চাঁদপুর, বুধবার ১২ জুন ২০১৯, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ৮ শাওয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


০৩। তিনিই আদি, তিনিই অন্ত; তিনিই ব্যক্ত ও তিনিই গুপ্ত এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।


৪। তিনিই ছয় দিবসে আকাশম-লী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন; অতঃপর 'আরশে সমাসীন হইয়াছেন। তিনি জানেন যাহা কিছু ভূমিতে প্রবেশ করে ও যাহা কিছু উহা হইতে বাহির হয় এবং আকাশ হইতে যাহা কিছু নামে ও আকাশে যাহা কিছু উত্থিত হয়। তোমরা যেখানেই থাক না কেনো_তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যাহা কিছু করো আল্লাহ তাহা দেখেন।


 


assets/data_files/web

সংশয় যেখানে থাকে সফলতা সেখানে ধীর পদক্ষেপে আসে।


-জন রে।


 


 


যে ব্যক্তি উদর পূর্তি করিয়া আহার করে, বেহেশতের দিকে তাহার জন্য পথ উন্মুক্ত হয় না।


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


ফটো গ্যালারি
প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের চেষ্টা
শরীরে জখম নেই তবু এমসিতে চার সেলাই!
স্টাফ রিপোর্টার
১২ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যে আসা এক রোগীর আঘাত বা জখমের কোনো চিহ্ন না থাকলেও হাসপাতালের ইনজুরি সার্টিফিকেটে (এমসি) চারটি সেলাইয়ের উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তিনটি পরিবারকে ঘায়েল করতে নানা চক্রান্তের পাঁয়তারা করছে একটি মহল। চাঁদপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ডের জিটি রোড এলাকায় সামু গাজী বাড়ির মোঃ ছিডু গাজীর ছেলে আনোয়ার গাজী (৩০) হাসপাতাল থেকে সার্টিফিকেট নিয়ে তার আপন জেঠাতো ভাইদের ঘায়েল করতে আদালতে মিথ্যা মামলা দিয়েছেন। তার মা আনোয়ারা বেগম (৫৬)কে তার জেঠাতো ভাইরা রক্তাক্ত জখম, স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়া এবং শ্লীলতাহানি করেছে বলে বিজ্ঞ চাঁদপুর সদর আমলী আদালতে ৪ জনকে আসামী করে মামলা করেছেন। ওই মামলায় যাদের আসামী করা হয়েছে তারা হলেন আঃ রহমান (৩৮), মামুন গাজী (৩৫), হুমায়ুন গাজী (৪২) ও জাহিদ গাজী (২৮)। মামলাটির সিআর নং ৫৪৩/১৮, কোর্ট স্মারক ১২৯৯, তারিখ ২৫/০৯/১৮ খ্রিঃ।

মামলার বিবাদীরা বলেন, আনোয়ারা বেগম আমাদের চাচী। তাদের সাথে আমাদের জমিজমা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে। সেখানে কোনো মারামারি হয়নি। কদিন আগে আদালত থেকে সমন জারির নোটিস আসে। সে সুবাদে আমরা জানতে পারি আমাদের নামে আদালতে মামলা হয়েছে। ওই নোটিসে আদালতে আমাদের হাজির হতে বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে মামলার বাদী আনোয়ার গাজীর সাথে কথা বলতে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ আসিবুল আহসান চৌধুরী সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আনোয়ারা বেগমকে আমিই সার্টিফিকেট দিয়েছি।

তার হাত কি কাটা ছিলো? তার হাতে কোনো সেলাই নেই। তবু এমসিতে চারটি সেলাই লিখেছেন কেন প্রশ্ন করা হলে তিনি এ কথা এড়িয়ে বলেন, আদালত ডাকলে আমি এ ব্যাপারে কথা বলবো। সমস্যা হবে না।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৬৯৬৬৩
পুরোন সংখ্যা