চাঁদপুর, রোববার ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৭ জিলকদ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • এক কিংবদন্তীর প্রস্থান চাঁদপুরবাসী শোকাহত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩৩। তুমি কি দেখিয়াছ সেই ব্যক্তিকে যে মুখ ফিরাইয়া লয় ;


৩৪। এবং দান করে সামান্যই, পরে বন্ধ করিয়া দেয়?


৩৫। তাহার কি অদৃশ্যের জ্ঞান আছে যে, সে প্রত্যক্ষ করে?


 


 


assets/data_files/web

যাকে মান্য করা যায় তার কাছে নত হও। -টেনিসন।


 


 


বিদ্যা শিক্ষার্থীগণ বেহেশতের ফেরেশতাগণ কর্তৃক অভিনন্দিত হবেন।


 


 


ফটো গ্যালারি
মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধ সংস্কার জরুরি
বাবুল মুফতী
২১ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মতলব উত্তরে ১৯৮৭-৮৮ অর্থ বছরে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয় মেঘনা-ধনাগোদা নামে দেশের অন্যতম বৃহত্তম সেচ প্রকল্পের। নির্মাণের প্রায় ৩৩ বছর অতিবাহিত হলেও এ প্রকল্পে এখনো পর্যন্ত বড় ধরণের সংস্কার কাজ করা হয়নি। এ প্রকল্পটি কমপক্ষে ৫ বছর পর পর সংস্কার করা প্রয়োজন। কারণ এ প্রকল্পটি তৎকালীন সরকার খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির প্রকল্প হিসেবেই নির্মাণ করেছিল। এছাড়াও এ প্রকল্পের ভেতরে প্রায় ৫ লাখ মানুষের বসবাস। বন্যার পানিতে যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙ্গে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।



জানা গেছে, মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৩ কিলোমিটার। এ বাঁধটি জনসাধারণের যেমন যাতায়াতে তেমনি বসবাসযোগ্য এলাকার জন্যে বড় ধরনের সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। মতলব উত্তরের চরাঞ্চল এক সময় বর্ষা মৌসুমে পানি বেষ্টিত হয়ে পড়তো। বেড়িবাঁধটি থাকায় এখানে বছরে প্রায় ৪ বার ফসল উৎপাদন সম্ভব হয়। এছাড়াও দৈনন্দিন জীবনে এ প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের সহজ যাতায়াত ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।



সম্প্রতি পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম এমপি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সচিব এই বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করে গেছেন। পরে তারা নদী ভাঙ্গন এলাকা ঘুরে ভাঙ্গন রোধে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন। ওই বরাদ্দ দিয়ে ভাঙ্গন এলাকায় কাজ চলছে। ঘুরে দেখা গেছে, কিছু কিছু জায়গায় বেড়িবাঁধ দুর্বল হয়ে পড়েছে। বাঁধের ভেতর ও বাইরের অংশে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ওই গর্তগুলো দ্রুত বন্ধ করা প্রয়োজন। না হলে সামনে বন্যা মৌসুমে দেখা দিতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।



বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পানি ব্যবহারকারী ফেডারেশনের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ কুদ্দুস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার ও পানি ব্যবহারকারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সরকার মোঃ আলাউদ্দিন বাঁধের টরকী লঞ্চঘাট, চরমাছুয়া, আমিরাবাদ লঞ্চঘাট, জহিরাবাদ, মোহনপুর, দশানী ও সটাকিসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তাঁদের সাথে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা খাজা আহমেদ, ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী সালাউদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুজ্জামান সরকার দুলাল, মিজানুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল সরকার, সুজন ভুইয়া প্রমুখ।



পরিদর্শনকালে জনাব এমএ কুদ্দুস বলেন, সামনে বন্যা মৌসুম। বন্যা শুরু হওয়ার আগেই বাঁধ সংস্কার জরুরি। বিশেষ করে বেড়িবাঁধের কোল ঘেঁষে যেসব গর্ত সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো দ্রুত গতিতে সংস্কার করতে হবে। আমি স্থানীয় এমপি অ্যাডঃ নূরুল আমিন রুহুলের সহযোগিতায় সরকারের কাছে আবেদন করবো যাতে দ্রুত এই বাঁধটি সংস্কারের জন্যে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, বর্তমান শেখ হাসিনার সরকার সবসময়ই জনগণের কথা চিন্তা করেন। সেই লক্ষ্যে আমরা আশা করি খুব দ্রুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বেড়িবাঁধটি রক্ষার্থে বরাদ্দ দিবেন।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯৬৬১১৫
পুরোন সংখ্যা