চাঁদপুর, রোববার ১৯ মে ২০১৯, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৩ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২৮। আল্লাহ বলিবেন, ‘আমার সম্মুখে বাগ্-বিত-া করিও না; তোমাদিগকে আমি তো পূর্বেই সতর্ক করিয়াছি’।

২৯। ‘আমার কথার রদবদল হয় না এবং আমি আমার বান্দাদের প্রতি কোনো অবিচার করি না।’

৩০। সেই দিন আমি জাহান্নামকে জিজ্ঞাসা করিব, ‘তুমি কি পূর্ণ হইয়া গিয়াছ? জাহান্নাম বলিবে, ‘আরও আছে কি?’


assets/data_files/web

অপ্রয়োজনে প্রকৃতি কিছুই সৃষ্টি করে না। -শংকর।


 


 


কবর এবং গোসলখানা ব্যতীত সমগ্র দুনিয়াই নামাজের স্থান।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
এনটিআরসিএ থেকে শিক্ষক নিয়োগ হলেও এমপিও করাতে প্রতিষ্ঠানকে দিতে হচ্ছে মোটা অংকের টাকা
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১৯ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের একটি বৈপ্লবিক ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত হচ্ছে এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) থেকে নিয়োগ দেয়া। এ পদ্ধতির কারণে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আগে যে স্থানীয়ভাবে নিয়োগ বাণিজ্য হতো সেটি অন্তত বন্ধ হয়ে গেছে। এ থেকে পরিত্রাণ পেয়েছেন শিক্ষক সমাজ। তবে এ নিয়োগ বাণিজ্য থেকে পরিত্রাণ পেলেও অপর বাণিজ্য তাদের পিছু ছাড়ছে না। তাদের ঘাড়ে চেপে বসেছে 'এমপিও বাণিজ্য' নামে আরেক বাণিজ্য। তবে এ বাণিজ্য আগেও ছিলো। আগে দুই খাতে টাকা ঢালতে হতো। আর এখন এক খাতে দিতে হচ্ছে। এখন এই এমপিও বাণিজ্যের শিকার হচ্ছেন সারাদেশের তো বটেই চাঁদপুর জেলারও শত শত শিক্ষক। অথচ একটি টাকাও নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের থেকে নেয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। আর এ অবৈধ কাজটিই করে যাচ্ছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং ম্যানেজিং কমিটির কিছু অসাধু লোক মিলে। 'এমপিও করাতে খরচ লাগবে' এ কথা বলে শিক্ষকদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা নিচ্ছেন প্রতিষ্ঠান প্রধান। একেকজন শিক্ষক থেকে ৩০/৪০ কি ৫০ হাজার টাকার কম নয়, ক্ষেত্র বিশেষে এর চেয়েও বেশি আদায় করা হচ্ছে। শিক্ষকরাও বাধ্য হয়ে দিচ্ছেন তাঁদের বেতন ধরানোর জন্যে।

এ বিষয়ে কথা হয় চাঁদপুর জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফি উদ্দিনের সাথে। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় চাঁদপুর জেলায় এবার কতজন শিক্ষক এনটিআরসিএ থেকে নিয়োগ পেয়েছেন? তিনি জানান, এবার জানুয়ারি মাসে এ নিয়োগটি হয়েছে। চাঁদপুর জেলায় প্রায় সাড়ে তিনশ'র মতো শিক্ষক এনটিআরসিএ'র মাধ্যমে নিয়োগ হয়েছে। তাদের অনেকেই নিয়োগকৃত প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে যোগদান করেছেন, এমপিও হয়ে গেছে, আবার কারোকারো গুলো প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় আছে।

এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে যে শিক্ষকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেয়া হচ্ছে সে বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে একটি টাকাও কোনো শিক্ষকের কাছ থেকে নেয়া যাবে না। এমপিও করাতে খরচ, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ইত্যাদি নানা অজুহাতে কোনো টাকা নেয়া যাবে না। এ ধরনের সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে সে প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই। বিশেষ করে চাঁদপুর হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রীর জেলা। এ জেলায় এ ধরনের অবৈধ ও অনৈতিক অর্থ বাণিজ্য কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ধরনের অবৈধ বাণিজ্যের সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি সাথে সাথে যথাযথ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে বলে তিনি হুঁশিয়ার করে দেন।

এদিকে বাস্তবতা হচ্ছে, সকল শিক্ষক থেকেই এমপিওভুক্তির জন্যে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ (প্রধানসহ ম্যানেজিং কমিটির কিছু অসাধু লোক) টাকা নিচ্ছে। বিষয়টি হয়ত ভুক্তভোগী শিক্ষকরা সরাসরি স্বীকার অথবা অস্বীকার কোনোটাই করবেন না। কারণ, তার তো ওই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে হবে সে ভয়ে। তারপরও সুনির্দিষ্ট কিছু প্রমাণ রয়েছে। আবার দেখা গেছে যে, চাহিদা মতো টাকা দেয়ার পরও কিছু কিছু শিক্ষকের এমপিও হচ্ছে না প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের সামান্য অসতর্কতা এবং কিছু জটিলতার কারণে। ভুল প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের অথচ ভোগান্তি শিক্ষকের ।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৬০৪৭৮৯
পুরোন সংখ্যা