চাঁদপুর, রোববার ১৯ মে ২০১৯, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৩ রমজান ১৪৪০
jibon dip
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২৮। আল্লাহ বলিবেন, ‘আমার সম্মুখে বাগ্-বিত-া করিও না; তোমাদিগকে আমি তো পূর্বেই সতর্ক করিয়াছি’।

২৯। ‘আমার কথার রদবদল হয় না এবং আমি আমার বান্দাদের প্রতি কোনো অবিচার করি না।’

৩০। সেই দিন আমি জাহান্নামকে জিজ্ঞাসা করিব, ‘তুমি কি পূর্ণ হইয়া গিয়াছ? জাহান্নাম বলিবে, ‘আরও আছে কি?’


assets/data_files/web

মনের যাতনা দেহের যাতনার চেয়ে বেশি। -উইলিয়াম হ্যাজলিট।


 


ঝগড়াটে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট অধিক ক্রোধের পাত্র।


 


 


ফটো গ্যালারি
রোজাদারের দোয়া আল্লাহ্ সরাসরি কবুল করেন
এএইচএম আহসান উল্লাহ
১৯ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

তাওরাত কিতাব নাজিল হওয়ার পূর্বে হযরত মুসা (আঃ) তুর পাহাড়ে উঠে ৪০ দিন যাবৎ সিয়াম পালন করেছিলেন। তারপর মুসা (আঃ) ও আল্লাহপাকের মধ্যে কথোপকথন হয়। এক পর্যায়ে হযরত মুসা (আঃ) আল্লাহ্ পাকের শোকর আদায় করলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে কিতাব দান করেছো, হেকমত দান করে মর্যাদাবান করেছো। এমন হেকমত কি আর অন্য কাকেও দান করেছো? তখন আল্লাহ্ পাক বললেন, 'আখেরি নবীর উম্মত তথা উম্মতে মোহাম্মদীকে আমি দুটি নূর দান করেছি, যেনো সে নূরের দ্বারা তারা অন্ধকার থেকে মুক্তি পেয়ে আলোর পথে আসতে পারে। সে দুটি নূর হলো : নূরুর রামাদ্বান ওয়া নূরুল কুরআন।' আল্লাহ্ পাক বললেন, হে মুসা! তোমার সাথে আমার কালাম হয়েছে। আমি কথা বলেছি, তুমি শুনেছ, আবার তুমি কথা বলেছো, আমি মা'বুদ কুদরতের কানে শুনেছি। তারপরও তোমার আর আমার মাঝখানে ৭০ হাজার নূরের পর্দার ব্যবধান ছিলো। কিন্তু আমার আখেরি নবীর উম্মতেরা সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের সময় যখন আমার দরবারে হাত তুলে দোয়া করবে সাথে সাথে আমি তাদের দোয়া কবুল করবো। আমি আল্লাহ্ তাদের দোয়া এমনভাবে কবুল করি যে, আমাদের মাঝখানে কোনো হিজাব (পর্দা) থাকে না। এ কারণেই হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (দঃ) ইরশাদ করেছেন, যারা রোজা রাখে তাদের জন্যে আনন্দ উপভোগের দুটো বিশেষ সুযোগ রয়েছে। প্রথমত ইফতার করার সময়, দ্বিতীয়ত হাশরের ময়দানে যখন মহান রবের সাক্ষাৎ লাভ করবে। সুবহানাল্লাহ্! আল্লাহ্ যেনো আমাদেরকে সেরূপ রোজাদার হিসেবে কবুল করেন।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৭২৯৫৩
পুরোন সংখ্যা