চাঁদপুর, মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ৩ বৈশাখ ১৪২৬, ৯ শাবান ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৮-সূরা ফাত্হ্

২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী

২৬। যখন কাফিররা তাহাদের অন্তরে পোষণ করিতো গোত্রীয় অহমিকা-অজ্ঞতার যুগের অহমিকা, তখন আল্লাহ তাঁহার রাসূল ও মু’মিনদিগকে স্বীয় প্রশান্তি দান করিলেন; আর তাহাদিগকে তাকওয়ার বাক্যে সুদৃঢ় করিলেন, এবং তাহারাই ছিলো ইহার অধিকতর যোগ্য ও উপযুক্ত। আল্লাহ সমস্ত বিষয়ে সম্যক জ্ঞান রাখেন।











 


assets/data_files/web

যে-লোক তার সুযোগ হারায় সে নিজেকে হারায়।      


-জি. মরু।


নফস্কে দমন করাই সর্বপ্রথম জেহাদ।


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুর জেলা পুলিশে ড্রোন সংযোজন
সর্বাত্মক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের কাজটি হবে সহজতর
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার যুগে ড্রোন হচ্ছে একটি সর্বাধুনিক সংযোজন। মানুষ ছাড়াই চলতে পারে এমন ছোট-বড় আকাশযানকেই বলা হয় ড্রোন। ভূমি থেকে উড্ডয়ন করে নির্দিষ্ট এলাকায় বিচরণ এবং প্রয়োজনীয় ভিডিও ও ছবি ধারণের পর আবার ভূমিতে নেমে আসার ক্ষেত্রে ড্রোনকে নিয়ন্ত্রণ করে এক ব্যক্তি। ড্রোন মূলত যুদ্ধকালীন কিংবা সবসময় আকাশসীমা পাহারা দেয়া, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, ছোট-বড় অনুষ্ঠানসহ যে কোনো কার্যক্রমের পূর্বাপর ও তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জঙ্গি তৎপরতাসহ যে কোনো অপতৎপরতা পর্যবেক্ষণে সমকালীন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর উপকরণ। এই ড্রোনই অতি সম্প্রতি জেলা পুলিশে সংযোজিত হয়েছে বলে গত ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষের এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের অবহিত করেছেন পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির বিপিএম পিপিএম। এতে চাঁদপুর জেলায় যে কোনো ব্যাপারে সর্বাত্মক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের কাজটি পূর্বের চেয়ে সহজ হবে বলে তিনি মনে করেন।



এদিকে বাস্তবেও ড্রোনটি ব্যবহার করতে দেখা গেছে জেলা পুলিশকে। গত ১৪ এপ্রিল প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত বর্ষবরণ উৎসবের মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরুর পূর্বে হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ড্রোনটি ব্যবহার করা হয়। আবার দেখা গেছে যে, ডাকাতিয়ার তীরে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান চলাকালীনেও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।



পুলিশ সুপার জানান, সরকারের তরফ থেকে এই ড্রোনটি জেলা পুলিশকে প্রদান করা হয়নি। একজন মহানুভব ব্যক্তি এটি ব্যক্তিগত অনুদান হিসেবে প্রদান করেছেন। এই ড্রোনটিকে যে স্থান থেকেই উড্ডয়ন করা হোক না কেনো, এটি চতুর্দিকে চার কিলোমিটার পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ, ভিডিও ও ছবি ধারণের ক্ষমতা রাখে। এটির ক্যামেরা অত্যাধুনিক, শক্তিশালী ও নিখুঁত ছবি ধারণে পারঙ্গম। যখন এই ড্রোনটি ছিলো না, তখন সন্দেহভাজন একটি বাড়ির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্যে একবার একটি ড্রোন ভাড়া আনতে জেলা পুলিশের পনের হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছিলো। এখন সন্দেহভাজন যে কোনো কিছু পর্যবেক্ষণে আর ড্রোন ভাড়া করা লাগবে না, প্রয়োজন উদ্ভব হলেই জেলা পুলিশ নিজস্ব ড্রোন ব্যবহার করবে এবং অতি দ্রুত অনিবার্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে।



পুলিশ সুপার জানান, জেলা পুলিশের এখন এক সেট উন্নতমানের ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা রয়েছে, যা দিয়ে যে কোনো অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, বিশেষ করে অপতৎপরতার উদ্দেশ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পর্যবেক্ষণ ও বাধা প্রদান সহজতর হয়েছে।



পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পুরো চাঁদপুর শহরকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার পরিকল্পনা মনে পোষণ করছেন। কিন্তু এ খাতে সরকারের পক্ষ থেকে আপাতত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রাপ্তির সম্ভাবনা নেই। তবে ধনাঢ্য বা সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত অনুদান এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজটিকে সহজতর করতে পারবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১০০৩৭১৬
পুরোন সংখ্যা