ঢাকা। শনিবার ১৯ জানুয়ারি ২০১৯। ৬ মাঘ ১৪২৫। ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫১-সূরা সূরা তূর

৪৯ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৯। ‘তোমরা যাহা করিতে তাহার প্রতিফল স্বরূপ তোমরা তৃপ্তির সহিত পানাহার করিতে থাক।’

২০। তাহারা বসিবে শ্রেণীবদ্ধভাবে সজ্জিত আসনে হেলান দিয়া; আমি তাহাদের মিলন ঘটাইব আয়তলোচনা হূূরের সংগে;


assets/data_files/web

জাতীয় সংসদ আদর্শ লোকজনের এক বিরাট সমাবেশ ব্যতীত আর কিছু নয়।

 -ওয়াল্টার বেজইট।


দুষ্কর্মের প্রকৃত অনুতাপকারী এবং যে কখনো দুষ্কর্ম করেনি-এদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।


ফটো গ্যালারি
ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কৌশল বিষয়ক কর্মশালা
শুধু জেলেদের ধরলেই হবে না, কারেন্টজাল উৎপাদন বন্ধ করতে হবে
শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি
মিজানুর রহমান
১৯ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ইউএসএআইডি'র অর্থায়নে পরিচালিত ইকোফিশ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগিতায় বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং ওয়ার্ল্ডফিশ-এর আয়োজনে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কৌশল বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ১৮ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ দীপু মনি এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ রইছ-উল আলম ম-ল, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু সাইদ মোঃ রাশেদুল হক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর মহাপরিচালক ড. মোঃ ইয়াহিয়া মাহমুদ, ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মেলকন ডিকসন।



ইকোফিশ বাংলাদেশ প্রকল্পের টিম লিডার ড. আব্দুল ওহাবের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইকোফিশ বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মাসুদ আরা মমি। আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ জামাল হোসেন।



প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেন, আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্যখাত খুবই গুরুত্ব বহন করে। দেশ এখন মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৎস্য বান্ধবনীতি ও কার্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে আমাদের জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সাফল্য ধরে রাখতে হবে।



তিনি আরও বলেন, মা ইলিশ বা জাটকা নিধনের অপরাধে শুধু আমার জেলে ভাইদের ধরলেই হবে না, এর প্রধানতম হাতিয়ার কারেন্টজালের মূল উৎপাদন বন্ধ করতে হবে। কারেন্টজাল উৎপাদনকারীদেরও আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আমি আশাকরি সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের জাতীয় সম্পদ ইলিশ মাছ রক্ষা হবে।



কর্মশালায় ইলিশ গবেষকগণ তাঁদের বক্তব্যে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে গৃহীত কার্যক্রমের ফলাফল এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে প্রস্তাব করেন।



কর্মশালায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, ইলিশ গবেষণার সাথে সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গবেষক এবং জেলে ও মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৩০৭৪৩
পুরোন সংখ্যা