চাঁদপুর, শুক্রবার ১৫ মার্চ ২০১৯, ১ চৈত্র ১৪২৫, ৭ রজব ১৪৪০
jibon dip
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩৩। তুমি কি দেখিয়াছ সেই ব্যক্তিকে যে মুখ ফিরাইয়া লয় ;


৩৪। এবং দান করে সামান্যই, পরে বন্ধ করিয়া দেয়?


৩৫। তাহার কি অদৃশ্যের জ্ঞান আছে যে, সে প্রত্যক্ষ করে?


 


 


assets/data_files/web

মনের যাতনা দেহের যাতনার চেয়ে বেশি। -উইলিয়াম হ্যাজলিট।


 


বিদ্যা শিক্ষার্থীগণ বেহেশতের ফেরেশতাগণ কর্তৃক অভিনন্দিত হবেন।


 


 


ফটো গ্যালারি
মুঠোফোনে বিদ্যুৎ বিল ও গ্যাস সিলিন্ডার পরীক্ষার নামে প্রতারক চক্রের আবির্ভাব
কামরুজ্জামান টুটুল
১৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

বিদ্যুৎ বিল পরীক্ষার নামে মুঠোফোন হাতিয়ে নেয়াসহ বাসা-বাড়িতে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার পরীক্ষা করার নামে এক ধরনের প্রতারক চক্রের আবির্ভাব ঘটেছে হাজীগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে। গত তিনদিনে কমপক্ষে ২টি ঘটনা ঘটেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রবাসী পরিবারগুলো দেখে মোটরসাইকেলযোগে ২/১ জনের দল গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে যায়। তারা গ্রাহকদের এ কথা বলে যে, বিদ্যুৎ বিলে সমস্যা হয়েছে, চেক করতে হবে। আর এজন্যে বিদ্যুৎ অফিসে দেয়া নাম্বারের মোবাইলটি চায় ওই চক্র। সরল বিশ্বাসে গৃহবধূ আগন্তুকের কাছে ফোনটি দিলে সে ফোনটি নিয়ে কৌশলে সটকে পড়ে চক্রটি।

একইভাবে 'বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার ঠিক আছে কী না তা পরীক্ষার জন্যে এসেছি' এমন কথা বলে আরেকটি প্রতারক চক্র মাঠে সক্রিয় রয়েছে। এক্ষেত্রে অবশ্য তেমন একটি সুবিধা করতে পারছে না চক্রটি।

উপজেলার শাকছিপাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক মিয়া চাঁদপুর কণ্ঠকে জানান, গত বুধবার প্রতারক চক্রটি আমার মেয়ের কাছে গিয়ে কারেন্ট বিল চেক করার কথা বলে তার ফোনটি চায়। মেয়ে সরল বিশ্বাসে ফোনটি দিলে সেই যুবক ফোনটি নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে থানায় জিডি করতে চাইলে জামাতা প্রবাস থেকে নিষেধ করায় আর জিডি করিনি।

গ্যাস সিলিন্ডার চেকিংয়ের বিষয়ে সাবেক এ ইউপি সদস্য বলেন, গত ক'দিন আগে আমাদের গ্রামে এ রকম একটি গ্রুপ এসেছিলো। কিন্তু তাদেরকে কেউ বিশ্বাস না করায় তারা ভেগেছে বলে এলাকার কয়েকজন আমাকে জানিয়েছে।

এদিকে উপজেলার ৭নং বড়কুল ইউনিয়নের প্রতাপপুর খান বাড়িতে এসে বিদ্যুৎ চেক করার নামে এক গৃহবধূর কাছে মুঠোফোন চায়। তখন ওই গৃহবধূ তার ব্যবহৃত ছোট ফোনটি দিলে এটিতে হবে না বলে ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় চক্রটি। এরপরে একই চক্রটি পাশের সাদ্রা গ্রামের জনৈক প্রবাসী স্ত্রীর ফোন বিল চেক করার নাম করে এন্ড্রয়েড ফোনটি নিয়ে চক্রটি পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।

এ বিষয়ে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১-এর জেনারেল ম্যানেজার কেফায়েত উল্লাহ চাঁদপুর কণ্ঠকে জানান, গ্রাহকের মুঠোফোনে বিল চেক করবে বা মুঠোফোনে বিল চেক করার কোনো টিম আমাদের কখনো ছিলো না কিংবা এখনো নেই। এ বিষয়ে আমরা গ্রাহকের সুবিধার্থে মাইকিং করার ব্যবস্থা নিচ্ছি।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন রনি জানান, এমন প্রতারক চক্রের কাউকে ধরতে পারলে আমাদেরকে জানালে আমরা তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। এ চক্র ধরতে আমরা সক্রিয় রয়েছি।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১৯২৬০৩
পুরোন সংখ্যা