চাঁদপুর, বুধবার ১২ জুন ২০১৯, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ৮ শাওয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫১-সূরা যারিয়াত


৬০ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


৫৬। আমি সৃষ্টি করিয়াছি জিন এবং মানুষকে এই জন্য যে, তাহারা আমারই ইবাদত করিবে।


৫৭। আমি উহাদের নিকট হইতে জীবিকা চাহি না এবং ইহাও চাহি না যে, উহারা আমার আহার্য্য যোগাইবে।


 


 


 


assets/data_files/web

খ্যাতিমান লোকের ভালোবাসা অনেক ক্ষেত্রে গোপন থাকে। -বেন জনসন।


 


 


যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয়, মানুষের মধ্যে তিনি উত্তম পুরুষ।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মামা-ভাগি্নর বাড়িতে শোকের মাতম
বাদ জোহর ভাগ্নির জানাজা বাদ আসর মামার জানাজা
কামরুজ্জামান টুটুল
১২ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ভাগি্ন ফাতেমা তুজ জোহরা আনিকার (১০) জানাজা বাদ জোহর অনুষ্ঠিত হওয়ার কয়েক ঘন্টা পর মামা ইমরান হোসেনের (৩০) জানাজা বাদ আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার কারণে এমনই এক হৃদয় বিদারক ঘটনার অবতারণা হয় গতকাল মঙ্গলবার হাজীগঞ্জের বলাখাল ও কচুয়ার রহিমানগরে নিহতদের বাড়িতে। গতকাল ভোর সাড়ে ৬টায় চাঁদপুর সদর উপজেলার সেনগাঁও এলাকায় চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এ মামা-ভাগি্ন নিহত হয়। ঢাকাগামী পদ্মা বাস আর চাঁদপুরগামী সিএনজি স্কুটারের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে মামা-ভাগি্ন নিহত হয়। আনিকা রাজধানীর একটি মাদ্রাসায় ৩য় শ্রেণীতে পড়ে আর মামা ইমরান হোসেন গাজীপুর জেলায় সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকে চাকুরি করতেন। ইমরানের দেড় মাসের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তানকে হারিয়ে বাবা তাজুল ইসলাম সর্দার ও তার পরিবার এখন দিশেহারা।



মামা-ভাগি্নর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইমরান হাজীগঞ্জ উপজেলার বলাখাল এলাকার সর্দার বাড়ির তাজুল ইসলামের বড় ছেলে। তিনি এসআইবিএল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসেবে চাকুির করতেন। দেড়মাস বয়সী পুত্র সন্তানের বাবা ইমরান ঈদের ছুটি শেষে ভাগি্ন অনিকাসহ কর্মস্থল ঢাকায় ফিরছিলেন। ৫ বোন ২ ভাইয়ের মধ্যে ইমরান সবার বড় ছিলেন। আনিকার মা ইমরানের সেজো বোন।



ইমরানের বাল্য বন্ধু তুহিন জানান, ইমরানের লাশ বাড়িতে রেখে ভাগি্ন আনিকার জানাজায় অংশ নিতে সবাই কচুয়া রহিমানগর যায়। সেখানে বাদ জোহর আনিকার জানাজা শেষ করে আবার সবাই ইমরানের বাড়ি বলাখাল আসে। এর পরেই বাদ আসর ইমরানকে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।



অনিকা বাবা-মায়ের সাথে ঢাকা থাকতো। সে রাজধানীর একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। ঈদে সে মামার সাথে বেড়াতে মামার বাড়ি বলাখাল সর্দার বাড়িতে আসে। মামার সাথে ঢাকায় নিজ বাসায় ফেরার পথে মামা-ভাগি্ন একসাথে দুনিয়া থেকে বিদায় নিলো।



ইমরানের বাবা তাজুল ইসলাম জানান, ভোর ৬টার দিকে তিনি ছেলে আর নাতনিকে বলাখাল বাজারে একটি সিএনজি স্কুটারে তুলে দেন। এর আধা ঘন্টা পরেই ফোনে দুর্ঘটনার খবর পান।



হাজীগঞ্জ পৌর ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তাজের লিটন ভূঁইয়া জানান, ইমরান ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আনিকাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতাল থেকে ঢাকা নেয়ার পথে মারা গেলে একই অ্যাম্বুলেন্সে করে লাশ প্রথমে মামার বাড়ি পরে নিজের বাড়ি কচুয়া উপজেলার রহিমানগর এলাকার মজুমদার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৯৬২২৩
পুরোন সংখ্যা