চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১৫ আগস্ট ২০১৯, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৩ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৯-সূরা হাশ্‌র


২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


৮। এই সম্পদ অভাবগ্রস্ত মুহাজিরগণের জন্য যাহারা নিজেদের ঘরবাড়ি ও সম্পত্তি হইতে উৎখাত হইয়াছে। তাহারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনা করে এবং আল্লাহর ও তাঁহার রাসূলের সাহায্য করে। উহারাই তো সত্যাশ্রয়ী।


 


 


assets/data_files/web

যে খেলায় কেউ জিততে পারে না সেটাই সবচেয়ে খারাপ খেলা।


-টমাস ফুলার।


 


 


কৃপন ব্যক্তি খোদা হতে দূরে লোকসমাজে ঘৃণিত, দোজখের নিকটবর্তী।


 


 


ফটো গ্যালারি
পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
দাদা ও বাবার অভিযোগ হত্যা
বিশেষ প্রতিনিধি
১৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুরে পানিতে ডুবে আব্দুল্লাহ নামে দুই বছরের শিশুর করুণ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে সদর উপজেলার ১০নং লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের পূর্ব রঘুনাথপুর ১নং ওয়ার্ডস্থ সিআইপি খালে পড়ে শিশুটির করুণ মৃত্যু হয়েছে।



স্থানীয়রা শিশুটিকে খালে ভাসছে দেখে উদ্ধার করে তার পরিবারকে জানানোর পর শিশুটাকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তখন হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে শিশুটির পরিবার তাকে নানীর বাড়িতে নিয়ে আসে।



শিশুর দাদা ইউসুফ খান জানান, অভিযোগ করলে মডেল থানার এসআই মফিজুল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শিশুর নানীর বাড়িতে গিয়ে স্থানীয় লোকজনদের কাছে পানিতে পড়ে মৃত্যুর ঘটনাটি নিশ্চিত হন। দীর্ঘদিন যাবৎ শিশুর মা ইয়াসমিন ও বাবা সুজন খানের মধ্যে মামলা চলমান রয়েছে।



সে ঘটনাটি পুঁজি করে শিশুর বাবা ও তার দাদা ইউসুফ খান পানিতে পড়ে মৃত্যুর ঘটনাটি হত্যাকা- বলে আখ্যায়িত করে থানায় অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে পানিতে পড়ে মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন। শিশুটির লাশ ময়না তদন্ত করার জন্যে পুলিশ থানায় নিয়ে আসে।



শিশুর খালা মাছুমা বেগম ও নানী রাণী বেগম জানান, দুপুরে হঠাৎ করে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরে জানা যায় খালের পাড়ে ঘাটলায় গিয়ে পানিতে পড়ে যায় সে। স্থানীয় পথচারীরা পানিতে ভাসতে দেখে তাকে উদ্ধার করে খবর দেয়। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।



এ বিষয়ে এসআই মফিজুল জানান, পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে এলাকার সবাই সাক্ষ্য দিয়েছে। তবে শিশুর দাদা ও বাবা যেহেতু অভিযোগ করেছেন তাই শিশুটির ময়না তদন্ত করা প্রয়োজন। পরবর্তীতে যদি কেউ মামলা করে তাতে হয়রানি হবার আশঙ্কা রয়েছে, সেহেতু ময়না তদন্ত হলে ভালো হবে।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯৩৭৩৪
পুরোন সংখ্যা