চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৫ নভেম্বর ২০১৮। ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৬ সূরা-ওয়াকি'আঃ


৯৬ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৮০। ইহা জগৎসমূহের প্রতিপালকের নিকট হইতে অবতীর্ণ।


৮১। তবুও কি তোমরা এই বাণীকে তুচ্ছ গণ্য করিবে?


৮২। এবং তোমরা মিথ্যারোপকেই তোমাদের উপজীব্য করিয়া লইয়াছো!


 


 


 


 


 


assets/data_files/web

হিংসা একটা দরজা বন্ধ করে অন্য দুটো খোলে।


-স্যামুয়েল পালমার।


 


 


নামাজ বেহেশতের চাবি এবং অজু নামাজের চাবি।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
কচুয়ায় হিন্দু সমপ্রদায়ের কীর্তনে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ অবশেষে মীমাংসা
মোঃ রাকিবুল হাসান
১৫ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

কচুয়ায় হিন্দু সমপ্রদায়ের কীর্তন অনুষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের সূত্রধর বাড়ির হরি মন্দির প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডুমুরিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে হামলাকারীরা কীর্তন স্থলের একটি ডাক (বাদ্যযন্ত্র) ভাংচুর করে এবং গীতা ছিঁড়ে ফেলে।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার কথা বললে পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পরে গতকাল দুপুরে কচুয়া সার্কেলের সিনিয়র এএসপি শেখ রাসেল আহমেদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুমন দে ও কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমান ভূঁইয়া ঘটনাস্থলে যান।

এ ব্যাপারে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আতাউর রহমান ভঁূইয়া বলেন, ঘটনাটি শোনার সাথে সাথে আমি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি এবং গতকাল দুপুরে কচুয়া সার্কেলের সিনিয়র এএসপি শেখ রাসেল আহমেদ, জেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুমন দেসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সেখানে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আহসান হাবিব জুয়েল, কীর্তন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আমাদেরকে বিষয়টি মীমাংসা হয়ে গেছে বলে জানান এবং এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করবে না মর্মে জানান।

এ সময় এএসপি সার্কেল মীমাংসার বিষয়টি পুলিশ সুপার মহোদয়কে অবহিত করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নীলিমা আফরোজ জানান, ঘটনাটি শুনে আমি তাৎক্ষণিক সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুমন দে কে পাঠায়েছি। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হয়ে গেছে। কীর্তন কমিটির বিষয়টি নিয়ে আর কোনো অভিযোগ না থাকার কথা জানান। আমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় মাহফিল কমিটির সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঘটনাস্থলের পাশে আমাদের একটি পূর্ব নির্ধারিত মাহফিল চলছিল। স্থানীয় মুসলি্লরা ২/৩ বার বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজ কমিয়ে দেয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু তারা তা না করায় স্থানীয় মুসলি্ল সেখানে হামলা চালানোর চেষ্টা করে, আমরা তাতে বাধা দেই।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৭৩৩০৩
পুরোন সংখ্যা