চাঁদপুর, শনিবার ১৩ জুলাই ২০১৯, ২৯ আষাঢ় ১৪২৬, ৯ জিলকদ ১৪৪০
jibon dip
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১৬। যখন বৃক্ষটি, যদ্বারা আচ্ছাদিত হইবার তদ্বারা ছিল আচ্ছাদিত,


১৭। তাহার দৃষ্টি বিভ্রম হয় নাই, দৃষ্টি লক্ষ্যচ্যুতও হয় নাই।


১৮। সে তো তাহার প্রতিপালকের মহান নিদর্শনাবলি দেখিয়াছিল;


 


 


 


শূন্য ভিক্ষা পাত্রের মতো ভারি জিনিস জগতে আর কিছুই নেই।


-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


 


 


ধর্মের পর জ্ঞানের প্রধান অংশ হচ্ছে মানবপ্রেম আর পাপী পুণ্যবান নির্বিশেষে মানুষের মঙ্গল সাধন।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
পদ্মশ্রী পদক প্রাপ্ত শ্রীমতি ঝর্ণা ধারা চৌধুরীর স্মরণ সভা
তিনি তাঁর জীবদ্দশায় ভালো কাজ করেছেন বলেই রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন
---------------মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
১৩ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বাংলাদেশ গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সচিব পদ্মশ্রী পদক, বেগম রোকেয়া পদক, একুশে পদকসহ বিভিন্ন সম্মানে ভূষিত মহীয়সী নারী ঝর্ণা ধারা চৌধুরীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক। তিনি ঝর্ণাধারা চৌধুরীর জীবন আদর্শ তুলে ধরে বলেন, শান্তি, সমপ্রীতি এবং অহিংসা এ কথাগুলো সকল ধর্মের, তা রক্ষা করা আমাদের সকলের কর্তব্য। যদি তা পারি তাহলে সমাজের বিভেদ বিভাজন দূর করতে আমরা সক্ষম হবো। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু বলতেন, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। ধর্মীয় স্বাধীনতা সকল নাগরিকই ভোগ করবেন। তাই তিনি অসামপ্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন, সমাজ উন্নয়নে মানুষের কল্যাণে কাজ করার চিন্তা থাকলে, যে কোনো উপায়েই করা সম্ভব। এখানে ধর্ম কোনো বাধা হতে পারে না। তার প্রমাণ প্রয়াত ঝর্ণা ধারা চৌধুরী। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় ভালো কাজ করেছেন বলেই রাষ্ট্রীয়ভাবে কাজের স্বীকৃতি পেয়েছেন। সমাজের অসঙ্গতি দূরীকরণে গান্ধীজি কাজ করেছেন, তার সেই কর্মধারা এগিয়ে নিতে গান্ধী আশ্রম কাজ করছে। তিনি গান্ধী আশ্রমের যে কোনো প্রয়োজনে পাশে থাকবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



গতকাল ১২ জুলাই শুক্রবার সকালে নোয়াখালীর জয়াগস্থ গান্ধী আশ্রমের গান্ধী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন আশ্রমের সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত স্বদেশ রায়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতী রিভা গাংগুলী দাস, স্থানীয় সংসদ সদস্য এইচএম ইব্রাহীম। আশ্রমের ভারপ্রাপ্ত সচিব নব কুমার রাহার পরিচালনায় অতিথিদের মাঝে আরো বক্তব্য রাখেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মোঃ আলমগীর, বঙ্গবন্ধু শেখ মজিব মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন উপাচার্য কামরুল হাসান খান, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. জামাল উদ্দিন, প্রয়াতের প্রাক্তন ছাত্র ড. খন্দকার সাখাওয়াত আলী, নাগরিক সংহতি কমিটির আব্দুল আউয়াল ও প্রয়াতের পারিবারের পক্ষ হতে পার্থ সারথী চৌধুরী। ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস। অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনিন্দ ব্যানার্জী, মানব উন্নয়ন সেবামূলক সংস্থা জীবনদীপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াতের মামা অ্যাডঃ বিনয় ভূষণ মজুমদার, চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্সের সাবেক পরিচালক পরেশ মালাকার, চাঁদপুর জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিমল চৌধুরী, জীবনদীপের কার্যকরী সদস্য সুরঞ্জিত কর, সুদীপ্ত রায় সুদীপ, মোঃ ইসমাইল হোসেনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উল্লেখ্য, ঝর্ণা ধারা চৌধুরী গত ২৭ জুন মৃত্যুবরণ করেন।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৩৫৭৭৯
পুরোন সংখ্যা