চাঁদপুর, শুক্রবার ২৪ মে ২০১৯, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৮ রমজান ১৪৪০
jibon dip
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


assets/data_files/web

মনের যাতনা দেহের যাতনার চেয়ে বেশি। -উইলিয়াম হ্যাজলিট।


 


ঝগড়াটে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট অধিক ক্রোধের পাত্র।


 


 


ফটো গ্যালারি
আহলান-সাহলান; মাহে রামাদ্বান
অন্য ইবাদতের সাথে রোজার বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য রয়েছে
এএইচএম আহসান উল্লাহ
২৪ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

রোজা ছাড়া অন্য ইবাদত পালন করতে তা কোনো না কোনো রূপে বাহ্যিকভাবে প্রকাশ পায়। কিন্তু রোজার বৈশিষ্ট্য হলো এর বাহ্যিক কোনো প্রকাশ নেই। যেমন একজন রোজাদার যদি কারো অলক্ষ্যে কিছু আহার করে তবে একমাত্র সে ব্যক্তি ও আল্লাহ পাক ছাড়া অন্য কেউ তা জানতে পারে না। পক্ষান্তরে অন্য ইবাদত আল্লাহকে রাজি-খুশির পরিবর্তে প্রদর্শনমূলক তথা লোক দেখানোও হতে পারে। কিন্তু রোজাদার একমাত্র আল্লাহকেই রাজি-খুশি করার জন্যে রোজা রাখে। কেননা প্রদর্শনীর জন্যে হলে সে গোপনে খাওয়ার কাজটি সম্পন্ন করতে পারতো যা অন্য কেউ জানতেও পারতো না। আসলে সে রোজা রাখে আল্লাহর জন্যই, সে জন্যে তা সে করে না।

রোজার আরো একটি বৈশিষ্ট্য হলো, আমরা জানি মানুষের নেক আমলগুলোর ফল আল্লাহর দরবারে কিছু না কিছু বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ একটি নেক আমল দশ থেকে সত্তর গুণ বৃদ্ধি পেতে পারে। কিন্তু রোজার ক্ষেত্রে কোনো সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়নি। বরং আল্লাহ তায়ালা নিজ হাতে রোজার প্রতিদান দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন। তিনি নিজেই ঘোষণা করেছেন, রোজা খাস করে আমার জন্যে, আমি স্বয়ং তার বিনিময় প্রদান করবো। এতেই প্রমাণিত হয় যে, রোজার গুরুত্ব কত বেশি এবং রোজা আল্লাহর কাছে কত পছন্দনীয়।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৬০৯৮০২
পুরোন সংখ্যা