চাঁদপুর, শুক্রবার ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ৬ বৈশাখ ১৪২৬, ১২ শাবান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৮-সূরা ফাত্হ্

২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী



২৯। মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল; তাহার সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাহাদিগকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখিবে। তাহাদের লক্ষ্মণ তাহাদের মুখম-লে সিজদার প্রভাবে পরিস্ফুট থাকিবে; তওরাতে তাহাদের বর্ণনা এইরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাহাদের বর্ণনা এইরূপই। তাহাদের দৃষ্টান্ত একটি চারাগাছ, যাহা হইতে নির্গত হয় কিশলয়, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কা-ের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যাহা চাষীর জন্য আনন্দদায়ক। এইভাবে আল্লাহ মু’মিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা কাফিরদের অন্তজর্¦ালা সৃষ্টি করেন। যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাহাগিদকে প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।









 


যে-লোক তার সুযোগ হারায় সে নিজেকে হারায়।      


-জি. মরু।


মানবতাই মানুষের শ্রেষ্ঠতম গুণ।













 


ফটো গ্যালারি
প্রধানমন্ত্রীর উপহার অযত্নে অবহেলায়
১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে চাঁদপুরের জন্যে দেয়া উপহার 'নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি' অযত্নে অবহেলায় পড়ে আছে। এটিও কি পূর্বেরটির ন্যায় ভাগ্যবরণ করতে হয় কি না সেটিই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি প্রায় ৮/৯ মাস আগে চাঁদপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের জন্যে দেয়া হয়। কিন্তু সদর উপজেলার যেহেতু পৃথক কোনো হাসপাতাল নেই, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালটিই যেহেতু সদর উপজেলাসহ পুরো জেলার সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে, তাই এ হাসপাতালের জন্যেই এটি প্রযোজ্য। কারণ, হাইমচরসহ চাঁদপুর সদরের রাজরাজেশ্বর ও ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নসহ চরাঞ্চলের রোগীদের মেঘনা পাড়ি দিয়ে জেলা সদর হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্যে আনা-নেয়ার ক্ষেত্রে এ অ্যাম্বুলেন্সটি কাজে লাগবে। এ চিন্তা থেকেই চাঁদপুরের সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ একেএম মাহবুবুর রহমান ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি লিখেন। এ চিঠির আলোকে কর্তৃপক্ষ থেকে বলা হয়, স্থানীয় এমপি শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি যেহেতু এটি বরাদ্দ এনেছেন, তাই এটির পরিবর্তন করতে হলে তাঁর পরামর্শ মতেই করতে হবে। এখন শিক্ষামন্ত্রীর মতামত প্রেরণের অপেক্ষায় আছে। এছাড়া আরো একটি সমস্যা হচ্ছে, এটির জন্যে চালক দেয়া হয়নি। নৌ অ্যাম্বুলেন্স চালনায় অভিজ্ঞতা আছে এমন চালক ছাড়া অন্যরা এটি চালাতে পারবে না। এ দুটি সমস্যার কারণে অ্যাম্বুলেন্সটি এখন ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাঃ একেএম মাহবুবুর রহমান এবং সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাজেদা বেগম পলিন এ তথ্য জানান। এদিকে এ নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি এখন চাঁদপুর শহরের মুখার্জীঘাট এলাকায় ডাকাতিয়ার পাড়ে অনেকটা অযত্নে অবহেলায় পড়ে আছে। এখানে এ অবস্থায় আছে প্রায় ৬/৭ মাস। এ বিষয়ে সিভিল সার্জনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, আমরা এটিকে নৌ ফায়ার সার্ভিস জেটিতে রাখার জন্যে বলেছিলাম, কিন্তু তারা অনেকটা অনীহা প্রকাশ করেছে। ছবি ও প্রতিবেদন : সাইফুল আজম।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১০০৪১২৩
পুরোন সংখ্যা