চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০১৯, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১০ রমজান ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩১। আর জান্নাতকে নিকটস্থ করা হইবে মুক্তাকীদের-কোন দূরত্ব থাকিবে না।

৩২। ইহারই প্রতিশ্রুতি তোমাদিগকে দেওয়া হইয়াছিল-প্রত্যেক আল্লাহ-অভিমুখী, হিফাযতকারীর জন্য।

৩৩। যাহারা না দেখিয়া দয়াময় আল্লাহকে ভয় করে এবং বিনীত চিত্তে উপস্থিত হয়।


assets/data_files/web

প্রতিভাবান ব্যক্তিরাই ধৈর্য ধারণ করতে পারে। -ই. সি. স্টেডম্যান।


যে শিক্ষিত ব্যক্তিকে সম্মান করে, সে আমাকে সম্মান করে।


চাঁদপুরে ৪ মাসে ১৫৫ অগি্নদুর্ঘটনা
৯৫ ভাগ অগি্নকা-ের কারণ বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট : ফায়ার সার্ভিস
গোলাম মোস্তফা
১৬ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর জেলার ৮টি উপজেলায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ৪ মাসে ছোট বড় মিলিয়ে ১৫৫টি অগি্নকা-ের ঘটনা ঘটেছে। এ সকল অগি্নকা-ে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতি হয়েছে ১ কোটি ৩৬ হাজার টাকার। আর অগি্নকা-গুলোর ৯৫ ভাগ ঘটেছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে। এমন তথ্য পাওয়া গেছে জেলা ফায়ার সার্ভিস অফিস থেকে।

এই অফিসসূত্রে জানা যায়, জেলার ৮টি উপজেলায় জানুয়ারি মাসে মোট ২৭টি অগি্নকা- ঘটেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৭ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। ফেব্রুয়ারিতে ৪৩টি অগি্নকা- ঘটেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ২৩ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। মার্চ মাসে ঘটেছে ৪১টি অগি্নকা-। এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৪৬ লাখ ১১ হাজার টাকা। এপ্রিল মাসে ঘটেছে ৪৪টি অগি্নকা-। এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ২২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা।

জেলা ফায়ার সার্ভিসের অফিসার মোঃ মোবারক হোসেন জানান, বর্তমানে উল্লেখযোগ্য দুর্ঘটনার নাম অগি্নকা-। এটি এখন মহামারী আকারে ধারণ করছে। আগের তুলনায় প্রতিনিয়ত অগি্নকা-ের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি এ বিষয়ে জনগণের অসচেতনতাকেই দায়ী করছেন।

তিনি আরো বলেন, জেলায় গত ৪ মাসে যে পরিমাণ অগি্নকা- ঘটেছে তার ৯৫ ভাগ ঘটেছে শুধুমাত্র বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে। প্রতিটি অগি্নকা-ের যেখানে আমাদের সরাসরি উপস্থিতি রয়েছে সে সকল অগি্নকা-ের প্রাথমিক তদন্তে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের বিষয়টি বেশি উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, যেমন একটি বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে কয়টি বাল্ব, কয়টি ফ্যান, ফ্রিজ, এসি ইত্যাদি চালানো যাবে, সে বিষয়টি আমরা বিবেচনা না করে নিজেদের ইচ্ছেমত যত খুশি ইলেক্ট্রনিক পণ্য ব্যবহার করি। কিন্তু আমরা ওই তারটি কতটুকু লোড নিতে পারবে সে বিষয়টি কেউ বিবেচনা না করায় অনেক সময় অতিরিক্ত লোডের কারণে অগি্নকা- ঘটে। আবার বাজারে নিম্নমানের ইলেক্ট্রিক পণ্য বের হয়েছে, যা আমাদের দেশের জনগণ সস্তায় পেয়ে ব্যবহার করছে। নিম্নমানের এই ইলেক্ট্রিক পণ্য ব্যবহারের ফলেও অগি্নকা-ের ঘটনা ঘটে। এছাড়াও অনেক পুরানো বাসা বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যাজনিত কারণে এই অগি্নকা-ের ঘটনা ঘটে। এক কথায় বর্তমানে যতো অগি্নকা- ঘটছে তার অধিকাংশই ঘটছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে।

এ বিষয়ে চাঁদপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম ইকবাল হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ কোন্ ভিত্তিতে বলছে অগি্নকা-গুলো বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে হচ্ছে এটি আমার বোধগম্য নয়। তিনি বলেন, মন চাইলেই বা কারো কাছ থেকে কিছু শুনেই যে কোনো বিষয়ে কথা বলা যায় না। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বিষয়টি কী জিনিস তা অনেকেই জানে না। কোনো বাসায় বিদ্যুতের শট সার্কিট হলে প্রথমেই তার ঘরের ভিতরের প্রোটেকশন সুইচটি বন্ধ হয়ে যাবে। এটিতে কাভার না হলে মেইন সুইচ বন্ধ হবে বা মেইন সুইচটি বন্ধ করতে হবে। এটিতেও কাভার না হলে বিদ্যুৎ লাইনের মেইন তার জ্বলে যাবে। এই তিনটি প্রোটেকশন শেষ হলে তারপর বিদ্যুতের শট সার্কিট হয়ে অগি্নকা-ের ঘটনা ঘটবে, এর আগে নয়। আর এটি ঘটতে যে সময় লাগবে তাতে সতর্ক হওয়ার সময়ও থাকবে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৪১৯০২৫
পুরোন সংখ্যা