চাঁদপুর, সোমবার ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৩ শাওয়াল ১৪৪০
jibon dip
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


assets/data_files/web

মনের যাতনা দেহের যাতনার চেয়ে বেশি। -উইলিয়াম হ্যাজলিট।


 


ঝগড়াটে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট অধিক ক্রোধের পাত্র।


 


 


ফটো গ্যালারি
২২ জুন ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক’ প্রদান অনুষ্ঠান
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট ॥
১৭ জুন, ২০১৯ ০২:৩৪:২৫
প্রিন্টঅ-অ+


বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি দেশব্যাপী জেলা পর্যায়ে সংস্কৃতি অঙ্গনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক’ চালু করেছে। ২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছর জেলা পর্যায়ে ৫টি ক্যাটাগরিতে ৫জন গুণীশিল্পী ও সংগঠককে চূড়ান্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মাননা পদক প্রদান করে আসছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমীর ব্যবস্থাপনায় ২০১৩ সাল থেকে ‘শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক’ দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে চাঁদপুরের ২০ জন সৃজনশীল সংগঠক ও শিল্পীকে সংস্কৃতি অঙ্গণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমী সম্মাননা পদক’ প্রদান করা হয়েছে। আগামী ২২ জুন শনিবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০১৭ ও ২০১৮ সালের জন্যে মনোনীত ১০ জন গুণীশিল্পী ও সংগঠক এ সম্মাননা পাচ্ছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মাননা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি উপস্থিত থাকবেন। চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি মোঃ মাজেদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন চাঁদপুরের পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির বিপিএম, পিপিএম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল।

২০১৭ সালের জন্যে ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক’ পাচ্ছেন- কাজী শাহাদাত (সৃজনশীল সংগঠক), গৌরাঙ্গ সাহা (সঙ্গীত), শরীফ চৌধুরী (নাট্যকলা), গোবিন্দ ম-ল (যাত্রাপালা) ও পীযূষ কান্তি রায় চৌধুরী (আবৃত্তি)।

২০১৮ সালের জন্যে ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক’ পাচ্ছেন-মুখলেছুর রহমান মুকুল (সাহিত্য), চম্পক সাহা (সঙ্গীত), চন্দন সরকার (নাট্যকলা), বাবুল কৃষ্ণ বিশ^াস (যন্ত্র সঙ্গীত) ও রাখাল চন্দ্র মজুমদার (সৃজনশীল সংগঠক)।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক’ পেয়েছেন- আকরাম খান (নাট্যকলা), ইতু চক্রবর্তী (সঙ্গীত), ভারতী ম-ল (যাত্রাপালা), অনিমা সেন চৌধুরী (নৃত্যকলা) ও সাধন সরকার (চিত্রকলা)। ২০১৪ সালে পেয়েছেন-স্বপন সেনগুপ্ত (যন্ত্র ও ধ্রুপদী সঙ্গীত), মোঃ হানিফ পাটোয়ারী (নাট্যকলা), কৃষ্ণা সাহা (সঙ্গীত), হারুন আল রশীদ (লোক সঙ্গীত) ও রুমা সরকার (নৃত্যকলা)। ২০১৫ সালে পেয়েছেন-শান্তি ভূষণ রক্ষিত (সঙ্গীত), মজিবুর রহমান দুলাল (নাট্যকলা), সুরজিৎ চক্রবর্তী (যন্ত্র সঙ্গীত), কেশব চন্দ্র সূর (যাত্রা শিল্প) ও আলম পলাশ (ফটোগ্রাফি)। ২০১৬ সালে পেয়েছেন-জীবন কানাই চক্রবর্তী (সৃজনশীল সংগঠক), অজয় ভৌমিক (আবৃত্তি ও উপস্থাপনা), শহীদ পাটোয়ারী (নাট্যকলা), রূপালী চম্পক (সঙ্গীত) ও প্রকৌশলী মোঃ দেলোয়ার হোসেন (সৃজনশীল সংস্কৃতি গবেষক)।

এটি বলতে গেলে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সম্মাননা। বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মাধ্যমে দেশব্যাপী সংস্কৃতি অঙ্গনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রতি বছর জেলা পর্যায়ে ৫ জনকে মনোনীত করা হয় ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমী সম্মাননা পদক’ প্রাপ্তির জন্যে।


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৯৮৫৩৫
পুরোন সংখ্যা