চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০১৯, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৭ রমজান ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩৮। আমি আকাশম-লী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিয়াছি ছয় দিনে; আমাকে কোন ক্লান্তি স্পর্শ করে নাই।৩৯। অতএব উহারা যাহা বলে তাহাতে তুমি ধৈর্য ধারণ কর এবং তোমরা প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে,


assets/data_files/web

খ্যাতিমান লোকের ভালোবাসা অনেক ক্ষেত্রে গোপন থাকে। -বেন জনসন।


 


 


যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয়, মানুষের মধ্যে তিনি উত্তম পুরুষ।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ছাড়া চিকিৎসা করাবেন না হাজীগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা সন্তোষ
কামরুজ্জামান টুটুল
২৩ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ছাড়া চিকিৎসা করাতে দেশ ছাড়বেন না মৃত্যুপথযাত্রী তৃণমূলের পরীক্ষিত আওয়ামী লীগ নেতা সন্তোষ চক্রবর্তী (৬৫)। পাকবাহিনীর হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার এই নেতা বর্তমানে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে দেখার ইচ্ছাপূরণ করে মরতে পারলে পরপারে গিয়ে শান্তি পেতেন বলে চাঁদপুর কণ্ঠকে জানিয়েছেন এ বর্ষীয়ান নেতা।



হাজীগঞ্জের বলাখাল এলাকার বড়ঠাকুর বাড়ির সন্তান সন্তোষ চক্রবর্তী। ব্যক্তিজীবনে ৪ সন্তানের জনক তিনি। সারাজীবন সময় ব্যয় করেছেন ছাত্রলীগ, যুবলীগ আর আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মকা-ে। চাঁদপুর-৫ নির্বাচনী এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য বলাখাল এলাকার বাসিন্দা মরহুম ডাঃ আব্দুস সাত্তার, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা ডাঃ নজরুল ইসলামসহ বহু প্রবীণের সাথে দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে রাজনীতি করেছেন। দলের পেছনে সময় দিতে গিয়ে আর নিজের জীবন সাজাতে পারেননি সন্তোষ চক্রবর্তী। তাই প্রতিষ্ঠা পাননি কোথায়ও। অসুস্থতার কারণে আজ তিনি শয্যাশায়ী। বর্তমানে দলের দু-একজন ছাড়া কেউ খোঁজখবর রাখে না তাঁর।



সরজমিনে সম্প্রতি বড়ঠাকুর বাড়িতে গেলে কথা হয় সন্তোষ চক্রবর্তীর সাথে। তিনি এই প্রতিনিধিকে জানান, ছাত্রলীগের যোগ দেয়ার মধ্য দিয়ে তিনি রাজনীতি শুরু করেন। উপজেলা যুবলীগের সভাপতি পদে ছিলেন প্রায় ৫ বছর। উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক পদে ছিলেন প্রায় ১৫ বছর। উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক পদে ছিলেন ১৯৯৬ পরবর্তী সময়ে। এরপর ধীরে ধীরে শরীরে রোগ বাসা বাঁধতে শুরু করলে ঘরমুখী হতে শুরু করেন সন্তোষ চক্রবর্তী। বহু লোককে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা সন্তোষ চক্রবর্তী আজ জীবন সায়াহ্নে এসে একটিবারের জন্যে সাক্ষাৎ চান জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার।



তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি রাজধানীর সিরাদিখান এলাকায় ছিলেন। যুদ্ধচলাকালে প্রায় ৮ মাস স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য আদান-প্রদানের কাজ করতেন। এমন খবরে পাকবাহিনী তাঁকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে আটকে রাখে। এ সময় পাকবাহিনী তাঁকেসহ বহুজনকে নির্মম নির্যাতন করে। যুদ্ধের পর অন্যদের সাথে তিনিও মুক্তি পান।



বর্তমানে সন্তোষ চক্রবর্তী লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত। চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করানোর প্রস্তুতি নিয়েছে পরিবার। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ছাড়া চিকিৎসার জন্যে দেশ ছাড়বেন না বলে পরিবারকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন সন্তোষ চক্রবর্তী। এই বিষয়টি চাঁদপুর কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন তারই ছেলে রাজীব চক্রবর্তী। তাঁর পরিবারের প্রত্যাশা, সন্তোষ চক্রবর্তী আজীবন আওয়ামী লীগের জন্যে কাজ করেছেন। তারা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬০৫৫৫৬
পুরোন সংখ্যা