ঢাকা। শুক্রবার ১১ জানুয়ারি ২০১৯। ২৮ পৌষ ১৪২৫। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ফরিদগঞ্জের মনতলা হাজী বাড়ির মোতাহের হোসেনের ছেলে ফাহিম মাহমুদ (৩) নিজ বাড়ির পুকুরে ডুবে মারা গেছেন। ||  শনিবার সকালে ফাহিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক। || 
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী

২৭। আকাশম-লী ও পৃথিবীর আধিপত্য আল্লাহরই, যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হইবে সেদিন মিথ্যাশ্রয়ীরা হইবে ক্ষতিগ্রস্ত,

 


assets/data_files/web

সৌভাগ্যবান হওয়ার চেয়ে জ্ঞানী হওয়া ভালো।        


-ডাবলিউ জি বেনহাম।


স্বভাবে নম্রতা অর্জন কর।



 


ফটো গ্যালারি
অবৈধ জালে মেঘনায় চলছে রেণু পোনা নিধন উৎসব
জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা
মিজানুর রহমান
১১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুরে মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় নিষিদ্ধ মশারি ও বাঁধা জাল দিয়ে নিধন করা হচ্ছে বাইল্যা, রিডা, আইর, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের রেণু পোনা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার হরিসভা, রনাগোয়াল, সদর উপজেলার দোকানঘর, বহরিয়াসহ অন্যান্য এলাকায় এখন প্রকাশ্যে এই রেণু পোনা নিধনযজ্ঞ চালাচ্ছে এক শ্রেণির জেলে। যার কারণে ধ্বংস হচ্ছে নদ-নদীর দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছের রেণু পোনা।



জেলেরা বাইলার পোনা আহরণের কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে সকল প্রজাতির রেণু পোনা নিধন হচ্ছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার, সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের দোকানঘর, বহরিয়া, তরপুরচ-ী ইউনিয়নের আনন্দবাজার, সফরমালী, কানুদী, হানাচর ইউনিয়নের গোবিন্দিয়া, আখনের হাটসহ নদী তীরবর্তী এলাকায় জেলেরা বাতা, সাটিং ও গাদা নামের মশারির মত জাল দিয়ে রেণু পোনা নিধন করছে।



বিগত বছরগুলোতে এসব জাল স্থানীয় দাদনদার এক শ্রেণীর ব্যবসায়ীদের আওতায় নারায়ণগঞ্জ এলাকা থেকে ভাড়া করে এনে রেণু পোনা নিধন করেছে। কিন্তু এখন ওই শ্রেণীসহ স্থানীয় জেলেদের মধ্যে অনেকেই ওই ধরনের জাল নিজেরাই ক্রয় করে নিধনযজ্ঞ চালাচ্ছে।



নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান, প্রতিদিন মেঘনায় জোয়ার এলে জেলেরা এ নিধনযজ্ঞে নামে। একটি জালের সাথে থাকে ২টি নৌকা। দুই নৌকায়ই জেলে থাকে। জাল ফেলে ওঠানোর সময় দুই নৌকা থেকে টেনে ওঠাতে হয়। একবার জাল টান দিলে কমপক্ষে ১ থেকে দেড় বেরেল (দেড় মণ) মাছ পায়। প্রতি কেজি রেণু পোনা ১শ'-দেড়শ' টাকা দরে বিক্রি করে।



তারা আরো জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র রেণু পোনা নিধন প্রতি বছরই চালিয়ে যাচ্ছে। পেশাগত কতিপয় দাদনদার, দূরের এলাকা থেকে এবং স্থানীয় জেলেদের দিয়ে এই রেণু পোনা ধ্বংস করছে। সকালের সূর্য না উঠতেই নদীর পাড় গুঁড়া মাছের আড়তদারির হাট বসে। এখান থেকে পাইকারি মাছ কিনে হকাররা শহরের পাড়া মহল্লা এবং গ্রামের বাড়ি বাড়ি নিয়ে বিক্রি করেন। এ নিধনযজ্ঞের কারণে নদ-নদীর মাছের উৎপাদন ভয়াবহভাবে ব্যাহত হচ্ছে।



এ ধরনের জালে রেণু পোনা নিষিদ্ধ জানতে চাইলে কয়েকজন জেলে জানান, প্রতি বছরই এ সময় রেণু পোনা (বাইলা পোনা) ধরা হয়। শীতকালে অন্য কোনো মাছ তেমন পাওয়া যায় না। সংসার চালানোর জন্য এ মাছ ধরতে হয়।



 



জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুল বাকী জানান, মশারি ও বাঁধা জাল ব্যবহার অবৈধ। যারা ছোট ছোট পোনাগুলো ধরছে, তারা মাছের চরম ক্ষতি করছে। আমরা এ ব্যাপারে অভিযান চালাবো।



এ দিকে শীতকালের এ সময়ে বাইল্যাসহ বিভিন্ন প্রজাতির রেণু পোনা নিধন বন্ধে প্রদক্ষেপ নিতে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮২২৩২২
পুরোন সংখ্যা