চাঁদপুর, বুধবার ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬, ১৯ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৫৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৪৩। তোমাদের মধ্যকার কাফিরগণ কি উহাদের অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ? না কি তোমাদের অব্যাহতির কোন সনদ রহিয়াছে পূর্ববর্তী কিতাবে?


৪৪। ইহারা কি বলে, 'আমরা এক সংঘবদ্ধ অপরাজেয় দল?


৪৫। এই দল তো শীঘ্রই পরাজিত হইবে এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শন করিবে,


 


 


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


যখন কোনো দলের ইমামতি কর, তখন তাদের নামাজকে সহজ কর।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
পৌর মেয়রের দৃষ্টি কামনা
ডাস্টবিনের অভাবে চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডে যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে বর্জ্য মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়
হাছান খান মিসু
২১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডস্থ প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী সুবিশাল বাবুরহাট বাজার, দাসদী, আশিকাটি ও শিলন্দিয়াসহ আশপাশের এলাকা। কালক্রমে শহরের পূর্বাংশ ও কয়েকটি ইউনিয়নের কেন্দ্রস্থল এখন বাবুরহাট। বাবুরহাট বাজারসহ আশপাশের এলাকায় বসবাস এবং ব্যবসার পরিধি পূর্বের চেয়ে বর্তমানে দিন দিন বেড়েই চলছে। বাবুরহাট এলাকায় জেলা পুলিশ লাইনস্, জেলা পরিষদ, জেলা কারাগার, বিসিক শিল্প নগরী, একটি গার্মেন্টস্ ফ্যাক্টরি, ১টি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, ১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের আবাসস্থল বাবুরহাট এলাকায় হওয়ায় এখানে দিন দিন বহুতল ভবন নির্মাণ হচ্ছে এবং এতে জনসংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু এ এলাকায় ক্রমবর্ধমান আবাসস্থল ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে তাল মিলিয়ে বাসা-বাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট স্থান না থাকায় এ ওয়ার্ডে একরকম নাজুক অবস্থার সৃষ্টি হয়ে রয়েছে। যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটছে।



পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডের কোনো এলাকাতেই গৃহস্থালির বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট কোনো স্থান না থাকায় বসবাসরত মানুষজন যেখানে-সেখানে ও রাস্তার পাশে গৃহস্থালির বর্জ্যসহ নানা ময়লা-আবর্জনা ফেলছে। এতে করে মশা-মাছির উপদ্রবসহ দুর্গন্ধ দিন দিন বেড়েই চলছে। দুর্গন্ধ এমন যে নাক-মুখ চেপে ধরে দম বন্ধ করে প্রত্যেকটি স্থান দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে শত শত সাধারণ মানুষ।



১৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত বাবুরহাট মডেল টাউনের বসবাসরত বাড়ির মালিকগণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে ময়লা ফেলার জন্যে ১টি ভ্যান ও ১ জন শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে মডেল টাউন এলাকার বাসা থেকে ময়লা অপসারণ করার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু ভ্যান থেকে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থান না থাকায় চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে খালের মধ্যে ফেলা হচ্ছে। যার ফলে খালের পানি অপসারণের গতিপথ বন্ধ হচ্ছে এবং মারাত্মক জলাবদ্ধতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।



এদিকে বাবুরহাট-মতলব রোডের কাছে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে গরু জবাইয়ের নির্দিষ্ট স্থান রয়েছে। সেখানেও গরুর বর্জ্য নিয়মিত পরিষ্কার না করার কারণে মারাত্মকভাবে বায়ুদূষিত হচ্ছে। যার ফলে বাবুরহাট বাইতুল ফালাহ জামে মসজিদে মুসলি্লদের নামাজ আদায় করতে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। এছাড়াও বাজারের ব্যবসায়ীদের দোকানে বসে ব্যবসা পরিচালনা করতে কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।



এদিকে বাবুরহাট বাজারের ব্যবসায়ীদের দোকানের বর্জ্য বিশেষ করে কাঁচা মালের দোকানীদের কাঁচা বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলার কারণেও বাজারের পরিবেশসহ আশাপাশের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।



এই এলাকায় বসবাসরত সমাজ সচেতনগণ মনে করেন শীঘ্রই যদি এ এলাকায় ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট স্থান (ডাস্টবিন) নির্মাণ না করা হয় তাহলে এ এলাকায় বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। এলাকায় রোগজীবাণু বৃদ্ধি পাবে। ময়লা ফেলার কারণে ছোট ছোট জলাশয়গুলো ভরাট হয়ে যাবে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে, মশা-মাছির উপদ্রব বাড়বে।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৮৭১৬৯
পুরোন সংখ্যা