ঢাকা। শুক্রবার ১১ জানুয়ারি ২০১৯। ২৮ পৌষ ১৪২৫। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী

২৭। আকাশম-লী ও পৃথিবীর আধিপত্য আল্লাহরই, যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হইবে সেদিন মিথ্যাশ্রয়ীরা হইবে ক্ষতিগ্রস্ত,

 


assets/data_files/web

মনের যাতনা দেহের যাতনার চেয়ে বেশি। -উইলিয়াম হ্যাজলিট।


 


দয়া ঈমানের প্রমাণ; যার দয়া নেই তার ঈমান নেই।


 


ফটো গ্যালারি
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় ফুলে ফুলে সিক্ত শিক্ষামন্ত্রী
সকলের ভালোবাসা আর দোয়া নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয়কেও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই
শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি
বিমল চৌধুরী
১১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রর্তাবর্তন উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ১০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ দীপু মনি এমপি। তিনি বলেন, আজ ১০ জানুয়ারি। এদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। দীর্ঘ ৯ মাস আমরা রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করলেও আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধু ছিলেন পাকিস্তান কারাগারে। সেদিন পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধুকে রেখে আমরা স্বাধীনতার স্বাদ পাইনি। আমরা প্রকৃত অর্থে স্বাধীনতা পেয়েছি ১০ জানুযারি। তিনি এদিন দেশে ফিরে এসেছেন। যদি তিনি সেদিন দেশে ফিরে না আসতেন, তাহলে হয়তো বাংলার ইতিহাস ভিন্নভাবে রচিত হতে পারতো। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটা জাতিকে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। তিনি সাড়ে ৩ বছরের শাসনামলে যেভাবে একটি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, যা কোন রাষ্ট্রপ্রধানের দ্বারা কখনো সম্ভব হয়নি। অথচ দুঃখের বিষয়, যে কাজটি পাকিস্তানী বাহিনী করার সাহস পায়নি, সেই কাজই করেছে এদেশের পাকিস্তানী প্রেতাত্মারা। তারা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে। তাদের লক্ষ্য ছিল জাতির জনক বেঁচে থাকলে বা তার পরিবারের কেউ বেঁচে থাকলে এদেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। কিন্তু ভাগ্যের জোরে বেঁচে যান তাঁরই সুযোগ্য সন্তান জননেত্রী শেখ হাসিনা আর তাঁর বোন শেখ রেহানা। ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেন। শুরু হয় তাঁর সংগ্রাম। প্রতি পদে পদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁকে এগিয়ে যেতে হয়। দীর্ঘ ৩৮ বছরের সংগ্রামের ফলে আজকের এই বাংলাদেশ। যেই বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন জাতির জনক, সেই বংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে আজ দেশ। তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানিয়ে আরো বলেন, আপনারা চতুর্থবারের মতো উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে নৌকাকে বিজয়ী করেছেন। আপনাদের দোয়ায় চতুর্থবারের মতো শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। জনগণের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যেই তিনি কাজ করে যাবেন এটাই প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য। তিনি জনমনে প্রশ্ন রেখে বলেন, এবার যদি রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে চলমান গতি বাধাগ্রস্ত হতো, তাহলে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতার কী অবস্থা হতো তা সকলেরই জানা আছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নির্বাচনকালীন যে ইশতাহারে ঘোষণা করেছে তা পূরণে প্রধানমন্ত্রী সচেষ্ট রয়েছেন। আওয়ামী লীগ কথা দিয়ে কথা রাখে। তার প্রমাণ আপনারা নিশ্চয়ই পেয়েছেন। তিনি চাঁদপুরবাসীর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আরো বলেন, আমি আপনাদের নিকট কৃতজ্ঞ, আপনারা ৩য় বারের মতো আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন, যে মন্ত্রণালয়ে রয়েছে হাজার হাজার শিক্ষক আর হাজার হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আমরা যদি শতভাগ শিক্ষা অর্জন করতে না পারি, তাহলে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হবে। আপনারা দোয়া করবেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো যেনো শিক্ষা মন্ত্রণালয়কেও উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। তিনি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে সকলের দোয়া কামনা করেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব নাছির উদ্দিন আহম্মদের সভাপ্রধানে আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মাদ শামসুল হক ভূঁইয়া। জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী ও সাহির হোসেন পাটওয়ারীর যৌথ পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইউছুফ গাজী, সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ সর্দার, সন্তোষ কুমার দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডঃ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক অজয় কুমার ভৌমিক, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপিকা মাসুদা নূর খান, জেলা শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহবুবুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক এস এম জয়নাল আবেদীন, জেলা যুবলীগ সদস্য আব্দুল হান্নান সবুজ, জেলা যুব মহিলালীগের সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর ফরিদা ইলিয়াছ, সাধারণ সম্পাদক ফারজানা পাটওয়ারী রুমা, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ করিম বাবু প্রমুখ।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৩৩৮১১
পুরোন সংখ্যা