ঢাকা। শুক্রবার ১১ জানুয়ারি ২০১৯। ২৮ পৌষ ১৪২৫। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • শাহরাস্তিতে ডাকাতি মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত। || 
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী

২৭। আকাশম-লী ও পৃথিবীর আধিপত্য আল্লাহরই, যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হইবে সেদিন মিথ্যাশ্রয়ীরা হইবে ক্ষতিগ্রস্ত,

 


assets/data_files/web

যে তার দেশকে ভালোবাসতে পারে না, কিছুই সে ভালোবাসতে পারে না। -বায়রন।


 


নিশ্চয় আল্লাহ অত্যাচারীকে শাস্তি প্রদান করেন।...কোন দেশ যখন অত্যাচারী হয়, তোমার প্রভু তাকে শাস্তি প্রদান করেন, তার শাস্তি অতীব ভীষণ।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ঐতিহাসিক দিনে চাঁদপুর ইতিহাস হয়ে রইলো
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাঙালি জাতির জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এদিন স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পবিত্র মাটিতে বীরের বেশে পা রাখেন। তাই ১০ জানুয়ারি হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। আর এ ঐতিহাসিক দিনেই অর্থাৎ ১০ জানুয়ারি, ২০১৯ খ্রিঃ দিনটিতে চাঁদপুর একটি ইতিহাস রচনা করলো। সে ইতিহাসটি হচ্ছে-বহু কাঙ্ক্ষিত ও প্রত্যাশিত স্বপ্নের চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা।



গতকাল ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ঐতিহাসিক দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এক পরীক্ষিত সৈনিক, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত প্রিয় এবং আস্থাভাজন শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির হাত দিয়েই চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের যাত্রা শুরু হলো। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এ মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে ১ম বর্ষ এমবিবিএস কোর্সের শিক্ষার্থীদের পরিচিতি ও ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি। তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যের পাশাপাশি মেডিকেল কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রত্যেককে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।



চাঁদপুর জেলাবাসীর লালিত স্বপ্ন ছিলো চাঁদপুরে একটি মেডিকেল কলেজ করার। সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন হলো আধুনিক ও স্বপ্নের চাঁদপুর গড়ার কারিগর স্থানীয় সংসদ সদস্য শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়। তাঁর এ প্রচেষ্টাটি বাস্তবায়ন হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি এবং বদান্যতায়। তাই বাংলাদেশের ইতিহাসে চাঁদপুর যতদিন থাকবে, ততদিন ২০১৯ সালের ১০ জানুয়ারি দিনটি চাঁদপুরের ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য একটি জায়গায় থাকবে। জাতীয় জীবনের ঐতিহাসিক এ দিনটিতে চাঁদপুর ইতিহাসের অংশ হয়ে রইলো।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৩১৮৪৯
পুরোন সংখ্যা