চাঁদপুর, শনিবার ১৩ জুলাই ২০১৯, ২৯ আষাঢ় ১৪২৬, ৯ জিলকদ ১৪৪০
jibon dip
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১৬। যখন বৃক্ষটি, যদ্বারা আচ্ছাদিত হইবার তদ্বারা ছিল আচ্ছাদিত,


১৭। তাহার দৃষ্টি বিভ্রম হয় নাই, দৃষ্টি লক্ষ্যচ্যুতও হয় নাই।


১৮। সে তো তাহার প্রতিপালকের মহান নিদর্শনাবলি দেখিয়াছিল;


 


 


 


শূন্য ভিক্ষা পাত্রের মতো ভারি জিনিস জগতে আর কিছুই নেই।


-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


 


 


ধর্মের পর জ্ঞানের প্রধান অংশ হচ্ছে মানবপ্রেম আর পাপী পুণ্যবান নির্বিশেষে মানুষের মঙ্গল সাধন।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠক
১৩ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


১১ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করেছেন। সামপ্রতিককালে এটাই প্রথম কোনো শিক্ষামন্ত্রীর ছাত্র নেতৃবৃন্দের সাথে এমন আয়োজন। এ ব্যতিক্রমী আয়োজনের ফলে ছাত্র নেতৃবৃন্দ মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্তণালয়ের উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীসহ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।



মতবিনিময়ের সময় ছাত্র নেতৃবৃন্দ তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যাসমূহ তুলে ধরেন। ছাত্র নেতৃবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সমস্যা, ট্রান্সপোর্ট সমস্যা, ইন্টারনেট সমস্যা, পরীক্ষায় কোডিং সিস্টেম চালু করা, ছাত্র সংসদ নির্বাচন, কেন্টিনের সমস্যা, খাবার সমস্যা, লাইব্রেরির সমস্যা, নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের ধীরগতি এবং বিভিন্ন বৈষম্যমূলক আচরণ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সাথে আলোচনা করেন। মন্ত্রী আগামী ১০ দিনের মধ্যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যাসমূহ লিখিতভাবে তাঁকে জানানোর জন্যে বলেন। তিনি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে উল্লেখিত সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ভিসি, প্রো-ভিসি, ট্রেজারার, রেজিস্টার এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের সাথে জড়িত পিডিদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন এবং সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন বলে বৈঠকে আশ্বাস দেন।



শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। শিক্ষার গুণগত উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। শিক্ষার উন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা খুবই জরুরি। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে শিক্ষাঙ্গনে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখার প্রতি আহ্বান জানান। কোনো রকমের সমস্যা হলে তা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে সমাধান করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ব্যর্থ হলে তা নিয়ে তাঁর (মন্ত্রীর) সাথে আলোচনা করতে বলেন তিনি। মন্ত্রী আন্দোলন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে নিষেধ করেন। মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাঙ্গনে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে ছাত্রলীগকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। শিক্ষকদের দলাদলিতে ছাত্র নেতৃবৃন্দের না জড়াতে মন্ত্রী নির্দেশ প্রদান করেন।



উপমন্ত্রী বলেন, ছাত্র হিসেবে ছাত্রদের প্রধান কাজ হলো লেখাপড়া করা এবং ওই লেখাপড়া কাজে লাগিয়ে নিজের ক্যারিয়ার ও বাংলাদেশের অগ্রগতিতে অবদান রাখা। তিনি আরও বলেন, প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন আছে, এই আইনের মধ্যে থেকে সরকার বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমস্যা সমাধানে কাজ করবে। রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, ছাত্রলীগকে ছাত্রদের দাবি-দাওয়া আদায়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের সাথে সুসম্পর্ক রাখতে হবে।



গোলাম রাব্বানী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ অনেক সময় তাদের স্বায়ত্বশাসনের অপব্যবহার করে। ছাত্র রাজনীতি যারা করে তাদের অনেক সময় কম নাম্বার দেয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। যা খুবই দুঃখজনক।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬২৯০৫৬
পুরোন সংখ্যা