটিটিউট, ৩টি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেঙ্, ৬০টি অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের বাসস্থান নির্মাণ করেছে এবং নির্মাণাধীন অবস্থায় রয়েছে ২৬০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেঙ্, একই সঙ্গে ৩টি উপজেলা পরিষদ কমপ্লেঙ্ ও ৩টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেঙ্। এছাড়া ১৪৫১.৩০ মিটার সেতু/কালভার্ট নির্মাণাধীনের মধ্যে ১০০ মিটার উধর্ে্বর সেতু হচ্ছে তিনটি। এগুলো হচ্ছে হাজীগঞ্জ উপজেলার হাজীগঞ্জ বড়কুল ফেরিঘাট বড়কুল পূর্ব ইউপি সড়কে ২৬৬.৩০ মিটার দীর্ঘ সেতু, একই উপজেলায় বড়কুল পশ্চিম ইউপি সড়ক ১৭৪.০০ মিটার দীর্ঘ সেতু ও চাঁদপুর সদর উপজেলা মহামায়া জিসি-রামপুর ইউপি-বাকিলা জিসি সড়কে ২৭৪.২০ মিটার দীর্ঘ সেতু।



এলজিইডি বিগত ১০ বছরে ৮৩৬.৮০ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন করেছে এবং ১৩১২.৬৮ কিলোমিটার রক্ষণাবেক্ষণ করেছে, বিভিন্ন উপজেলায় গ্রামীণ সড়ক নির্মাণাধীন রয়েছে ২৮২.০০ কিলোমিটার। আর ২১০.৬০ কিলোমিটার রক্ষণাবেক্ষণাধীন রয়েছে।



পানি সম্পদ উন্নয়নেও এলজিইডি কার্যক্রমের আওতায় ১০টি সস্নুইসগেট/রেগুলেটর, ৬২.২৩ কিলোমিটার খাল খনন এবং ৩টি বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে।



এর মধ্যে শুধুমাত্র চলতি ২০১৮-১৯ অর্থ বছরেই ২২০.৮২ কিলোমিটার সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ হয়েছে এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ৩৫০ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে।



এ ব্যাপারে কথা হয় এলজিইডি চাঁদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী জিএম মুজিবর রহমানের সাথে। তিনি জানান, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের ক্ষেত্রে আমরা শতভাগ সফল। চাঁদপুর জেলার আনাচে কানাচে এমন কোনো রাস্তা নেই যে, আমি সেখানে যাইনি। কাজের গুণগত মানের ক্ষেত্রে আমার চেষ্টার কোনো ত্রুটি ছিলো না। এক্ষেত্রে আমি মন্ত্রী মহোদয় ও চাঁদপুরের সংসদ সদস্য মহোদয়গণের শতভাগ সমর্থন পেয়েছি। এতে ভালো কাজ করায় উৎসাহ পেয়েছি।



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫১৬১৮৫
পুরোন সংখ্যা