চাঁদপুর, রোববার ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৭ জিলকদ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • এক কিংবদন্তীর প্রস্থান চাঁদপুরবাসী শোকাহত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩৩। তুমি কি দেখিয়াছ সেই ব্যক্তিকে যে মুখ ফিরাইয়া লয় ;


৩৪। এবং দান করে সামান্যই, পরে বন্ধ করিয়া দেয়?


৩৫। তাহার কি অদৃশ্যের জ্ঞান আছে যে, সে প্রত্যক্ষ করে?


 


 


assets/data_files/web

যাকে মান্য করা যায় তার কাছে নত হও। -টেনিসন।


 


 


বিদ্যা শিক্ষার্থীগণ বেহেশতের ফেরেশতাগণ কর্তৃক অভিনন্দিত হবেন।


 


 


ফটো গ্যালারি
মায়ার প্রতি মায়া নেই!
মতলব সরকারি ডিগ্রি কলেজের উদ্বোধনী ফলকের ছবি ভাংচুর
শওকত আলী
২১ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরে অবস্থিত মতলব সরকারি ডিগ্রি কলেজ জাতীয়করণ করার পরে ২০১৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন সময়ের চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম। এই উদ্বোধনী ফলকে মন্ত্রী মায়া চৌধুরীর ছবি বড় আকারে ছিলো। কিন্তু বৃহস্পতিবার দেখা গেলো যে, উদ্বোধনী ফলকটিতে দিন, তারিখ ও নাম থাকলেও উপরে মায়া চৌধুরীর ছবিটি নেই। অনেকেই স্বচক্ষে বিষয়টি দেখে নানাজনে নানা মন্তব্য করেন। কেউ কেউ মন্তব্য করে বলেন, মায়ার প্রতি মায়া নেই। 'মতলববাসীর মায়ার প্রতি পূর্বের সেই মায়া কমে গেছে'।



১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখা যায় মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রমের ছবিটি ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এদিকে কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরে একজন সাবেক মন্ত্রীর ছবি ভংচুর করা হয়েছে অথচ কর্তৃপক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাহলে এই কলেজের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কতটুকু?



কলেজের একাধিক শিক্ষককে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তারা কোনো কথা বলতে রাজি হননি। চাঁদপুরের কয়েকজন সাংবাদিক ভাংচুরকৃত উদ্বোধনী ফলকের ছবি তুলতে গেলে কলেজের একজন শিক্ষক এগিয়ে এসে বলেন, ছবি তুলে কী লাভ হবে।



মতলব সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আবুল কালাম আল-আজাদ বলেন, আনুমানিক ৭ মাস আগে একদিন রাতে উদ্বোধনী নামফলক ভাংচুর করা হয়েছে। পরে আমরা এটি দেখার জন্য কলেজের সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখি। তাতে দেখা গেছে যারা এটি ভাংচুর করেছে তারা আগে সিসি ক্যামেরা কাপড় দিয়ে ঢেকে রেখেছে। বিষয়টি আমি মৌখিকভাবে মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ শাহিদুল ইসলামকে জানিয়েছি।



তিনি আরো বলেন, আমি একজন শিক্ষক। বিষয়টা অনেকটা রাজনীতির সাথে জড়িত। তাই আমি এ বিষয়ে এর চাইতে বেশী কিছু বলতে পারবোনা।



মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ একেএমএস ইকবাল হোসেন বলেন, উদ্বোধনী ফলক ভাংচুরের বিষয়ে আমাকে কেউ জানায়নি। আমি নিজেও জানি না।



মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ শাহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর আমাকে কলেজের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন। বিষয়টি যেহেতু পুলিশ দেখবে, সেহেতু আমি পুলিশকে জানানোর জন্যে বলেছি। এরপরে কী হয়েছে আমার জানা নেই।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯৫৯৯০৭
পুরোন সংখ্যা