চাঁদপুর। শুক্রবার ৭ ডিসেম্বর ২০১৮। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫। ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৪-সূরা দুখান

৫৯ আয়াত, ৩ রুকু, ‘মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২৫। উহারা পশ্চাতে রাখিয়া গিয়াছিল কত উদ্যান ও প্র¯্রবণ;

২৬। কত শস্যক্ষেত্র ও সুরম্য প্রাসাদ,

২৭। কত বিলাস-উপকরণ, উহাতে তাহারা আনন্দ পাইত।

২৮। এইরূপই ঘটিয়াছিল এবং আমি এই সমুদ্রদয়ের উত্তরাধিকারী করিয়াছিলাম ভিন্ন সম্প্রদায়কে।


আইনের মৃত্যু হয় কিন্তু গ্রন্থের মৃত্যু নেই।

-বুলওয়ার লিটন।

 


মুসলমানগণের মধ্যে যার স্বভাব সবচেয়ে ভালো সেই সর্বাপেক্ষা ভালো ব্যবহার করে, তারাই তোমাদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি।


ফটো গ্যালারি
একাদশ সংসদ নির্বাচন ভাবনা-কেমন প্রার্থী চাই ?
উন্নয়ন করতে সক্ষম এমন প্রার্থীই ফরিদগঞ্জের অধিকাংশ ভোটারের পছন্দ
০৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


সৎ, যোগ্য ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করবেন এমন প্রার্থীই পছন্দ ভোটারদের। আর ক'দিন পরই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বিভিন্ন দল থেকে প্রার্থীও প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে। ভোটারদের মধ্যে এখন থেকেই ভোটের আমেজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামের চায়ের দোকানগুলোর দিকে তাকালেই দেখা যায় মানুষের জটলা। 'নির্বাচন নিয়ে কী ভাবছে সাধারণ মানুষ এবং কেমন প্রার্থী চাই' এমন প্রশ্নে চাঁদপুর কণ্ঠের পক্ষ থেকে চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের ভোটারদের সাথে কথা বলেছেন প্রবীর চক্রবর্তী। ভোটাররাও বলেছেন খোলামেলা কথা।



মোঃ মোজাম্মেল হোসেন : ৭নং পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নে তার বাড়ি। তিনি জানান, আমরা একজন সৎ, যোগ্য এবং যিনি দেশের উন্নয়নে, এলাকার উন্নয়নে কাজ করবেন তেমন প্রার্থীই বেছে নিবো। বর্তমানে বেকার সমস্যা প্রকট। আমরা তেমন একজন প্রার্থী চাই যিনি কি না বেকার সমস্যা সমাধানে ব্যাপক ভূমিকা রাখবেন। আমরা যেহেতু গ্রামাঞ্চলে বাস করি সেহেতু আমাদের অনেক সমস্যাই রয়েছে। আমরা তেমন একজন প্রার্থী চাই যিনি সমস্যাগুলো নিরসনে সচেষ্ট থাকবেন।



সুজন রায় : ফরিদগঞ্জ পৌরসভার বাসিন্দা। সর্বোচ্চ মাস্টার্স ডিগ্রি নিয়ে এখন ঘুরছেন চাকুরির খোঁজে। তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনে আমি প্রথম ভোট দেবো। তাই নিজের মধ্যে আলাদা কিছু অনুভব করছি। আমি যেহেতু তরুণ, তাই আমার প্রথম পছন্দের প্রার্থী তরুণ হবে এটাই স্বাভাবিক। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা চাই এমন প্রার্থী, যিনি সাধারণ মানুষের উপকারে আসবেন, মানুষের সাথে ভালো আচরণ করবেন। সর্বোপরি এলাকার উন্নয়নে যিনি সর্বদা আগ্রহী থাকবেন।



মিজানুর রহমান : ২নং বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে আমাদের এলাকার রাস্তাঘাটগুলোর অবস্থা বেহাল ছিলো। বর্তমানেও কিছু কিছু রাস্তা খারাপ আছে। আমি চাই একজন সৎ, যোগ্য এবং নিষ্ঠাবান প্রার্থী, যিনি কিনা আমাদের গ্রামের মানুষদের জন্যে নিবেদিতপ্রাণ হিসেবে থাকবেন।



