চাঁদপুর, শুক্রবার ২২ মার্চ ২০১৯, ৮ চৈত্র ১৪২৫, ১৪ রজব ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৯-সূরা হাশ্র


২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


২। তিনিই কিতাবীদের মধ্যে যাহারা কাফির তাহাদিগকে প্রথম সমবেতভাবে তাহাদের আবাসভূমি হইতে বিতাড়িত করিয়াছিলেন। তোমরা কল্পনাও কর নাই যে, উহারা নির্বাসিত হইবে এবং উহারা মনে করিয়াছিল উহাদের দুর্গগুলি উহাদিগকে রক্ষা করিবে আল্লাহ হইতে; কিন্তু আল্লাহর শাস্তি এমন এক দিক হইতে আসিল যাহা ছিল উহাদের ধারণাতীত এবং উহাদের অন্তরে তাহা ত্রাসের সঞ্চার করিল। উহারা ধ্বংস করিয়া ফেলিল নিজেদের বাড়ি-ঘর নিজেদের হাতে এবং মুমিনদের হাতেও; অতএব হে চক্ষুষ্মান ব্যক্তিগণ! তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।


 


 


assets/data_files/web

ভালোবাসা মানুষকে শিল্পী করতে পারে কিন্তু প্রাচুর্য বাধার সৃষ্টি করে।


-ওয়াশিংটন অলস্টন।


 


 


কৃপণতা একটি ধ্বংসকারী স্বভাব, ইহা মানুষকে দুনিয়া এবং আখেরাতের উভয় লোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।


 


 


ফটো গ্যালারি
পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ফরিদগঞ্জে কে হচ্ছেন চেয়ারম্যান?
এবারও কি ৯?
ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি
২২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


১৯৮৫ সালে শুরু হয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। ৯০-তে এসে থমকে দাঁড়ায়। প্রায় দুই দশক বন্ধ থাকার পর পুনরায় ২০০৯ সালে শুরু হয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এবার কে হচ্ছেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান? এবারও কি '৯' সংখ্যাটির ঘরে থেকে যাবে ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যন পদটি?



সংখ্যাতত্ত্বে ৭-কে বলা হয়ে থাকে লাকি আর ১৩-কে বলা হয় আনলাকি। তাহলে ৯? ৯-এর নির্দিষ্ট কোনো নাম না থাকলেও ফরিদগঞ্জবাসী ৯ বলতে গোবিন্দপুরকে বুঝে। ফরিদগঞ্জে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কিছু সংখ্যা বার বার ঘুরে-ফিরে আসছে। তেমনই একটি সংখ্যা '৯'। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একাধিকবার ৯নং উত্তর গোবিন্দপুর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আসছে। এ পর্যন্ত ৪ বারের মধ্যে ২ বারই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে এই ৯ নম্বর ইউনিয়ন থেকে। অলৌকিক কিছু না ঘটলে এবারও এই '৯' থেকেই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। তিনি হলেন অ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম রোমান। যদিও ফরিদগঞ্জ পৌরসভা গঠনের পর ৯নং গোবিন্দপুরের কিছু অংশ পৌরসভার আওতায় চলে আসে। সব ঠিকঠাক থাকলে ৫-এ ৩ হবে। সেটা দুইদিক থেকেই মিল পাওয়া যাবে। যদি বলা হয়, ৯ অথবা ১৩ অথবা পৌরসভা_সবই সঠিক। সাবেক ১৩নং ফরিদগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নকে পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তা সকলেরই জানা আছে। মোট কথা, যদি অলৌকিক কিছু না ঘটে, তাহলে ৫ বার অনুষ্ঠিত হওয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ৩ টার্মেই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে চলেছে ৯নং গোবিন্দপুর ইউনিয়ন থেকে (সাবেক ৯নং ইউনিয়নের অধিবাসী হিসেবে)। ফরিদগঞ্জ পৌরসভা (সাবকে ১৩নং ফরিদগঞ্জ উত্তর ইউনিয়ন) গঠনের পর ৯নং গোবিন্দপুর ইউনিয়নের যে অংশটি পৌরসভার আওতায় চলে আসে, সেটি পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড।



৫টি নির্বাচনের ২টি হয়েছে ২৫ তারিখে, ২টি হয়েছে ২৪ তারিখে (১টি সম্পন্ন হতে যাচ্ছে), ১টি হয়েছে ১৯ তারিখে, বাকিটা ১৩ তারিখে। ১ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সাবেক ১৩নং ফরিদগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের (বর্তমানে ফরিদগঞ্জ পৌরসভা) আব্দুল মতিন। তিনি ১৯৮৫ সালের এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী। তাঁর মেয়াদ শেষ হয় ১৯৯০ সালের ২৪ এপ্রিল। একই বছরের ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় ২য় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচনেও জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন তৎকালীন ৯নং গোবিন্দপুর ইউনিয়নের (বর্তমানে পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড) মাহাবুবুল বাশার পাটোয়ারী। যিনি কালু পাটোয়ারী নামে উপজেলায় অধিক পরিচিত। ১৯৯০ সালের ১৯ নভেম্বর তাঁর মেয়াদকাল শেষ হয়। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বন্ধ থাকে। ২০০৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ৩য় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ১৫নং রূপসা উত্তর ইউনিয়নের বিএনপির প্রার্থী মোঃ মোজাম্মেল। তার মেয়াদকাল শেষ হয় ২০১৪ সালের ১৩ এপ্রিল। ২০১৪ সালের ১৩ এপ্রিল ৪র্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে ৯নং গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ প্রার্থী আবু সাহেদ সরকার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালের ২৪ মার্চ ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ না থাকায় এবং অলৌকিক কিছু না ঘটলে বলা যায় ২৪ মার্চ চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হচ্ছেন আওয়ামীলীগ প্রার্থী অ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম রোমান। তিনি বর্তমানে পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হলেও এ অংশটি একসময় ৯নং গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের অধীনেই ছিল।



ভৌগোলিক অবস্থার পরিবর্তন না হলে উপজেলাবাসী ৫ জন চেয়ারম্যানের মধ্যে ৩ জনই দেখলো ৯নং ইউনিয়েনের। ভৌগোলিক অবস্থার পরিবর্তনের ফলে পৌরসভা পেলো ৩ জন চেয়ারম্যান। এর মধ্যে ৯নং ওয়ার্ডেরই ২ জন। মোটের ওপর '৯' সংখ্যাটি পেলো ৪ জন চেয়ারম্যান। আরেকটা অন্তঃমিল হলো-সব চেয়ারম্যানই কিন্তু উত্তরের। এ যেন 'দক্ষিণে না যাওয়াই মঙ্গল'। মঙ্গল আর অমঙ্গল যাই হোক অন্তত পৌরবাসীর মনে একটা কষ্ট রয়েছে। সেটা হলো, এখন পর্যন্ত উপজেলা সদর থেকে কোনো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হননি। সেখানেও দক্ষিণ থেকে উত্তরই অনেক এগিয়ে। সর্বপ্রথম দক্ষিণ হলেও সর্বশেষ কিন্তু উত্তর।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯৬৬০
পুরোন সংখ্যা