ঢাকা। শুক্রবার ১১ জানুয়ারি ২০১৯। ২৮ পৌষ ১৪২৫। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী

২৭। আকাশম-লী ও পৃথিবীর আধিপত্য আল্লাহরই, যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হইবে সেদিন মিথ্যাশ্রয়ীরা হইবে ক্ষতিগ্রস্ত,

 


assets/data_files/web

অতি মাত্রায় বাস্তববাদী লোকেরা সচ্ছলতা পায় কিন্তু সব সময় শান্তি পায় না। -জর্জ গ্রানভিল।


 


 


 


 


 


 


 


সেই ব্যক্তি শ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী সে স্বল্পাহারে সন্তুষ্ট থাকে, অল্প হাসে এবং লজ্জাস্থান ঢাকিবার উপযোগী বস্ত্রে পরিতুষ্ট।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
পুরাণবাজারে ট্রলার যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

মেঘনার পশ্চিমে শরিয়তপুর জেলার চরাঞ্চলের মানুষের সহজ যোগাযোগের পথ হচ্ছে নদী পথ। তাদের একমাত্র বাহন নৌকা বা ট্রলার। চরাঞ্চলের মানুষের আগমনে কর্মচঞ্চল হয়ে উঠে চাঁদপুর নদী বন্দর। প্রতিদিন চরের অগণিত মানুষ চাঁদপুর শহরে আসা যাওয়া করে। কিন্তু তাদের দুর্ভোগ ও দুর্দশার খবর কেউ রাখে না। পুরাণবাজারের মদিনা মসজিদের ট্রলার ঘাটে নেই কোনো যাত্রী ছাউনি কিংবা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে টয়লেটের ব্যবস্থা। সেখানে নেই কোনো সিঁড়ি। শহর রক্ষা বাঁধের ওপর বিছানো পানি উন্নয়ন বোর্ডের আরসিসি বস্নক ডিঙ্গিয়ে ট্রলারে উঠা নামা করছে চরের ট্রলার যাত্রীরা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে ট্রলারে উঠতে বা নামতে গিয়ে প্রায় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা।

তারাবুনিয়া মাস্টার ঘাটের ট্রলার মাঝি আঃ খালেক (৬০) জানান, এখান দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩০টি চরাঞ্চলের ট্রলার ভিড়ে এবং ছেড়ে যায়। শত শত যাত্রীদের সমস্যা একটি সিঁড়ি এবং টয়লেট ব্যবস্থা না থাকা। আমরা ব্যবসায়ী নেতাদের এবং পৌর মেয়রের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

ট্রলার ঘাটের দোকানী বিল্লাল (৪০) জানান, প্রতিদিন প্রচুর মানুষ চর এলাকা থেকে শহরে আসলেও তাদের দুঃখ দুর্দশার নিয়ে কেউ কিছু করছে না। বস্নকের ওপর দিয়ে নামতে গিয়ে নারী পুরুষ এবং শিশুরা পড়ে যাচ্ছে। এমন দিন নাই দুই একজন পড়ে না। জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি কর্তৃপক্ষের দেখা উচিত।

সচেতন মহলের মতে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে এখানে একটি সিঁড়ি এবং পাবলিক টয়লেট পৌরসভা অথবা চেম্বার থেকে নির্মাণ খুবই জরুরি।

এই পাতার আরো খবর -
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৩৯,৩৩২ ২,৯২,০১,৬৮৫
সুস্থ ২,৪৩,১৫৫ ২,১০,৩৫,৯২৬
মৃত্যু ৪,৭৫৯ ৯,২৮,৬৮৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৫৯৯৩৭
পুরোন সংখ্যা