চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০১৯, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৭ রমজান ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩৮। আমি আকাশম-লী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিয়াছি ছয় দিনে; আমাকে কোন ক্লান্তি স্পর্শ করে নাই।৩৯। অতএব উহারা যাহা বলে তাহাতে তুমি ধৈর্য ধারণ কর এবং তোমরা প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে,


assets/data_files/web

নতুন দিনই নতুন চাহিদা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গীর উদয় করে। -জন লিডগেট।


ক্ষমতায় মদমত্ত জালেমের জুলুমবাজির প্রতিবাদে সত্য কথা বলা ও মতের প্রচারই সর্বোৎকৃষ্ট জেহাদ।


ফটো গ্যালারি
স্বামীর নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে ৯৯৯ নম্বরে স্ত্রীর ফোন
রক্ষা পেলো স্ত্রী, স্বামী আটক
কামরুজ্জামান টুটুল
২৩ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

যৌতুকের দাবিতে স্বামী যখন স্ত্রী কামরুন নাহারকে মারধর করে মারাত্মক আহত করে ঠিক তখন স্ত্রী কামরুন নাহার ফোন করেন ৯৯৯-এ। এমন একটি ফোন পেয়ে তাৎক্ষণিক হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ উদ্ধার করে কামরুননাহারকে। একই সময় স্বামী মামুন (৩২)কে গ্রেফতার করে। রাতেই কামরুন নাহারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েভর্তি করিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কামরুন নাহার নিজে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে স্বামী মামুন সর্দারকে একমাত্র আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কামরুন নাহারের শ্বশুর বাড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মাতৈন গ্রামের সর্দার বাড়িতে। মামুন ওই বাড়ির দুলাল সর্দারের ছেলে। কামরুন নাহার একই উপজেলার বাকিলা ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের ডাঃ আশরাফুলের মেয়ে।

কামরুন নাহারের পরিবার জানায়, প্রেমের সম্পর্ক গড়ে গত তিন বছর আগে মামুন সর্দারকে বিয়ে করেন কামরুন নাহার। বিয়ের পর যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি করলে কামরুনের পরিবার মামুনকে ওমান পাঠানোর ব্যবস্থা করে। ওমান যাওয়ার পর আবারো যৌতুকের জন্যে চাপ সৃষ্টি করেন মামুন। টাকা না দেয়ায়, মোবাইলে ফোনে কামরুন নাহারকে তালাক দেন এবং পরবর্তীতে মামুন ১০ দিনের জন্য দেশে এসে পুনরায় কামরুন নাহারকে বিয়ে করে ওমান চলে যান।

এরপর এক সপ্তাহ পূর্বে আবার দেশে আসে মামুন। এসেই কামরুন নাহারকে পুনরায় যৌতুকের জন্যে চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। কিন্তু যৌতুকের টাকা না দেয়ায় মঙ্গলবার রাতে তাদের মাঝে কথা কাটিকাটি হয়। এক পর্যায়ে কামরুন নাহারকে বেশ কয়েকবার শারীরিক নির্যাতন করার পর রাতে তাকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় কামরুন নাহারের ডাক-চিৎকারে বাড়ির লোকজন এসে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে কামরুন নাহারকে উদ্ধার করে এবং মামুনকে থানায় নিয়ে যায়।

মামলার বাদী কামরুন নাহার জানান, বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা এনে দিতে অস্বীকার করায় মঙ্গলবার দিবাগত রাতে আমাকে বেশ কয়েকবার মারধর করা হয় এবং এ দিন গভীর রাতে আমাকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন মামুন। এ সময় আমার ডাক-চিৎকারে বাড়ির লোকজন উপস্থিত হলে আমি বেঁচে যাই। এরপর আমি বুদ্ধি করে ৯৯৯-এ ফোন করি।

এদিকে স্ত্রী হত্যার চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে থানা হেফাজতে থাকা মামুন সর্দার জানান, পারিবারিক কলহের জেরে কামরুন নাহার তাকে এবং তার মা-বোনকে উল্লেখ করে অকথ্য ও অশালীন ভাষায় গালমন্দ করতে থাকেন। যার ফলে তাকে (কামরুন নাহারকে) ক'টি চড়-থাপ্পড় মারা ছাড়া আর কিছুই করা হয়নি।

এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আলমগীর হোসেন রনি জানান, আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং আটক মামুন সর্দারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩১৬১০৭
পুরোন সংখ্যা