চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১৫ আগস্ট ২০১৯, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৩ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচন হতে কোনো বাধা নেই : হাইকোর্ট; রিট খারিজ। ||  তথ্যসূত্র: চ্যানেল টুয়েন্টি ফোর।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৬-সূরা দাহ্র বা ইন্সান


৩১ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৬। রজতশুভ্র স্ফটিক পাত্রে, পরিবেশন-কারীরা যথাযথ পরিমাণে উহা পূর্ণ করিবে।


১৭। সেথায় তাহাদিগকে পান করিতে দেওয়া হইবে যান্জাবীল মিশ্রিত পানীয়,


১৮। জান্নাতের এমন এক প্রস্রবণের যাহার নাম সালসাবীল।


 


assets/data_files/web

যে সরকার জনগণকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দান করবে, সেটাই যথার্থ সরকার।


-জে.এ.গুড চাইল্ড।


 


 


 


 


অত্যাচার কেয়ামতের দিন সমূহ অন্ধকারের কারণ হবে।


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত
এএইচএম আহসান উল্লাহ
১৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ত্যাগের মহিমায় সমুজ্জ্বল পবিত্র ঈদুল আযহা চাঁদপুরে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদ্যাপিত হয়েছে। হিংসা-বিদ্বেষ, ভেদাভেদ ও বৈষম্য ভুলে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনার্থে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এ ঈদ উদ্যাপন করেছে। তবে এবার ঈদের পূর্বের রাতে বৃষ্টি হওয়ায় চাঁদপুর শহরে প্রধান প্রধান ঈদগাহের ঈদের জামাত ঈদগাহ সংলগ্ন মসজিদে হয়েছে। এছাড়া প্রায় প্রত্যেক জামে মসজিদেও ঈদের জামাত হয়েছে। ঈদের নামাজ শেষ করেই সামর্থ্যবানরা পশু কোরবানি দিয়েছে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে। আর যাদের সামর্থ্য নেই তাদেরও ঈদ-আনন্দের কোনো কমতি ছিলো না। কোরবানির মাংসে গরিবদের যে অধিকার রয়েছে, সে প্রাপ্য তারা পেয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করেছে। এভাবেই ত্যাগের মহীমায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসে জেলাব্যাপী ঈদুল আযহা উদ্যাপিত হয়েছে।



এবার ১২ আগস্ট সোমবার ছিলো মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা। হজ্ব ও কোরবানির স্মৃতিকে ধারণ করে আছে মুসলিম উম্মাহর এই ধর্মীয় উৎসব। যাঁদের উপর হজ্ব ফরজ হয়েছে তাঁরা পবিত্র মক্কা-মদিনায় গিয়ে হযরত ইব্রাহীম (আঃ) ও ইসমাঈল (আঃ)সহ অন্য নবীগণের স্মৃতি বিজড়িত স্থানসমূহ এবং বায়তুল্লাহ শরীফ তাওয়াফ ও নবীজীর রওজা মোবারক জিয়ারতের মধ্য দিয়ে হজ্ব পালন করেন। আর হজ্বের পরদিন অর্থাৎ ১০ জিলহজ্ব হচ্ছে ঈদুল আযহা। বাংলাদেশে জিলহজ্বের চাঁদ দেখার উপর ভিত্তি করে এ বছর ১০ জিলহজ্ব ছিলো ১২ আগস্ট।



পরিবার-পরিজনের সাথে ঈদ উদ্যাপন করতে চাঁদপুরের মানুষ যারা জেলার বাইরে কর্মস্থলে ছিলেন তারা ছুটে এসেছেন আপনালয়ে। এবার ১৫ আগস্টের ছুটি এবং ঈদের ছুটি একসাথে হওয়ায় মানুষজন সময় নিয়েই বাড়িঘরে আসতে পেরেছে। তেমন কোনো দুর্ঘটনা বা বড় ধরনের কোনো ঝামেলা ছাড়াই বাড়ি-ঘরে আসতে পারায় মানুষজন স্বস্তি প্রকাশ করেছে। চাঁদপুর লঞ্চঘাটে জেলা পুলিশের তৎপরতা ছিলো চোখে পড়ার মতো। যার কারণে লঞ্চে আসা কয়েক লাখ যাত্রী কোনো হয়রানির শিকার হয়নি।



ঈদের দিনের পূর্ব রাতে বৃষ্টি হলেও সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার ছিলো। বৃষ্টি হয়নি। আর তাই সকাল থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদগাহে বা মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নিতে থাকে। পুত-পবিত্র হয়ে মুসলি্লরা দলে দলে মসজিদের দিকে ছুটতে থাকে। ধনী-গরিব, ছোট-বড়, রাজা-ভৃত্য ও বর্ণের কোনো বৈষম্য বা ভেদাভেদ ছিলো না ঈদের জামাতে। এক কালেমার পরিচয়ে সবাই একাকার হয়ে গেছে ঈদের নামাজে। সবাই কাতারবন্দী হয়ে দু রাকাত ঈদুল আযহার ওয়াজিব নামাজ আদায় করে খুতবা পাঠ শেষে মিলাদ ও দোয়া-মুনাজাত করে যার যার বাড়ি-ঘরে ফিরে যায়। আবার অনেকে নামাজ শেষে আপনজনদের কবর জিয়ারত করে এই পবিত্র দিনের ফজিলতে তাদেরকে শামিল করে তাদের জন্যে মাগফিরাত কামনা করেছেন। এরপর বাড়িতে এসে সবাই পশু কোরবানিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কোরবানি শেষে মাংস নিজেদের জন্যে একভাগ রেখে বাদবাকি অংশ আত্মীয়-স্বজন, গরিব ও প্রতিবেশীদের মধ্যে বিলি-বণ্টন করে দেন।



চাঁদপুর জেলা শহরের প্রধান ঈদের জামাত পৌর ঈদগাহের পরিবর্তে সংলগ্ন চৌধুরী জামে মসজিদে সকাল পৌনে ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন হাজী শরীয়ত উল্যাহর সপ্তম পুরুষ মাওঃ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান। ইমাম সাহেব নামাজের পূর্বে ঈদুল আযহার তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন। এই ঈদ জামাতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ বিশিষ্টজনরা অংশ নেন। সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন জেলা প্রশাসক মোঃ মাজেদুর রহমান খান, পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ, চাঁদপুর প্রেসক্লাব ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব অ্যাডঃ ইকবাল-বিন-বাশার ও মসজিদ কমিটির সেক্রেটারী ফারুকুল ইসলাম।



জেলা শহর ছাড়া বিভিন্ন উপজেলার মধ্যে সবচে' বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে হাজীগঞ্জ বড় মসজিদে। এখানে বরাবরের মতো এবারো দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সব ঈদ জামাতেই নামাজ ও মুনাজাত শেষে সবাই একে অপরের সাথে আলিঙ্গন করেন। সকল শত্রুতা ও বৈরিতা ভুলে সৃষ্টি হয় এক স্বর্গীয় পরিবেশ। সামনের দিনগুলোও যাতে ঈদের মতো হয় এ কামনা ছিলো সবার।



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৩৯,৩৩২ ২,৯২,০১,৬৮৫
সুস্থ ২,৪৩,১৫৫ ২,১০,৩৫,৯২৬
মৃত্যু ৪,৭৫৯ ৯,২৮,৬৮৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৫০৬৬
পুরোন সংখ্যা