চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৯ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪০
jibon dip
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৩২। উহারাই বিরত থাকে গুরুতর পাপ ও অশ্লীল কার্য হইতে, ছোটখাট অপরাধ করিলেও। তোমার প্রতিপালকের ক্ষমা অপরিসীম ; আল্লাহ তোমাদের সম্পর্কে সম্যক অবগত, যখন তিনি তোমাদিগকে সৃষ্টি করিয়াছিলেন মৃত্তিকা হইতে এবং যখন তোমরা মাতৃগর্ভে ভ্রূণরূপে ছিলে। অতএব তোমরা আত্ম-প্রশংসা করিও না, তিনিই সম্যক জানেন মুত্তাকী কে।


 


assets/data_files/web

মনের যাতনা দেহের যাতনার চেয়ে বেশি। -উইলিয়াম হ্যাজলিট।


 


ন্যায়পরায়ণ বিজ্ঞ নরপতি আল্লাহর শ্রেষ্ঠ দান এবং অসৎ মূর্খ নরপতি তার নিকৃষ্ট দান।


 


ফটো গ্যালারি
একুশে বইমেলায় 'আমি রবো তোমাদের মাঝে' কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও লেখক পরিচিতি
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চাঁদপুরে অমর একুশে বইমেলায় কবি হাজেরা বেগম শিউলীর 'আমি রবো তোমাদের মাঝে' কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান ও লেখক পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।



গতকাল ২০ ফেব্রুয়ারি বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় চাঁদপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে চলমান ৫ দিনব্যাপী বইমেলার ৩য় দিনে হাজেরা বেগম শিউলির 'আমি রবো তোমাদের মাঝে' কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়। চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব নাছির আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ মাজেদুর রহমান খান। তিনি প্রথমেই এই অনুষ্ঠানে সমবেত লেখকবৃন্দসহ সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, লেখকদের এরকম মিলনমেলা হওয়া দরকার। তাহলেই লেখক ও পাঠকদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সৃষ্টি হবে, নতুন লেখকরা গ্রন্থ তৈরি করতে আরও আগ্রহী হয়ে উঠবে। আজকে হাজেরা বেগম শিউলির কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চাঁদপুরের অমর একুশে বইমেলা যেনো মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। আগামীতে এই বইমেলা চাঁদপুরে আরও ব্যাপক পরিসরে করা হবে। সেখানেও চাঁদপুরের নতুন-পুরাতন লেখকদেরকে মূল্যায়ন করা হবে। আমরা এমন লেখকদেরকে সমাজে দেখতে চাই। তাই এ ধরনের লেখকদের আমাদের অনেক প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, লেখক হাজেরা বেগম শিউলীর কারণে আজকে এই লেখকদের পরিচিত সভা হয়েছে। তাই তাঁকেসহ পরিবারের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।



বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোঃ জিহাদুল কবির বিবিএম পিপিএম বলেন, বর্তমানে আমাদের সমাজে পাঠকের ভয়ঙ্কর সঙ্কট রয়েছে। লেখক থাকলে পাঠকের চাহিদা খুবই নগন্য। তাই আমরা এ ধরনের বইমেলার মাধ্যমে লেখক ও পাঠকদের মধ্যে আরও সম্পর্ক সৃষ্টি করতে চাই। নতুন লেখকদেরকে একুশে বইমেলার মাধ্যমে মূল্যায়ন করলে আমরা হয়তো আরও নতুন গ্রন্থ দেখতে পেতাম। তাই আগামীতে প্রবীণ-নবীন লেখকদের একত্রিত করে চাঁদপুরে ভালোমানের বইমেলা করা হবে। আর সেই মেলায় ওইসব লেখকের গ্রন্থগুলোই প্রাধান্য দেয়া প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. এএসএম দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।



অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করেন বিশিষ্ট কবি, লেখক ও ছড়াকার ডাঃ পীযূষ কান্তি বড়ুয়া, ফরাক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. হাছান খান, সাংবাদিক ও লেখক কাদের পলাশ, আশিক বিন রহিম, শিক্ষক ও লেখক মাঈনুল ইসলাম মানিক, রফিকুজ্জামান রনি, শাহমুব জুয়েল। অনুষ্ঠানে হাজেরা বেগম শিউলিকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন অতিথিবৃন্দ।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৫২০৯৩
পুরোন সংখ্যা