চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০১৯, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১০ রমজান ১৪৪০
jibon dip
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৩৯। আর এই যে, মানুষ তাহাই পায় যাহা সে করে,


৪০। আর এই যে, তাহার কর্ম অচিরেই দেখান হইবে


৪১। অতঃপর তাহাকে দেওয়া হইবে পূর্ণ প্রতিদান,


৪২। আর এই যে, সমস্ত কিছুর সমাপ্তি তো তোমার প্রতিপালকের নিকট,


 


 


assets/data_files/web

ভালোবাসার ক্ষেত্রে সেই জ্ঞানী যে ভালোবাসা বেশি কিন্তু প্রকাশ করে কম। -জর্জ ডেভিডসন।


 


 


নিঃসন্দেহে তিন প্রকার লোকের দোয়া কবুল হয়। পিতার দোয়া, মোসাফিরের দোয়া এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।


 


 


ফটো গ্যালারি
কচুয়ায় ৭০ জরাজীর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান দুর্ঘটনা ঝুঁকিতে কয়েক হাজার শিশু শিক্ষার্থী
মোহাম্মদ মহিউদ্দিন
১৬ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কচুয়ায় ৭০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবনের ছাদের ভিম, দেয়াল ও মেঝেতে দেখা দিয়েছে ফাটল, খসে পড়ছে পলেস্তারা। ছাদের কিছু স্থানে পলেস্তরা খসে পড়ে রড বেরিয়ে গেছে। এছাড়াও ছাদে ও ওয়ালে রয়েছে বড় বড় ফাটল। কোনো কোনো বিদ্যালয়ের বারান্দার পিলারে দেখা দিয়েছে ফাটল। এমন ঝুঁকিপূর্ণভবনে ক্লাস করছে ছোট ছোট কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়ের ছাদ ধসে পড়ে প্রাণহানিসহ বড় কোনো দুর্ঘটনার আশংকা আর আতঙ্কে রয়েছে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ফলে ওই সকল ভবনে পাঠদান হয়ে পড়েছে চরম ঝুঁিকপূর্ণ।



শিক্ষাঅফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ১৭১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তন্মধ্যে ৩১টি ভবন অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হয়। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ওই তালিকা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়গুলো হচ্ছে : ৯৬ নং এন-ই-১ আশ্রাফপুর সপ্রাবি, ৯৭নং আশ্রাফপুর সপ্রাবি, ১০৬নং গোবিন্দপুর সপ্রাবি, ১৬৪নং হাতিরবন্দ সপ্রাবি, ১০৮নং দুর্গাপুর সপ্রাবি, ১১১নং নিন্দপুর সপ্রাবি, ১২৫নং মালচোয়া সপ্রাবি, ১১৬নং লইয়া মেহের সপ্রাবি, ১৫২নং খিলা মধ্যপাড়া সপ্রাবি, ১৬৩নং বড় ভবানীপুর সপ্রাবি, ১৩৮নং আয়মা সপ্রাবি, ১২৮নং খিড্ডা সপ্রাবি, ১৩৩নং কড়ইয়া উত্তর পাড়া সপ্রাবি, ১৫৬নং দক্ষিণ আশ্রাফপুর সপ্রাবি, ১৩৩নং কড়ইয়া উত্তর পাড়া সপ্রাবি, ১৪৩নং মধ্য সাদিপুরা সপ্রাবি, ১৪১নং পশ্চিম আকানিয়া সপ্রাবি, ১৪৬নং নলুয়া শিশু সদন সপ্রাবি, ১৪৪নং নলুয়া দৌলতপুর সপ্রাবি, ১৪২নং নলুয়া সপ্রাবি, ১১০নং পূর্ব মাঝিগাছা সপ্রাবি, ১১৫নং চানপাড়া সপ্রাবি, ১২২নং পশ্চিম আলীয়ারা সপ্রাবি, ১০৯নং চাংপুর সপ্রাবি, ১২০নং পূর্ব প্রসন্নকাপ সপ্রাবি, ১২৯নং জলা তেতৈয়া সপ্রাবি, ১৫৪নং শাহারপাড় সপ্রাবি, ১৩৯নং কাদলা সপ্রাবি ও ১২১নং পশ্চিম তুলপাই সপ্রাবি। তালিকাভুক্ত ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ছাড়া আরো অন্তত অর্ধশত জরাজীর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।



কচুয়া উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ বিদ্যালয় সম্পর্কে উপজেলা শিক্ষা অফিসার এএইচএম শাহরিয়ার রসুল জানান, উপজেলার ৭০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস নেয়া হচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেন। ভবনগুলোর তালিকা করে সেগুলো পুনঃনির্মাণ ও নতুন ভবনের জন্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও জরাজীর্ণ বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৯টি বিদ্যালয়ের প্রতিটিতে ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা করে এবং ২০টি বিদ্যালয়ের প্রতিটিতে ২ লাখ টাকা করে সরকারি বরাদ্ধ পাওয়া গেছে। বরাদ্ধ পাওয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর মেরামত কাজ শিগগিরই শুরু করা হবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৬৩৯৪৭
পুরোন সংখ্যা