পংকজ শর্মা : ৪নং সুবিদপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের আইটপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় শিক্ষক। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে কথা হয় তার সাথে। তিনি বলেন, সুখে-দুঃখে, সময়ে-অসময়ে যে প্রার্থীকে সাধারণ জনগণ কাছে পাবে তাঁকেই আমরা প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই। আমাদের এলাকার মূল সমস্যা মাদক, জরাজীর্ণ রাস্তাঘাট। এগুলো যিনি ঠিক করবেন তেমন প্রার্থীকেই আমরা বেছে নেবো। গভীর নলকূপ না থাকার কারণে গ্রামের সাধারণ মানুষ আর্সেনিকে আক্রান্ত হচ্ছে। বেশিরভাগ লোক আর্সেনিক সম্বন্ধে অজানার কারণে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছে। তবে আমাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা ছিলো বিদ্যুৎ। গত তিন-চার বছর পূর্বেও ১০ ভাগ বিদ্যুৎ ছিলো না। এখন আমাদের এলাকা শতভাগ বিদ্যুতের আওতায়। এজন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ না দিয়ে উপায় নেই।



চন্দন কুমার দে : একজন ব্যবসায়ী। ৮নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নে তার বাড়ি। কড়ৈতলী শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের সভাপতি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিক থেকে আমরা কম। সেহেতু আমাদের মনে সব সময়ই ভয় কাজ করে। এখানে আমরা সবাই মিলে মিশে বসবাস করি। সুতরাং আমরা এমন একজন প্রার্থী চাই যিনি কিনা সকল সম্প্রদায়ের মানুষকেই সমান চোখে দেখবেন।



মোঃ হারুনুর রশীদ : একই ইউনিয়নের সাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বলেন, আমি চাই তেমন একজন প্রার্থী যিনি কি না দলমত নির্বিশেষে মানবসেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেবেন। যিনি কি না মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবেন। আমাদের ফরিদগঞ্জ থেকে কড়ৈতলীর রাস্তাটি বেশ ভাঙা। ভাঙা রাস্তায় চলতে আমাদের খুব কষ্ট হয়। আমাদের এসব সমস্যা যিনি দ্রুত সমাধান করতে পারবেন তাকেই আমরা আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে চাইবো।



বাকী বিল্লাহ : ২নং বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের মানিক রাজ গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি বলেন, দল-মত নির্বিশেষে যিনি এলাকাবাসীর উন্নয়নে কাজ করবেন তাকেই আমরা প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই।



শিবি্বর আহমেদ : ৭নং পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের কাঁশারা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বলেন, গ্রামের অভ্যন্তরীণ রাস্তাঘাটের সমস্যা, মাদক এবং সর্বোপরি যিনি বেকারত্ব দূরীকরণে কাজ করবেন তাকেই আমরা প্রার্থী হিসেবে চাই।



আক্তার : ৮নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সিরাজ মার্কেট সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তিনি বলেন, আমার গ্রামটি একদম ভেতরে-প্রত্যন্ত অঞ্চলে। বর্ষাকালে সেখানে যাতায়াত খুবই কষ্টকর। আমাদের খুব কষ্ট নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এমতাবস্থায় আমরা এমন একজন প্রার্থী চাই যিনি কিনা ভোটের পর আমাদের খবরা-খবর নেবেন। আমাদের সমস্যা সমাধান করবেন।



সুলতান মিয়া : ৮নং পাইকপাড়া ইউনিয়নের কবি রূপসা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি একজন ব্যবসায়ী। তিনি জানান, যেহেতু আমি ঠিকাদার, তাই যিনি বেশি উন্নয়ন করতে পারবেন, আমি তাকেই চাই। উন্নয়নের সাথে আমার রুটিরুজির সম্পর্ক রয়েছে। তবে অবশ্যই ভালো ও গুণী মানুষকেই আমরা বেছে নেবো।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৬৩৪৫৩
পুরোন সংখ্যা