চাঁদপুর, বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৩ জিলকদ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


২৭। যাহারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না তাহারাই নারীবাচক নাম দিয়া থাকে ফিরিশ্তাদিগকে;


২৮। অথচ এই বিষয়ে উহাদের কোন জ্ঞান নাই, উহারা তো কেবল অনুমানেরই অনুসরণ করে; কিন্তু সত্যের মুকাবিলায় অনুমানের কোনই মূল্য নাই।


 


assets/data_files/web

অপ্রয়োজনে প্রকৃতি কিছুই সৃষ্টি করে না। -শংকর।


 


 


দয়া ঈমানের প্রমাণ; যার দয়া নেই তার ঈমান নেই।


 


ফটো গ্যালারি
পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের কর্মবিরতি অব্যাহত
মেয়রের হস্তক্ষেপে চাঁদপুর শহরের ময়লা অপসারণ
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১৭ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


সারাদেশের পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্ম বিরতি অব্যাহত রয়েছে। গতকালও তারা ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান করেছিলেন। এদিকে এই কর্মবিরতির কারণে চাঁদপুর শহরের ময়লা আবর্জনা অপসারণে যে সমস্যা হয়েছিল, তা চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদের হস্তক্ষেপে দূর হয়েছে। তিনি গতকাল সকাল থেকে ময়লা অপসারণ কাজের লোক দিয়ে পুরো শহর থেকে ময়লা আবর্জনা সরিয়ে ফেলেন। আর এ কাজ তদারকি করেন পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের সভাপতি কাউন্সিলর ফরিদা ইলিয়াছ।



রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন ভাতা ও পেনশন প্রদানের দাবিতে চাঁদপুর পৌরসভাসহ সারাদেশের পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গত ১৪ জুলাই থেকে চূড়ান্ত আন্দোলনে যান। তাঁরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন। এই কর্মবিরতির ফলে পৌরসভার অফিসিয়াল কাজ বলতে গেলে বন্ধ হয়ে যায়। শুধু পানি সরবরাহ ঠিক রেখে অন্য সকল সেবা বন্ধ রাখা হয়। এতে করে ময়লা আবর্জনা ও সড়ক বাতি নিয়ে শহরবাসী সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে। বাড়ি থেকে ভ্যান গাড়িতে করে ময়লা এনে ডাস্টবিনগুলোতে ফেলা হয় ঠিকই, কিন্তু ডাস্টবিন থেকে আর সে ময়লা অপসারণ করা হয় নি। যে কারণে ১৪ ও ১৫ জুলাই এ দুদিনেই শহরে ময়লার অবস্থা খুব খারাপ পর্যায়ে গিয়ে পেঁৗছে। ময়লা ডাস্টবিন উপচে রাস্তার উপর গিয়ে পড়তে থাকে। এছাড়া শহরের রাস্তার পাশে এবং বিভিন্ন মার্কেট ও দোকানের সামনে ময়লার স্তূপ জমতে থাকে। দু দিন এ অবস্থা চলার পর গতকাল মঙ্গলবার মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদের হস্তক্ষেপে সকাল থেকেই শহরের ময়লা আবর্জনা অপসারণ কাজ শুরু হয়। আর এ কাজ নিজে উপস্থিত থেকে তদারকি করেন পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের সভাপতি কাউন্সিলর ফরিদা ইলিয়াছ। দুপুরের মধ্যেই দেখা গেছে যে, শহরের সকল ময়লা পরিস্কার হয়ে গেছে।



এ বিষয়ে চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলনে যাওয়ার আগে আমি তাদের সাথে মিটিং করেছি। তাদেরকে বলেছি, কোনো অবস্থাতেই যেনো পানি, বিদ্যুৎ এবং শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাজে সমস্যা না হয়। এ তিনটি সেক্টর সচল রাখতে হবে। তারাও আমার সাথে কথা দিয়েছে এই তিনটি বিভাগের কার্যক্রম সচল রাখা হবে। কিন্তু তারপরও সমস্যা হওয়ায় তিনি পৌরবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৪৪৬৫৪
পুরোন সংখ্যা