চাঁদপুর, বুধবার ২২ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৬ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • মতলবের জিয়াউর রহমান সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩৬। আমি তাহাদের পূর্বে আরও কত মানবগোষ্ঠীকে ধ্বংস করিয়াছি যাহারা ছিল উহাদের অপেক্ষা শক্তিতে প্রবল, উহারা দেশে দেশে ঘুরিয়া বেড়াইত; উহাদের কোনো পলায়নস্থল রহিল কি?

৩৭। ইহাতে উপদেশ রহিয়াছে তাহার জন্য যাহার আছে অন্তঃকরণ অথবা যে শ্রবণ করে নিবিষ্ট চিত্তে।


assets/data_files/web

ভালোবাসার ক্ষেত্রে সেই জ্ঞানী যে ভালোবাসা বেশি কিন্তু প্রকাশ করে কম। -জর্জ ডেভিডসন।


 


 


নিঃসন্দেহে তিন প্রকার লোকের দোয়া কবুল হয়। পিতার দোয়া, মোসাফিরের দোয়া এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।


 


 


ফটো গ্যালারি
ফরিদগঞ্জে গৃহবধূ অাঁখির ঘাতক স্বামী রিমান্ড শেষে জেলহাজতে
প্রবীর চক্রবর্তী
২২ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

যৌতুকের জন্যে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে ফরিদগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত মামলার এজাহার নামীয় প্রধান আসামী নিহত উম্মে কুলছুমা অাঁখির স্বামী আমানত শাহকে তিনদিনের রিমান্ড শেষে জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাকারিয়া জানান, গৃহবধূ উম্মে কুলছুমা অাঁখি হত্যা মামলার প্রধান আসামী স্বামী আমানত শাহকে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। সে মতে গত শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত রিমান্ডে ছিলো সে। এ সময় তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি জানান, রিমান্ডে আমানত শাহর কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তেমন কিছু জানা যায়নি।

এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুর রকিব জানান, উম্মে কুলছুমা অাঁখি হত্যা মামলার প্রধান আসামীর রিমান্ড শেষে প্রাপ্ত তথ্যাদি তদন্ত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের ফনিশাইর গ্রামের বড় সর্দার বাড়ির গোলাম সারওয়ারের মেয়ে উম্মে কুলছুমা অাঁখির সাথে পারিবারিক সম্মতিতে শাহরাস্তি উপজেলার উয়ারুক গ্রামের আজকারি মাইজের বাড়ির মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে আমানত শাহর বিয়ে হয়।

অাঁখির ভাই ও মামলার বাদী শাহাদাত হোসেন গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, বিয়ের কিছুদিন পর হতেই যৌতুকের জন্যে অাঁখির সাথে তার স্বামী ও শ্বশুর পরিবারের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এজন্যে কিছুদিন পূর্বে অাঁখি তার বাপের বাড়ি ফরিদগঞ্জের ফনিশাইর গ্রামে চলে আসে। এরপর গত ৪ মে শনিবার তার স্বামী আমানত অাঁখির বাপের বাড়িতে এসে তাকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। ওই রাতে অাঁখি ও তার স্বামীর সাথে ঝগড়ার এক পর্যায়ে অাঁখিকে হত্যা করে বসতঘরের আড়ার সাথে লাশ ঝুলিয়ে দিয়ে সে পালিয়ে যায়। ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ পরদিন লাশ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেম সম্পন্ন করার পর তার লাশ দাফন করা হয়।

শনিবার রাতে হত্যার ঘটনার পর রোববার রাতে নিহত গৃহবধূ উম্মে কুলছুমা অাঁখির ভাই শাহাদাত হোসেন বাদী হয়ে অাঁখির স্বামী আমানত শাহকে প্রধান আসামী ও তার ভাই নূরে আলম, ভাবী শিউলী বেগম এবং শাশুড়ি আসুয়া বেগমকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের (নং -১০, তাং- ৫.৫.২০১৯) করেন। মামলার প্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কাজী জাকারিয়া কৌশলে হাজীগঞ্জ বাজার থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মামলার প্রধান আসামী অাঁখির স্বামী আমানত শাহকে আটক করেন।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৪০৬৬০
পুরোন সংখ্যা